<p><span style="font-weight: 400;"><strong>নয়াদিল্লি:</strong> কলকাতায় আইপ্যাকের দফতর ও সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনর বাড়িতে ইডি-র হানা নিয়ে তোলপাড় রাজনীতি। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী <a title="মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়" href="https://ift.tt/Yu5wB7M" data-type="interlinkingkeywords">মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়</a> যেভাবে সেখানে উপস্থিত হন, ফাইল নিয়ে বেরিয়ে আসেন, তা এখন মুখে মুখে ফিরছে। কয়েক বছর আগেই নিজেকে আইপ্যাক থেকে সরিয়ে নেন প্রশান্ত কিশোর। কিন্তু গোটা বিতর্কে তাঁর নামও উঠে আসছে বার বার। আর সেই আবহেই খবরের শিরোনামে উঠে এলেন তিনি। তবে আইপ্যাকে ইডি-র হানার দরুণ নয়, বরং প্রশান্তর দল ‘জন সুরাজ পার্টি’র শাখা সংস্থায় কর্মী ছাঁটাইয়ের দরুণ। (Prashant Kishor)</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">শিক্ষা, রোজগারের প্রশ্ন সামনে রেখে বিহারে বিধানসভা নির্বাচনে পা রাখেন প্রশান্ত ও তাঁর দল ‘জন সুরাজ পার্টি’। প্রচারপর্বে বেশ আশা জাগালেও, বিহারের রাজনীতিতে ডেবিউ করা তো দূর, অধিকাংশ জায়গায় ‘জন সুরাজ পার্টি’র জামানতই বাজেয়াপ্ত হয়। সেই থেকে জনসমক্ষে আর সেভাবে দেখা যায়নি প্রশান্তকে। তবে আইপ্যাকে ইডি-র হানা নিয়ে চর্চার মধ্যেই এবার তাঁর দলের সংস্থা থেকে সংখ্যক কর্মী ছাঁটাইয়ের খবর এল। (Prashant Kishor)</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">‘জন সুরাজ পার্টি’র যে পেশাদার শাখা রয়েছে, তারাই কর্মী ছাঁটাই করেছে। একজন, দু’জন নয়, ১০০০-এর বেশি সংখ্যক কর্মী ছাঁটাই করেছে তারা। </span><span style="font-weight: 400;">কোনও রাজনৈতিক দলের প্রফেশনাল বা পেশাদার সংস্থা বলতে একটি বিশেষ সংস্থাকে বোঝায়, যার মাধ্যমে চিকিৎসক, আইনজীবী প্রযুক্তিবিদ, ব্যবসায়ীরা রাজনীতি অংশ নেন, বিভিন্ন নীতি নিয়ে নিদেগের মতামত তুলে ধরেন, প্রতিভাশালী মুখ তুলে আনেন, কর্মীদের শিক্ষাদান করেন, সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ ও রাজনীতির মধ্যে যে দূরত্ব, তা ঘোচাতে পদক্ষেপ করেন। প্রত্যেক রাজনৈতিক দলেরই এমন পেশাদার শাখা সংস্থা রয়েছে। তেমনই ‘জন সুরাজ পার্টি’র পেশাদার শাখা সংস্থার নাম ‘জন সুরাজ প্রফেশনাল টিম কনসালটেন্সি প্রাইভেট লিমিটেড’ (JSPT). বিহারে বিধানসভা নির্বাচনের ছ’মাস আগে সেটি তৈরি করা হয়। নির্বাচন শেষ হওয়ার পর, নভেম্বর এবং ডিসেম্বরের মধ্যে প্রায় ১৩০০ কর্মীকে সেই সংস্থা থেকে ছাঁটাই করা হয়েছে বলে খবর।</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">সদ্য সমাপ্ত বিহার <a title="বিধানসভা নির্বাচন" href="https://ift.tt/EnWMIhZ" data-type="interlinkingkeywords">বিধানসভা নির্বাচন</a>ে ‘জন সুরাজ পার্টি’র ৯৯ শতাংশ প্রার্থী শুধু পরাজিতই হননি, তাঁদের জামানতও বাজেয়াপ্ত হয়। ২৪৩টির মধ্যে ২৩৮টি আসনে লড়লেও, একটিতেও জয়ী হয়নি ‘জন সুরাজ পার্টি’। তাদের প্রাপ্ত ভোটের হার ছিল ৩.৩৪ শতাংশ। সব মিলিয়ে ১৬ লক্ষ ৭৭ হাজার ভোট পায় ‘জন সুরাজ পার্টি’। NOTA-র চেয়েও কম ভোট পায় ৬১টি আসনে। বিহার নির্বাচনের আগে সেখানে জন সংযোগ গড়ে তুলতে, নীতি নির্ধারণ করতে, তৃণমূলস্তরে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে এবং নির্বাচন সংক্রান্ত ব্যবস্থাপনার জন্য প্রশান্ত নিজেই JSPT-র পত্তন করেন। </span></p> <p><span style="font-weight: 400;">কর্মী ছাঁটাই করা নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও মন্তব্য করেননি প্রশান্ত। তবে ‘জন সুরাজ পার্টি’র মিডিয়া ইন-চার্জ ওবায়দুর রহমান বলেন, “২৪৩টি কেন্দ্রে কাজ করার জন্য অনেককেই নিয়োগ করেছিল আমাদের পেশাদার সংস্থা। শুধুমাত্র নির্বাচনের জন্যই নিয়োগ করা হয়েছিল তাঁদের। নির্বাচন মিটে যাওয়ার পর ওঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।” ‘জন সুরাজ পার্টি’র এক নেতা জানান, এই ছাঁটাইয়ের সঙ্গে দলের কোনও যোগ নেই। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ছাঁটাই হওয়া অনেকেই ডিসেম্বর মাসের বেতন পাননি। শুধুমাত্র পাঁচ মাসের জন্য নিয়োগ বলে জানানো হয়নি বলেও দাবি করেছেন কেউ কেউ। </span></p>
from india https://ift.tt/0MyIgBj
via IFTTT
0 Comments