<p><span style="font-weight: 400;"><strong>নয়াদিল্লি:</strong> অন্তর্বর্তী জামিনের আবেদন বাতিল হয়েছিল আগেই। এবার গ্রেফতার হলেন প্রাক্তন বিচারক গিরিবালা সিংহ। ৩৩ বছর বয়সি মডেল ত্বিষা শর্মার মৃত্যুতে তাঁকে গ্রেফতার করল CBI. গিরিবালা ত্বিষার শাশুড়ি। পণের জন্য তিনিও ত্বিষাকে চাপ দিতেন, মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালাতেন বলে অভিযোগ। (Twisha Sharma Death Case)</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">গত ১২ মে ভোপালে শ্বশুরবাড়ি থেকেই ত্বিষার দেহ উদ্ধার হয়। সেই মামলায় দায়রা আদালত থেকে আগেঅ অন্তর্বর্তী জামিন নিয়ে রেখেছিলেন গিরিবালা। কিন্তু মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট সেই অন্তর্বর্তী জামিন খারিজ করে দেয়। এবার তাঁকে গ্রেফতার করল CBI. আগামী কাল আদালতে পেশ করা হতে পারে তাঁকে। (Twisha Sharma Case)</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা বেজে ৩০ মিনিট নাগাদ গিরিবালার বাড়িতে পৌঁছয় তিন সদস্যের CBI টিম। বাড়ির ডিজিটাল ম্যাপিংও করা হয়। আর সেখান থেকেই গ্রেফতার করা হয় গিরিবালাকে। চলতি সপ্তাহের গোড়াতেই মামলাটির তদন্তভার হাতে নেয় CBI. ভোপালে একটি ক্যাম্পও গড়তে চলেছে তারা। সেই মতো পুলিশ কমিশনারকে অনুরোধ করা হয়েছে। পাশাপাশি, নথিপত্র, প্রমাণসমূহ জমা রাখার জায়গাও চাওয়া হয়েছে CBI-এর তরফে। </span></p>
<p><strong>আরও পড়ুন: <a title="পশ্চিমবঙ্গে ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকার, এই কাজ করলেই দিতে হবে জরিমানা…হুঁশিয়ারি দিলেন অগ্নিমিত্রা" href="https://ift.tt/UesrJnz" target="_self">পশ্চিমবঙ্গে ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকার, এই কাজ করলেই দিতে হবে জরিমানা…হুঁশিয়ারি দিলেন অগ্নিমিত্রা</a></strong></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ত্বিষার আইনজাবী আদালতে জানিয়েছেন, প্রমাণ লোপাটে যুক্ত ছিলেন গিরিবালাও। ত্বিষাকে তিনি না শান্তিতে থাকতে দিচ্ছিলেন, না বেরোতে দিচ্ছিলেন। কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছিলেন ত্বিষা। অন্তর্বর্তী জামিনের পর ১৮ মে সাংবাদিক বৈঠকও করেন গিরিবালা। সেখানে মৃতাকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করেন তিনি। নিজের প্রভাব খাটিয়ে অংশ সোশ্য়াল মিডিয়ায় প্রকাশ করলেও, বাকি ফুটেজ নিজের কাছে রেখে দিয়েছিলেন।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><iframe title="YouTube video player" src="https://www.youtube.com/embed/yvMDJyHHPWg?si=LpHPmjm-9zxWxNLv" width="560" height="315" frameborder="0" allowfullscreen="allowfullscreen"></iframe></span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ত্বিষার শরীরে যে আঘাতের চিহ্ন ছিল, তা নিয়েও শ্বশুর বাড়ির লোকজন সদুত্তর দিতে পারেননি আদালতে জানিয়েছে CBI. ত্বিষার হাতের কবজিতে, কনুইয়ে আঘাতের চিহ্ন ছিল। হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে দেখা গিয়েছে, ত্বিষা অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর, তাঁর চরিত্র নিয়েও সন্দিহান ছিলেন গিরিবালা এবং তাঁর ছেলে সমর্থ সিংহ। অন্য কারও সন্তান ত্বিষার গর্ভে বাড়ছ বলেও অভিযোগ তোলা হয়। ত্বিষাকে গর্ভপাতে বাধ্য করা হয় বলেও উঠে এসেছে তদন্তে। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><strong>আরও পড়ুন: <a title="‘অভিষেকের মেরুদণ্ডটা ভেঙে গিয়েছে’, দল ছাড়ার ইঙ্গিত দিয়েই বিস্ফোরক তৃণমূল নেতা" href="https://ift.tt/yb9grt4" target="_self">‘অভিষেকের মেরুদণ্ডটা ভেঙে গিয়েছে’, দল ছাড়ার ইঙ্গিত দিয়েই বিস্ফোরক তৃণমূল নেতা</a></strong></span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ত্বিষার পরিবারের অভিযোগ, বিয়ের পর বিদায় নেওয়ার সময়ও টাকা চেয়েছিলেন গিরিবালা। পরবর্তীতেও খোঁটা দিতেন ত্বিষাকে। বিয়ের অনুষ্ঠান তাঁদের ‘স্ট্যান্ডার্ডে’র সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না বলেও দাবি করেন। বাপের বাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য চাপ দেওয়া হতে থাকে। ত্বিষার উপর মানসিক, শারীরিক নির্যাতন চালানোর পাশাপাশি, তাঁকে খুনেরও অভিযোগ তোলা হয়েছে। গিরিবালা এবং তাঁর পরিবারের লোকজন যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">গিরিবালার বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার আওতায় ৮০ (২)-পণের দরুণ মৃত্যু, ৮৫-শ্বশুরবাড়ির লোকজন বা স্বামীর দ্বারা নির্যাতনের শিকার, ৩ (৫) একই উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে একাধিক জন মিলে অপরাধ ঘটানোর মতো ধারায় মামলা হয়েছে। পাশাপাশি, ১৯৬১ সালের পণ বিরোধী আইনের অনুচ্ছেদ ৩ এবং ৪-এর আওতায়ও মামলা হয়েছে গিরিবালার বিরুদ্ধে।</span></p>
from india https://ift.tt/4aVutgI
via IFTTT
0 Comments