<p><strong>নয়াদিল্লি:</strong> সাংসারিক অশান্তির জেরে আত্মঘাতী হলেন যুবক। স্বামী নেই শুনে নিজেকে শেষ করে দিলেন স্ত্রীও। এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সাংসারিক ঝামেলার দরুণই ওই যুবক নিজেকে শেষ করে দেন বলে জানা গিয়েছে। সেই খবর কানে যেতে মৃত্যুকে বেছে নেন স্ত্রীও। তাঁদের এক বছরের এক কন্যা রয়েছে। (Marital Issues)</p> <p>উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে আত্মঘাতী হন ৩২ বছর বয়সি বিজয়প্রতাপ সিংহ। তাঁর স্ত্রী, ২৮ বছর বয়সি শিবানী আত্মঘাতী হন দিল্লির লোনি বর্ডার এলাকায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সাংসারিক অশান্তি লেগেই থাকত। সেই থেকেই এমন পদক্ষেপ। শিশুকন্যাকে রেখে আত্মঘাতী হয়েছেন স্বামী-স্ত্রী। (Delhi News)</p> <p>বিজয় এবং শিবানী গাজিয়াবাদের জওহরনগরের জি ব্লকে থাকতেন। শুক্রবার দু'জনের মধ্যে অশান্তি চরমে ওঠে। শেষে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান শিবানী। উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে চলে যান তিনি। সন্ধেয় শিবানীকে ফোনও করেন বিজয়। ফোনেও ঝগড়া হয় তাঁদের মধ্যে। ফোন রাখার আগে বিজয় জানান, আর কখনও তাঁর মুখ দেখতে হবে না শিবানীকে। </p> <p>এর কিছু ক্ষণ পর বিজয়ের পিসি মীরা তাঁর বাড়িতে পৌঁছন। সেখানে বিজয়কে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলতে দেখেন তিনি। ততক্ষণে শরীর নিথর হয়ে গিয়েছে বিজয়ের। সঙ্গে সঙ্গে শিবানীকে ফোন করেন মীরা। জানান, বিজয় আত্মঘাতী হয়েছেন। আর তাতেই রাস্তার ধারে বিদ্যুতের খুঁটিতে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলে পড়েন শিবানী। বাড়ি থেকে মাত্র আট কিলোমিটার দূরে ঝুলছিল তাঁর দেহ।</p> <p>বিজয় এবং শিবানীর দেহ উদ্ধার করেছে গাজিয়াবাদ থানার পুলিশ। দু'টি ঘটনাতেই পৃথক তদন্ত শুরু হয়েছে। দেহ দু'টি পাঠানো হয়েছে ময়নাতদন্তের জন্য। দু'জনের কেউই কোনও সুইসাইড নোট লিখে যাননি। তবে মৃত্যুস্থল খতিয়ে দেখেছে ফরেন্সিক টিম। দু'জনের শরীরেই আঘাতের কোনও চিহ্ন ছিল না বলে জানিয়েছে পুলিশ। তাঁরা আত্মঘাতী হয়েছেন বলে প্রাথমিক তদন্তের পর জানিয়েছে পুলিশ।</p> <p>অন্য দিকে, মধ্যপ্রদেশ থেকে ভয়ঙ্কর ঘটনা সামনে এসেছে। বিবাহিত হয়েও এক তরুণীর সঙ্গে সহবাস করছিল এক যুবক। বিয়ের কথা উঠতেই সঙ্গিনীকে সে খুন বলে বলে অভিযোগ। আট মাস পর ভাড়াবাড়িতে ফ্রিজের মধ্যে থেকে উদ্ধার হয়েছে তরুণীর দেহ। ধৃতকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, বিদ্য়ুৎ সংযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর দুর্গন্ধ ছড়ায় এলাকায়। তাতেই টনক নড়ে সকলের। পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে।</p>
from india https://ift.tt/b1d0YNj
via IFTTT
0 Comments