India-Iran Relations: ইরানের হাতে বন্দি ১৬ ভারতীয় নাবিক, কোথায় রাখা হয়েছে, নেই উত্তর, মোদির হস্তক্ষেপ চাইছেন পরিবারের লোকজন

<p><span style="font-weight: 400;"><strong>নয়াদিল্লি:</strong> মাঝ সমুদ্রে তাড়া করে ধরপাকড়। তার পর কেটে গিয়েছে বেশ কয়েক সপ্তাহ। এখনও ইরানের হাতে বন্দি ১৬ জন ভারতীয় নাবিক। তাঁদের নাগাল পেতে সক্রিয় হল ভারত। কনস্যুলার অ্যাকসেস চেয়ে আবেদন জানানো হল তেহরানের কাছে। (India Iran Relations)</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">ভারতীয় দূতাবাসের তরফে বিবৃতি জারি করে বলা হয়েছে, খবর পেয়ে গত ১৪ ডিসেম্বরই ইরান সরকারকে চিঠি লেখে সেখানকার ভারতীয় কনস্যুলেট। কূটনৈতিক প্রতিনিধিদের মাধ্যমে, মুখোমুখি বৈঠকেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে দুই পক্ষের মধ্যে। আটক হওয়া নাবিকরা যাতে ভারতে নিজেদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে পারেন, সেই আবেদনও জানানো হয়েছে। (Indian Sailors Detained in Iran)</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">MT Valiant Roar নামের একটি বাণিজ্যতরীতে সওয়ার ছিলেন ওই ১৬ জন ভারতীয় নাবিক। গত ৮ ডিসেম্বর সংযুক্ত আরব আমিরশাহির ডিব্বা বন্দরের কাছাকাছি জায়গা থেকে তাঁদের আটক করা হয়। জানা যায়, জাহাজের ক্যাপ্টেন বিনোদ পারমারকে প্রথম ফোন করেন তাঁর ভাই বিজয় কুমার, যিনি জাহাজে ট্য়াঙ্কারের দায়িত্বে ছিলেন। জানান, ইরানের রেভলিউশনারি বাহিনী জাহাজটিকে তাড়া করছে। সঙ্গে সঙ্গে ফোনটি কেটে যায় এবং পর পর বেশ কয়েক রাউন্ড গুলির শব্দ শোনা যায়। এর পরই খবর আসে, জাহাজটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে এবং আটক করা হয়েছে জাহাজের কর্মীদের।&nbsp;</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">নয় নয় করে দেড় মাস কেটে গেলেও, সেই থেকে ইরানের রেভলিউশনারি গার্ড কর্পসের হাতে বন্দি রয়েছেন সকলে। পরিবাররে কারও সঙ্গে যোগাযোগ নেই। বাইরের দুনিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন একেবারে। এই মুহূর্তে সেখানে যা পরিস্থিতি, তাতে নাবিকদের অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়ছে। ইরানের দাবি, ওই জাহাজের মাধ্যমে বেআইনি ভাবে ৬০০০ মেট্রিক টন জ্বালানি পাচার করা হচ্ছিল।&nbsp;</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">সংযুক্ত আরব আমিরশাহির যে সংস্থার জাহাজ ছিল MT Valiant Roar, সেই সংস্থার সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে ভারতের তরফে। ইরানে ওই সংস্থার যে প্রতিনিধিরা রয়েছেন, তাঁদের খাবার, জল সরবরাহ করতে বলা হয়েছে। কারণ জাহাজে জল, খাবার সব শেষ হওয়ার পথে বলে জানা যায়। এর আগে, জানুয়ারির শুরুতে ভারতের তরফে ইরানের নৌবাহিনীর সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয় সেই মর্মে। দুবাইয়ে ভারতের কনস্যুলেটের তরফেও বন্দি নাবিকদের আইনি সহযোগিতা জোগানোর চেষ্টা চলছে।&nbsp;</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">ওই জাহাজেই সওয়ার ছিলেন পেশায় ইঞ্জিনিয়ার কেতন মেহতা। তাঁর পরিবারের সদস্যদের দাবি, গত ৩১ ডিসেম্বর শেষবার কেতনের সঙ্গে কথা হয়েছিল। কেতনের বাবা মুকেশ মেহতা ভারত সরকারের ভূমিকায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, বিদেশমন্ত্রকের সঙ্গে বারবার যোগাযোগ করা হলেও, সেখান থেকে কিছু খবর মেলে না। তেহরানে ভারতীয় দূতাবাসের তরফেও তেমন সহযোগিতা মেলেনি বলে দাবি তাঁর। তাঁর বক্তব্য, &ldquo;বিদেশমন্ত্রক পাসপোর্টের তথ্য চেয়েছিল, সঙ্গে সঙ্গে দিয়ে দিই আমরা। তার পর থেকে আর কোনও খবর, আশ্বাস নেই।&rdquo;</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">কেতনের পরিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছেও কাতর আর্জি জানান। সরকার সক্রিয় ভূমিকা পালন না করলে, ছেলের জীবন বিপন্ন হতে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তাঁরা। মুকেশ বলেন, &ldquo;আমাদের ছেলে নির্দোষ। নিজের কাজ করছিল শুধুমাত্র। প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রার্থনা, দেরি হয়ে যাওয়ার আগে নিজের কূটনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ছেলেকে বাড়ি ফিরিয়ে দিন উনি।&rdquo; এই মুহূর্তে ওই নাবিকরা কোথায় রয়েছেন, তাও জানা যায়নি স্পষ্ট ভাবে।</span></p>

from india https://ift.tt/Rh6YZHP
via IFTTT

Post a Comment

0 Comments