<p><span style="font-weight: 400;"><strong>নয়াদিল্লি:</strong> বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন শেখ হাসিনা। জানালেন, এবছরই নিজের দেশে ফিরে যাবেন তিনি। বাংলাদেশে গণতন্ত্র, আইনের শাসন ফেরানোর কথা বললেন তিনি। সেই সঙ্গে আওয়ামি লিগের রাজনৈতিক অধিকার আদায় করার কথাও শোনা গেল তাঁর মুখে। (Sheikh Hasina)</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">গত ২৩ জুন আওয়ামি লিগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাদিবস ছিল। সেই উপলক্ষে সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে মুখ খুলেছেন হাসিনা। তাঁর বক্তব্য, “এবছরই ফিরে যাব আমি। আওয়ামি দল শুধু রাজনৈতিক দল নয়, শক্তি। সংখ্যালঘুদের উপর হামলার অর্থ দেশের স্বাধীনতার উপর হামলা।” (Sheikh Hasina Returning to Bangladesh)</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার এবং বর্তমানে বাংলাদেশে ক্ষমতাসীন BNP-র তীব্র সমালোচনা করেছেন হাসিনা। তাঁর মতে, রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, মিথ্যা মামলা, গ্রেফতারি, নিপীড়নের মাধ্যমে গণতন্ত্রের গলা চেপে ধরা হচ্ছে। পরাজয়ের ভয়ে বাংলাদেশে আওয়ামি লিগ-কে নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলেও দাবি করেছেন। আওয়ামি লিগকে পুনরায় দাঁড় করানো নিয়ে আশাবাদী তিনি।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><iframe title="YouTube video player" src="https://www.youtube.com/embed/PKwLsAu-z10?si=CREnlsubbM69ONas" width="560" height="315" frameborder="0" allowfullscreen="allowfullscreen"></iframe></span></p>
<p><strong>আরও পড়ুন: <a title="‘সঙ্ঘে ভাল মানুষের সংখ্যা কমছে’, প্রকাশ্যে RSS-এর সমালোচনা কৈলাস বিজয়বর্গীয়র" href="https://ift.tt/kWDVNnj" target="_self">‘সঙ্ঘে ভাল মানুষের সংখ্যা কমছে’, প্রকাশ্যে RSS-এর সমালোচনা কৈলাস বিজয়বর্গীয়র</a></strong></p>
<p><span style="font-weight: 400;">দলকে বার্তা দিতে গিয়ে হাসিনা বলেন, “আওয়ামি লিগের নেতা, সমাজকর্মীরা কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন। কেউ গৃহহীন, কারও বিরুদ্ধে ভুয়ো মামলা, কেউ আহত, অঙ্গহানি হয়েছে কারও, অনেকে আবার প্রিয়জনকে হারিয়েছেন অনেকে।” এতকিছুর পর তিনি দল মনোবল হারায়নি বলে জানিয়েছেন তিনি। বলেন, “আমার অনুপস্থিতি কিন্তু নীরবতা নয়। আমি দূরে থাকলেও, বাংলাদেশের মানুষের পাশে আছি। আওয়ামি লিগের প্রত্যেক কর্মীর আত্মত্যাগ, সাহসিকতা এবং কষ্ট অনুভব করেছি আমি।”</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বাংলাদেশে ফেরার কথা জানিয়ে আওয়ামি লিগ-কে ঐক্যবদ্ধ থাকতে বলেছেন হাসিনা। গ্রামের মানুষ, ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের কাছে পৌঁছনো, সংখ্যালঘুদের মর্যাদার স্বার্থে, দরিদ্র এবং প্রান্তিক মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর কথা বসেছেন।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">দীর্ঘ সময় ভারতে থাকার পর ১৯৮১ সালে বাংলাদেশ ফিরে গিয়েছিলেন হাসিনা। এখন তাঁর বক্তব্য, “বাংলাদেশে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে সব লড়াইয়ে রাজি আমি। গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে এবং মানুষকে ভোটাধিকার, ভোটদানের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি সঙ্গে নিয়ে ফিরে যাব।”</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">সংরক্ষণ বিরোধী আন্দোলনে যখন অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ, সেই সময় ২০২৪ সালের ২০২৪ সালের অগাস্ট মাসে ভারতে আশ্রয় নেন হাসিনা। সেই থেকে ভারতেই রয়েছেন তিনি। বাংলাদেশ তরফে তাঁকে প্রত্য়র্পণের আর্জি জানানো হলেও, সেই নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত জানায়নি ভারত।</span></p>
from india https://ift.tt/l5Ahafr
via IFTTT
0 Comments