Bihar News: হেফাজতে নিয়ে অভিযুক্তের গোপনাঙ্গে পেট্রল ঢেলে দেওয়ার অভিযোগ ! সাসপেন্ড ৩ পুলিশ অফিসার

<p>Bihar News:&nbsp;পুলিশ হেফাজতে থাকা এক অভিযুক্তের উপর চরম অত্যাচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আর এই ঘটনায় তিনজন পুলিশ আধিকারিক সাসপেন্ডও হয়েছেন। এই ঘটনা বিহারের। অভিযোগ উঠেছে, পুলিশ হেফাজতে থাকা এক অভিযুক্তর গোপনাঙ্গে পেট্রল ঢেলে দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, অত্যাচারিত ব্যক্তি একটি গয়নার দোকানের কর্মী। হেফাজতে নিয়ে তাঁকে বেধড়ক মারধর করেছে পুলিশ এবং তারপর তাঁর গোপনাঙ্গে পেট্রল ঢেলে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। এর পাশাপাশি আরও অভিযোগ, একটি চুরির ঘটনায় জোর করে ওই ব্যক্তির স্বীকারোক্তি আদায়ের চেষ্টা করছিল পুলিশ। সেই সময়েই এই নারকীয় অত্যাচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।&nbsp;</p> <p>গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে, সমস্তিপুরের এক গয়নার দোকান থেকে ৬০ গ্রাম সোনা চুরির অভিযোগে এই ব্যক্তি এবং তাঁর ২ সহকর্মীকে আটক করে পুলিশ। পরে অবশ্য এই ঘটনায় আক্রান্ত ব্যক্তি যুক্ত রয়েছে এমন কোনও প্রমাণ পাওয়া না যাওয়ায় তাঁকে ছেড়ে দেয় পুলিশ। চারদিন পুলিশ হেফাজতে থাকার পর বাড়ি ফিরে আসে আক্রান্ত ব্যক্তি। তারপর থেকেই ক্রমশ শরীর খারাপ হতে শুরু করে আক্রান্তের। বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা যথেষ্টই সংকটজনক বলে জানা গিয়েছে।&nbsp;</p> <p>যে গয়নার দোকানে চুরি হয়েছে তাঁর মালিকও ওই ব্যক্তিকে মারধর করেছিলেন বলে অভিযোগ। অন্যান্য কর্মীদেরও তিনি মারধর করেন বলে অভিযোগ। সেই সঙ্গে হুমকি এবং শাসানিও দেওয়া হয় তাঁদের। অভিযোগ, ভয় দেখিয়ে বলা হয় ছাদ থেকে ফেলে দেওয়া হবে তাঁদের। গত ৩১ ডিসেম্বর দোকানের কর্মীদের হেফাজতে নিয়েছিল পুলিশ। জানা গিয়েছে, পুলিশ তাঁদের হেফাজতে নেওয়ার আগে কর্মীদের ভয় দেখিয়ে ছাদ থেকে ফেলে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। আক্রান্ত ব্যক্তির অভিযোগ, চারদিন পুলিশ হেফাজতে থাকার সময় তাঁকে নানা ভাবে হেনস্থা করা হয়েছে। তাঁর গোপনাঙ্গে পেট্রল ঢেলে দেওয়া হয়েছিল। শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকলে ৫ জানুয়ারি ব্যক্তিগত জামিনে ছাড়া হয় তাঁকে। আক্রান্ত ব্যক্তির আরও অভিযোগ, তাঁকে ছাড়ার জন্য পুলিশ ঘুষের দাবিও করেছিল।&nbsp;</p> <p>আক্রান্তের মা দাবি করেছেন, তাঁর ছেলেকে ফাঁসানো হয়েছিল। এমনকি তাঁকে এবং তাঁর স্বামীকেও তাজপুর থানায় আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তিনদিন আটকে রাখা হয়েছিল তাঁদের। আক্রান্ত ব্যক্তিকে ছাড়ার জন্য তাঁর পরিবারের কাছে পুলিশ ৫০ হাজার টাকা চেয়েছিল বলেও অভিযোগ উঠেছে। এই কয়েকদিনে আক্রান্ত ব্যক্তির বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়েছে। কিন্তু কোনও গয়না পাওয়া যায়নি। অথচ তার পরেও পুলিশ ওই ব্যক্তিকে মারধর করে তাঁর ঠেকে জোর করে স্বীকারোক্তি আদায়ের চেষ্টা করেছিল বলে অভিযোগ।&nbsp;</p> <p>একগুচ্ছ অভিযোগের ভিত্তিতে এসপি অরবিন্দ প্রতাপ সিং তিন পুলিশ অফিসারকে সাসপেন্ড করেছেন। সেই দলে রয়েছেন স্টেশন ইন-চার্জও। শঙ্কর শরন দাস, রাজবংশ কুমার, রাহুল কুমার - এই তিন পুলিশ অফিসারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।&nbsp;</p>

from india https://ift.tt/tQVSre6
via IFTTT

Post a Comment

0 Comments