<p><strong>নয়াদিল্লি :</strong> নিজের মন্ত্রকের আওতাতেই রয়েছে প্রকল্প। সেই প্রকল্পের আওতায় শসা খেতের জন্য ৯৯ লক্ষ টাকা ভর্তুকি নিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় কৃষি প্রতিমন্ত্রী ভগীরথ চৌধুরী। সেই টাকা মন্ত্রী ফিরিয়ে দিয়েছেন বলে লোকসভায় জানাল সরকার। সংসদে তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ <a title="অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়" href="https://ift.tt/M4z3WqZ" data-type="interlinkingkeywords">অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়</a> জানতে চেয়েছিলেন যে, গত পাঁচ বছরে কোনও কেন্দ্রীয়মন্ত্রী, সাংসদ বা তাঁদের পরিবারের কোনও সদস্য ন্যাশনাল হর্টিকালচার বোর্ডের ভর্তুকি পেয়েছেন কি না । তার জবাবে দুই বিজেপি সাংসদের নাম জানানো হয় কেন্দ্রের তরফে। তাঁদের মধ্যে একজন আজমেঢ়ের সাংসদ ভগীরথ চৌধুরী, যিনি ২০২৬ সালে সহায়তা পেয়েছিলেন। অন্যজন জলোর-শিরোহির সাংসদ লুম্বারাম চৌধুরী, যিনি ২০২৫ সালে সহায়তা পেয়েছিলেন। </p>
<p>মঙ্গলবার এক লিখিত জবাবে কৃষি প্রতিমন্ত্রী রামনাথ ঠাকুর সংসদে জানান, ন্যাশনাল হর্টিকালচার বোর্ড (এনএইচবি)-এর বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় যোগ্য কৃষক ও উদ্যোক্তাদের বাণিজ্যিক উদ্যানপালন, সংরক্ষিত চাষাবাদ, ফসল-পরবর্তী ব্যবস্থাপনা এবং কোল্ড চেইন পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য ‘ঋণ-সংযুক্ত ব্যাক-এন্ডেড মূলধনী বিনিয়োগ ভর্তুকি’ হিসেবে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।</p>
<p>তবে অর্থ ফেরত দেওয়ার বিষয়ে তিনি জানাননি যে, টাকাটা ঠিক কবে ফেরত দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “ভাগীরথ চৌধুরী জানিয়েছেন যে, তিনি এই প্রকল্পের আওতায় পাওয়া ভর্তুকির অর্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কে ফেরত দিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্ককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন তারা ভর্তুকির সেই অর্থ এনএইচবি (NHB)-কে ফেরত দেয়”। ভগীরথ চৌধুরী কর্তৃক ভর্তুকি গ্রহণ নিয়ে একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে গত মাসে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতেই এই তথ্য সামনে এসেছে।</p>
<p><strong>স্বার্থের সংঘাত...</strong></p>
<p>এদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আরও জানতে চেয়েছিলেন যে, সরকারি পদাধিকারী বা তাঁদের আত্মীয়দের আবেদনের ক্ষেত্রে এই প্রকল্পে স্বার্থের সংঘাত (conflict-of-interest) বা প্রক্রিয়া থেকে সরে দাঁড়ানোর (recusal) কোনও বিধান রয়েছে কি না। এর জবাবে ঠাকুর বলেন, “এনএইচবি (NHB)-র বর্তমান প্রকল্পের নির্দেশিকায় সরকারি পদাধিকারী বা তাঁদের পরিবারের সদস্যদের জমা দেওয়া আবেদনের ক্ষেত্রে স্বার্থের সংঘাত বা প্রক্রিয়া থেকে সরে দাঁড়ানোর বিষয়ে কোনও সুনির্দিষ্ট বিধান নেই।”</p>
<p>এই ভর্তুকি ‘মিশন ফর ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট অফ হর্টিকালচার’-এর আওতাভুক্ত ছিল। ২০১৪-১৫ সালে চালু হওয়া এই প্রকল্পের অধীনে নির্দিষ্ট কিছু শাকসবজি ও ফুলের বাণিজ্যিক চাষের জন্য পরিবারপ্রতি সর্বোচ্চ ১ কোটি টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি দেওয়া হয়। ১৬,৫৯২ বর্গমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত ভগীরথ চৌধুরী-র প্রকল্পটি ছিল সেই ৪৬৭টি প্রস্তাবের মধ্যে একটি, যা ২০২৫ সালে এনএইচবি (NHB) কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছিল।</p>
from india https://ift.tt/Ms5QCvE
via IFTTT
0 Comments