<p><span style="font-weight: 400;"><strong>নয়াদিল্লি:</strong> শিশুদের পাঠ্যবইয়ে থাকা ইংরেজি ছড়া নিয়ে ফের আপত্তি তুললেন উত্তরপ্রদেশের উচ্চশিক্ষামন্ত্রী যোগেন্দ্র উপাধ্যায়। ‘জনি, জনি! ইয়েস পাপা? ইটিং সুগার? নো পাপা’ ছড়া নিয়ে আগেই আপত্তি তুলেছিলেন। এবার ‘রেইন, রেইন, গো অ্যাওয়ে’ ছড়াটিকে ভারতীয় সংস্কৃতি, মূল্যবোধের পরিপন্থী বলে উল্লেখ করলেন তিনি। পাঠ্যবই থেকে এই সব ছড়া বাদ দেওয়ার দাবি তুললেন। (Nursery Rhyme Johnny Johnny)</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">শনিবার লখনউয়ের একটি অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করলেন যোগেন্দ্র। ‘রেইন, রেইন, গো অ্যাওয়ে’ নিয়ে আপত্তির কথা জানাতে গিয়ে বলেন, “এটা আবার কী? লিটল জনি ওয়ান্টস টু প্লে…অর্থাৎ বৃষ্টিকে চলে যেতে বলছে ও। এসব আমাদের সংস্কৃতির বিরুদ্ধে। আমাদের ঐতিহ্য বলছে, বৃষ্টি নামা উচিত, যাতে সকলে উপকৃত হয়। কিন্তু ছোট্ট জনি খেলতে চায়। তাই বৃষ্টিকে চলে যেতে বলছে। তাই পাঠ্যবই থেকে সরিয়ে দেওয়া উচিত ছড়াটি।” (Yogendra Upadhyaya)</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><iframe title="YouTube video player" src="https://www.youtube.com/embed/HR8s_n1Jqtk?si=pwGU6cF9iGcgOudB" width="560" height="315" frameborder="0" allowfullscreen="allowfullscreen"></iframe></span></p>
<p><strong>আরও পড়ুন: <a title="রানওয়েতে আচমকা ধাক্কা, বিমানের ইঞ্জিন টেনে নিল এক ব্যক্তিকে, কুড়িয়ে জড়ো করতে হল দেহাংশ" href="https://ift.tt/2ZvKV6J" target="_self">রানওয়েতে আচমকা ধাক্কা, বিমানের ইঞ্জিন টেনে নিল এক ব্যক্তিকে, কুড়িয়ে জড়ো করতে হল দেহাংশ</a></strong></p>
<p><span style="font-weight: 400;">এর আগে ‘জনি, জনি! ইয়েস পাপা’ ছড়া নিয়েও আপত্তি তুলেছিলেন যোগেন্দ্র। সেটিকেও ভারতীয় মূল্যবোধের পরিপন্থী বলে উল্লেখ করেন তিনি। জানান, ওই ছড়াটি শিশুদের মা-বাবার কাছে মিথ্যে বলতে শেখায়। গত ৬ মে কানপুরে আয়োজিত প্যারা টিচার এবং কন্ট্র্যাকচুয়াল শিক্ষাকর্মীদের উদ্দেশে বক্তৃতা করছিলেন তিনি। ভারতের প্রাচীন ‘গুরু-শিষ্য পরম্পরা’র কথা তুলে ধরে, শিক্ষকদের পাঠ্যবই নির্ভর শিক্ষা থেকে সরে এসে দৈনন্দিন জীবন থেকে শিক্ষাদানের কথা বলেন।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">সেবার পশ্চিমি বিশ্ব এবং প্রাচ্যের মধ্যেকার ফারাকও তুলে ধরেছিলেন যোগেন্দ্র। তাঁর মতে, ‘জনি, জনি ইয়েস পাপা’ বর্তমান প্রজন্মের মধ্যে কোনও নীতিশিক্ষা সঞ্চার করতে পারে না। যোগেন্দ্রর কথায়, “ইটিং সুগার? নো পাপা। এতে মা-বাবার কাছে শিশুদের মিথ্যে বলতে উৎসাহিত করা হয়।” পরিবর্তে হিন্দি কবিতা পড়ানোর সুপারিশ করেন যোগেন্দ্র। হিন্দি কবিতায় সংস্কৃতি এবং মূল্যবোধের গভীর অর্থ নিহিত রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><strong>আরও পড়ুন: <a title="‘মা কালী বাঁচিয়ে নিয়েছেন…তৃণমূলের কেউ ফোন ধরেনি, বিজেপি নেতারা ফোন করেছে’, বিস্ফোরক ঋজু দত্ত" href="https://ift.tt/tTUeKNh" target="_self">‘মা কালী বাঁচিয়ে নিয়েছেন…তৃণমূলের কেউ ফোন ধরেনি, বিজেপি নেতারা ফোন করেছে’, বিস্ফোরক ঋজু দত্ত</a></strong></span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">সেই যোগেন্দ্রই এবার ‘রেইন, রেইন, গো অ্যাওয়ে’ ছড়াটি নিয়ে আপত্তি তুললেন। তাঁর মতে, ভারতের মতো দেশে বর্ষাকে আশীর্বাদ হিসেবে ধরা হয়। সেখানে বৃষ্টিকে চলে যেতে বলা অশুভ ইঙ্গিত। যদিও পর একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে সাফাই দেন যোগেন্দ্র। তাঁর দাবি, তিনি ছড়াটির বিরোধিতা করেননি। নিহিত অর্থের বিরোধিতা করেছেন। ইংরেজি মিডিয়াম স্কুলে ছেলেমেয়েকে পড়ানোর সমালোচনাও করেননি।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">এ নিয়ে তাঁকে কটাক্ষ করেছে উত্তরপ্রদেশ কংগ্রেস। তাদের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডলে লেখা হয়, ‘উত্তরপ্রদেশের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী যোগেন্দ্র উপাধ্যায়ের বিশ্বাস, ‘জনি, জনি! ইয়েস পাপা?’র মতো ছড়া শিশুদের মিথ্যে বলতে শেখায়; আসলে প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো ঘটনা শিশুদের মধ্যে অবিশ্বাস তৈরি করে। শিক্ষামন্ত্রীর কাজ ছড়া বদলে দেওয়া নয়, বিশ্ববিদ্যালগুলিতে অপরাধ, দুর্নীতি রোখা’।</span></p>
from india https://ift.tt/s0daKzF
via IFTTT
0 Comments