<p><strong>নয়াদিল্লি :</strong> সিন্ধু জলচুক্তি সংক্রান্ত বিষয়ে বিশ্ব ব্যাঙ্কের গঠন করা ‘আর্বিট্রেশন কোর্ট’-এর রায় খারিজ করে দিল ভারত। ভারত এই সংস্থাটিকেই “অবৈধভাবে গঠিত” বলে অভিহিত করেছে এবং স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, জলবণ্টন চুক্তি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত “অব্যাহত থাকবে।” </p>
<p>আর্বিট্রেশন প্যানেল মন্তব্য করে যে, সিন্ধু জল-চুক্তি এখনও কার্যকর রয়েছে এবং জম্মু ও কাশ্মীরে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ সীমিত রাখার জন্য ভারতকে 'নির্দেশ' দেওয়া হয়। তাদের এই রায় সামনে আসার পর এনিয়ে জোরালো প্রতিক্রিয়া দিয়েছে ভারতের বিদেশমন্ত্রক। সংশ্লিষ্ট প্যানেল চুক্তি পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর রাখার এবং ভারতের ওপর অর্পিত বাধ্যবাধকতাগুলি মেনে চলার আহ্বান জানায়। যদিও ভারত ওই রায় এবং তা প্রদানকারী সংস্থার এক্তিয়ার নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিয়েছে এবং উভয়ই প্রত্যাখ্যান করেছে।</p>
<p>কেন্দ্রের তরফে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, "আজ, বেআইনিভাবে গঠিত তথাকথিত ‘কোর্ট অফ আরবিট্রেশন’ (CoA) সিন্ধু জল চুক্তির আওতায় অন্তর্বর্তীকালীন পদক্ষেপ ও চুক্তির মর্যাদা সংক্রান্ত বিষয়ে একটি রায় বা ‘অ্যাওয়ার্ড’ ঘোষণা করেছে। বিশ্বব্যাঙ্ক চুক্তিপত্রের শর্তাবলী স্পষ্টভাবে লঙ্ঘন করে তথাকথিত এই আদালতটি গঠন করেছিল, আর ভারত এই বেআইনিভাবে গঠিত সংস্থার পূর্ববর্তী সমস্ত সিদ্ধান্তের মতোই এর তথাকথিত রায়কেও দ্ব্যর্থহীনভাবে প্রত্যাখ্যান করছে।" ভারতের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে যে, ভারত কখনোই ‘কোর্ট অফ আর্বিট্রেশন’-এর আইনি অস্তিত্বকে স্বীকৃতি দেয়নি এবং ধারাবাহিকভাবে এর কার্যক্রম ও পূর্ববর্তী রায়গুলিকে প্রত্যাখ্যান করে এসেছে।</p>
<p>গত বছর ২২ এপ্রিল ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে হামলা চালায় পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা। নিরীহ মানুষকে নৃশংস ভাবে হত্যা করে তারা। তার পর থেকে দুই দেশের মধ্যে সংঘাত ক্রমশ বাড়তে থাকে। পাকিস্তানের সঙ্গে সিন্ধু জলচুক্তি প্রথমেই স্থগিত রাখে দিল্লি। এর পর পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরে পর পর বেশ কয়েকটি জঙ্গিঘাঁটিও গুঁড়িয়ে দেয় ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী। পাল্টা আঘাত হানতে ভারতের আকাশে প্রবেশ করে পাক ড্রোন, যার কড়া জবাব দেয় ভারত।</p>
from india https://ift.tt/2y3TtQq
via IFTTT
0 Comments