<p><span style="font-weight: 400;"><strong>নয়াদিল্লি:</strong> সাংসদ বা বিধায়ক থাকাকালীন দলবদলে কড়া পদক্ষেপের দাবি তুললেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা রাজ্যসভার সাংসদ কপিল সিব্বল। তাঁর দাবি, মেয়াদ পূর্ণ হওর আগে সাংসদ, বিধায়করা দলবদল করলে ডিসকোয়ালিফাই করা উচিত তাঁদের, যাতে আগামী পাঁচ-১০ বছর নির্বাচনে প্রার্থী হতে না পারেন, নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতে না পারে তাঁরা। (Kapil Sibal on Political Defection)</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">রবিবার কেরলে অল ইন্ডিয়া লইয়ার্স ইউনিয়নের রাজ্য কমিটির অনুষ্ঠানে এই দাবি তোলেন সিব্বল। বক্তৃতার শুরুতেই নিজেকে ‘দিমাগী নকশাল’ বলে উল্লেখ করেন, যা শব্দবন্ধ ব্যবহার করতে শোনা গিয়েছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। আর সেখানেই দলত্যাগে কঠোর বিধি আরোপের পক্ষে সওয়াল করেন সিব্বল। (Political Defection)</span></p>
<p><strong>আরও পড়ুন: <a title="যাত্রীসমেত জাহাজ ডুবে গেল সাগরে, এখনও নিখোঁজ ১৩০ জন" href="https://ift.tt/kB90Rhc" target="_self">যাত্রীসমেত জাহাজ ডুবে গেল সাগরে, এখনও নিখোঁজ ১৩০ জন</a></strong></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ভারতের সংবিধানের দশম তহবিলে দলত্যাগ বিরোধী বিধি রয়েছে, যাতে বলা হয়েছে, কোনও সাংসদের গোটা দল যদি অন্য রাজনৈতিক দলে মিশে যায় এবং তাতে যদি দুই-তৃতীয়াংশের সমর্থন থাকে, সেক্ষেত্রে ওই সাংসদকে দলবিরোধী আইনে ডিসকোয়ালিফাই করা যাবে না। রাজনীতিতে ভারসাম্য় বজায় রাখতেই ওই আইন চালু হয়েছিল। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">কিন্তু বর্তমানে ওই বিধিকে কাজে লাগিয়েই দলে দলে বিধায়ক-সাংসদ ভাঙানোর ঘটনা ঘটছে বলে মত সিব্বলের। তাঁর কথায়, “যাঁরা ক্ষমতায় আছেন, নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে তাঁরা ফাঁক-ফোকর খুঁজবেনই। দুই-তৃতীয়াংশের সমর্থন ধরলে একটা গোটা <a title="নির্বাচনের ফলাফল" href="https://ift.tt/zFNl7AZ" data-type="interlinkingkeywords">নির্বাচনের ফলাফল</a>ই বদলে যেতে পারে। ভোট পরবর্তী পরিস্থিতিতে মানুষের ইচ্ছের আর কোনও মূল্য থাকবে না।”</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><strong>আরও পড়ুন: <a title="২২ বছর আগে জমিয়ে রাখা ভ্রূণ থেকে জন্ম নিল ফুটফুটে শিশু, IVF-এর দুনিয়ায় নতুন মাইলফলক" href="https://ift.tt/fqNPOLB" target="_self">২২ বছর আগে জমিয়ে রাখা ভ্রূণ থেকে জন্ম নিল ফুটফুটে শিশু, IVF-এর দুনিয়ায় নতুন মাইলফলক</a></strong></span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বিভিন্ন দলের মিশে যাওয়ার অর্থ যাতে কয়েক জন নির্বাচিত প্রতিনিধির যোগদান না হয়, দু’টি দলের সম্পূর্ণ ভাবে মিশে যাওয়াই যাতে এক্ষেত্রে বিবেচিত হয়, তার পক্ষে সওয়াল করেছেন সিব্বল। তাঁর বক্তব্য, “টাকার লোভ হোক বা দফতরের প্রলোভন, কোনও বিশেষ চুক্তি হোক বা তদন্ত হটিয়ে দেওয়ার টোপ-এই সব কিছুকে দুর্নীতির গোত্রে ফেলতে হবে। সাধারণ ঘোড়া কেনাবেচা বলা উচিত নয় এগুলিকে।”</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">গত কয়েক বছরে দেশের রাজনীতিতে দলবদলের নিত্য নতুন নজির তৈরি হয়েছে। কখনও দলবদল করে নির্বাচিত সরকার ফেলে দিয়েছেন জনপ্রতিনিধিরা, কখনও আবার তিল তিল করে গড়ে ওঠা দলই খান খান হয়ে গিয়েছে। এতে গণতন্ত্রের গোড়ায় আঘাত লাগে, জনমতকে অস্বীকার করা হয় বলে মত সিব্বলের। তিনি বলেন, “কার্যকালের মাঝখানে জনপ্রতিনিধি দলবদল করলে দায়বদ্ধতার গুরুত্ব থাকে না, না মানুষের ইচ্ছের মর্যাদা থাকে, না দলের। তদন্তকারী সংস্থা, <a title="রাজ্যপাল" href="https://ift.tt/LqmtSB6" data-type="interlinkingkeywords">রাজ্যপাল</a>, স্পিকার, আদালতের উপর আস্থা হারাচ্ছেন মানুষ। আঞ্চলিক দলগুলির ক্ষেত্রে বিরোধী পক্ষের কণ্ঠস্বর, ভিন্নমত গুরুত্ব হারাচ্ছে দিন দিন।”</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><iframe title="YouTube video player" src="https://www.youtube.com/embed/PKwLsAu-z10?si=CREnlsubbM69ONas" width="560" height="315" frameborder="0" allowfullscreen="allowfullscreen"></iframe></span></p>
from india https://ift.tt/TGzmkDQ
via IFTTT
0 Comments