India China Border Tension: লাদাখে প্যাংগং হ্রদের কাছে পাকা নির্মাণ চিনের, স্যাটেলাইট ইমেজে উদ্বেগজনক ছবি ধরা পড়ল

<p><span style="font-weight: 400;"><strong>নয়াদিল্লি:</strong> সংঘাত কাটিয়ে সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু কয়েক মাস যেতে না যেতেই ফের ছন্দপতন। লাদাখে প্যাংগং হ্রদের কাছে নতুন সামরিক পরিকাঠামো গড়ে তুলছে চিন। ১৯৬২ সালের ইন্দো-চিন যুদ্ধে ভারতের যে অংশ দখল করে, সেখানেই সিরিজাপ পোস্টের কাছে নয়া নির্মাণকার্য শুরু করেছে তারা। অথচ ওই অংশকে এখনও নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ বলেই মনে করে ভারত। স্যাটেলাইটের তোলা ছবিতে গোটা বিষয়টি ধরা পড়েছে। দেখা গিয়েছে, নতুন একটি কমপ্লেক্স গড়ে তুলেছে চিন, যার মধ্যে একাধিক স্থায়ী কাঠামো রয়েছে। প্য়াংগং হ্রদ থেকে মাত্র কয়েক মিটার দূরত্বে ওই নির্মাণকার্য চালিয়ে যাচ্ছে চিন। (Chinese Structure Near Pangong Lake)</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">চিনের এই পদক্ষেপ ভারতের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। কারণ এতে &lsquo;বাফার জ়োনে&rsquo;র কাছে আরও সৈন্য-সরঞ্জাম মজুত করতে পারবে চিনের পিপল&rsquo;স লিবারেশন আর্মি। ২০১৩ সালেই ওই এলাকায় সড়ক নেটওয়র্ক গড়ে তুলেছিল চিন। প্রথম প্রথম দুই দেশই ওই রাস্তা ব্যবহার করে টহল দিত। কিন্তু ২০২০ সালে গালওয়ান সংঘর্ষের পর থেকে ভারত সেখানে ঢুকতেই পারে না। চিন একাই সেখানকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে কার্যত। (India China Border Tension)</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">২০২০ সাল থেকেই ওই অঞ্চলে নির্মাণকার্যে গতি আনে চিন। গোড়ার দিকে অস্থায়ী কাঠামো গড়ে সেনা মোতায়েন করা হয় সেখানে। নৌকা নিয়ে যেমন নজরদারি চালাতে শুরু করে তারা, পাশাপাশি একটি জেটিও গড়ে তোলা হয় হ্রদের উপর, যাতে যাতায়াতের সুবিধা হয়। স্যাটেলাইটের তোলা নতুন যে ছবি সামনে এসেছে, সেগুলি গত ২৮ ডিসেম্বর তোলা হয় বলে জানা গিয়েছে। স্পেস ইনটেলিজেন্স সংস্থা Vantor ওই ছবি প্রকাশ করেছে, যাতে অস্থায়ী নির্মাণের পাশাপাশি, নতুন স্থায়ী নির্মাণস্থলও বোঝা যাচ্ছে স্পষ্ট। গত বছর জুন মাসে যে ছবি সামনে এসেছিল, তাতে জেটির কাছে দেখা গিয়েছিল নৌকাগুলিকে। নতুন ছবিতে দেখা গিয়েছে, জলভাগ থেকে দূরে রয়েছে নৌকাগুলি। শীতে হ্রদের জল জমে যায় বলেই সম্ভবত সেগুলিকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।</span></p> <blockquote class="twitter-tweet"> <p dir="ltr" lang="en">China is constructing new buildings near the military buffer zone with India at Pangong Tso, while the activity is within Chinese held territory, it consolidates Beijing&rsquo;s physical presence post the 2020 border dispute &amp; subtly recalibrates its territorial claims in the region <a href="https://t.co/RSR6km5YHg">pic.twitter.com/RSR6km5YHg</a></p> &mdash; Damien Symon (@detresfa_) <a href="https://twitter.com/detresfa_/status/2007670826724929598?ref_src=twsrc%5Etfw">January 4, 2026</a></blockquote> <p><span style="font-weight: 400;">২০২৫ সালের দ্বিতীয়ার্ধ থেকেই সেখানে জোরগতিতে নির্মাণকার্য চলছে বলে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। The Intel Lab-এর ডেমিয়েন সাইমন বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে। তাঁর বক্তব্য, &ldquo;প্যাৃংগং হ্রদের বিতর্কিত এলাকায় চিনের গতিবিধি বলছে, শুধুমাত্র নিজেদের উপস্থিতি বজায় রাখতে চায় না তারা, বরং নিয়ন্ত্রণ কায়েম রাখতে স্থায়ী পরিকাঠামো নির্মাণ করছে। ২০২০ সালের ডিসএনগেজমেন্ট জ়োনের ঠিক বাইরেই নয়া সামরিক প্রকল্পটি গড়ে তুলছে চিন। এতে প্রতিকূল আবহাওয়াতেও সারাবছর সেখানে নিজেদের কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবে তারা।&rdquo;</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">সাইমন আরও বলেন, &ldquo;এই মুহূর্তে চিনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে যে এলাকা, সেখানেই যদিও নির্মাণকার্য চলছে, কিন্তু তা সেই বৃহত্তর এলাকার মধ্যে পড়ে, যা নিজেদের বলে দাবি করে ভারত। এই ধরনের নির্মাণকার্য ওই বিতর্কিত এলাকায় চিনের সার্বভৌমত্বকে আরও প্রতিষ্ঠিত করে, যা সরাসরি ভারতের অবস্থানকে দুর্বল করে এবং চিনের দীর্ঘমেয়াদি আধিপত্যেরই ইঙ্গিত বহন করে।&rdquo; এর আগেও একটি রিপোর্ট সামনে এসেছিল, যাতে চিন নয়া বিমান কেন্দ্র গড়ে তুলছে বলে জানা যায়। খোলা এবং ঢাকা যায় এমন ছাদও গড়ে তোলা হয়। ক্ষেপণাস্ত্র বহন, উত্তোলন এবং নিক্ষেপকারী Transporter Erector Launcher যান মোতায়েন রাখতেই ওই পরিকাঠামো গড়ে তোলে চিন।</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">চিনের এই পদক্ষেপ ভারতের জন্য যথেষ্টই অস্বস্তির। কারণ শুল্ক নিয়ে আমেরিকার সঙ্গে টানাপোড়েনের মধ্যেই চিন ও ভারতের সম্পর্ক স্বাভাবিক হতে শুরু করেছিল। গত বছর চিন সফরে গিয়ে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক স্থাপনের বার্তাও দেন নরেন্দ্র মোদি। নতুন করে সরাসরি বিমান পরিষেবা শুরু হয় দুই দেশের মধ্যে। পূর্ব লাদাখের বিতর্কিত এলাকাগুলিতে আর সংঘাতের আবহ নেই, দুই দেশই সংযমী আচরণ দেখাচ্ছে বলে জানা যায়। কিন্তু চিন যে আগের আগ্রাসী আচরণ থেকে একচুল করেনি, তা PLA-র নতুন নির্মাণকার্য দেখেই আঁচ করা যায়।</span></p>

from india https://ift.tt/xTbgFpl
via IFTTT

Post a Comment

0 Comments

Viral News : ড্রেনের দুর্গন্ধযুক্ত, নোংরা হাঁটুজলে দাঁড়িয়ে বার্থ ডে কেক কাটলেন বিজেপি কাউন্সিলর, কেন এই সিদ্ধান্ত ? ভাইরাল ভিডিও