The Voice of Hind Rajab Ban: গাজ়ায় গুলিতে ঝাঁঝরা একরত্তি, অস্কার মনোনীত ‘দ্য ভয়েস অফ হিন্দ রজাব’ ছবির মুক্তি আটকে গেল ভারতে, ইজ়রায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্টের আশঙ্কায়

<p><span style="font-weight: 400;"><strong>নয়াদিল্লি:</strong> অস্কার মনোনীত ছবি &lsquo;দ্য ভয়েস অফ হিন্দ রজাব&rsquo; ভারতে মুক্তি পাচ্ছে না। চলতি মাসে ভারতের সিনেমাঘরে মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল ছবিটির। কিন্তু রাজনৈতিক কারণ দেখিয়ে ছবিটির মুক্তি আটকে দিয়েছে সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশন। ইজ়রায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট হতে পারে আশঙ্কা করেই ছবিটির মুক্তি আটকে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। (The Voice of Hind Rajab)</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">ভারতে ছবিটির ডিস্ট্রিবিউটর মনোজ নন্দওয়ানা এ নিয়ে মুখ খুলেছেন Variety-তে।&nbsp; মনোজ &lsquo;Jai Viratra Entertainment&rsquo;-এর প্রধান। ভারতে ছবিটির ডিস্ট্রিবিউটর তিনি। মনোজ বলেন, &ldquo;দ্য ভয়েস অফ হিন্দ রজাব-পাঁচ বছর বয়সি প্যালেস্তিনীয় কন্যার কাহিনি, গাড়ায় গাড়ির মধ্যে বন্দি থাকা অবস্থায় যার উপর হামলা চালায় ইজ়রায়েলি বাহিনী, পরে যার দেহ উদ্ধার হয়। ছবিটি স্পর্শকাতর বলে সেটিকে সেন্সর করছে CBFC&rdquo;. (The Voice of Hind Rajab Ban)</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">মনোজ জানিয়েছেন, ফেব্রুয়ারি মাসেই ছবিটি CBFC-কে দেখানো হয়। ৬ মার্চ মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। ১৬ মার্চ অস্কারের আগে ছবিটি মুক্তি পেলে ভাল হয় বলে মনে হয়েছিল আমাদের। কিন্তু ছবির মুক্তিতে অনুমোদন মেলেনি। বরং CBFC-এর এক সদস্য তাঁদের জানান, ছবিটি সিনেমাঘরে মুক্তি পেলে ভারত এবং ইজ়রায়েলের সম্পর্কে চিড় ধরবে।</span></p> <p><span style="font-weight: 400;"><iframe title="YouTube video player" src="https://www.youtube.com/embed/hveJHCx-dFY?si=gyNEEYpdUDuOMpI1" width="560" height="315" frameborder="0" allowfullscreen="allowfullscreen"></iframe></span></p> <p><span style="font-weight: 400;">টিউনিশিয়ার চিত্রনির্মাতা কুতের বেন হানিয়া ডকুড্রামাটি পরিচালনা করেছেন। ছবিতে প্যালেস্তাইন-নিবাসী পাঁচ বছর বয়সি মেয়ে, হিন্দ রজাবের কাহিনি তুলে ধরা হয়েছে। ২০২৪ সালের ২৯ জানুয়ারি গাজ়ায় গোলাগুলির মধ্যে ফেঁসে যায় তাদের গাড়ি।কাকু, কাকিমা এবং তুতো ভাই-বোনদের সঙ্গে তেল আল-হাওয়া থেকে পালানোর চেষ্টা করছিল হিন্দ। সেই সময় তাদের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলিবৃষ্টি করে ইজ়রায়েলি বাহিনী। মানবাধিকার সংগঠন Red Crescent-এর দুই প্যারামেডিক হিন্দকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। কিন্তু সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়।&nbsp;</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">গুলিবৃষ্টির মধ্যেও বেশকয়েক ঘণ্টা জীবিত ছিল ছোট্ট হিন্দ। প্রথমে তার তুতো গিগি লায়ান হামাদে Red Crescent-এর সঙ্গে যোগাযোগ করে। লায়ান মারা গেলে, ফোনে কথা বলতে শুরু করে হিন্দ। তাকে বলতে শোনা যায়, &ldquo;আমার খুব ভয় করছে। প্লিজ তাড়াতাড়ি এসো। আমাকে বের করে নিয়ে যাও। প্লিজ&hellip;আসবে তো?&rdquo; কিন্তু ওই দুই প্য়ারামেডিক সেখানে পৌঁছতেই পারেননি। তাঁদের অ্যাম্বুল্যান্স লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইজ়রায়েলি ট্যাঙ্ক। দু&rsquo;জনই মারা যান।&nbsp;</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">হামলা চালাকালীন প্রায় তিন ঘণ্টা জীবিত ছিল হিন্দ। ফোনে মা ইসাম হামাদার সঙ্গেও যোগাযোগ করিয়ে দেওয়া হয় তাকে। মেয়েকে ফোনে সাহস জোগাতে থাকেন ইসাম।&nbsp; মেয়ের সঙ্গে সেই কথোপকথন রেকর্ড করেন তিনি, যাতে হিন্দকে বলতে শোনা যায়, &ldquo;সবাই মারা গিয়েছে মা।&rdquo; এর ১২ দিন পর হিন্দ এবং তার পরিবারের অন্য সদস্যদের দেহ উদ্ধার হয়। হিন্দের কথোপকথনের রেকর্ডিং সামনে এলে শোরগোল পড়ে যায় চতুর্দিকে।&nbsp;</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">প্রথম দিকে গোটা ঘটনার কথা অস্বীকার করে ইজ়রায়েল সরকার। হিন্দ এবং তার পরিবারের মৃত্যুতে ইজ়রায়েলি বাহিনীর হাত নেই বলে দাবি করে। হিন্দ এবং তার পরিবারের গাড়িতে যে ৩৩৫টি গুলির দাগ ছিল, সেগুলিকে ইজ়রায়েলি বাহিনী এবং সশস্ত্র প্যালেস্তিনীয় বাহিনীর মধ্যে গুলি বিনিময়ের চিহ্ন বলে পরবর্তীতে দাবি করে তারা। কিন্তু স্যাটেলাইট থেকে তোলা ছবি, অডিও রেকর্ডিং থেকে সত্য তুলে আনে ইউনিভার্সিটি অফ লন্ডনের ফরেন্সিক আর্কিটেকচার। ঘটনার সময় হিন্দের গাড়ির কাছে ইজ়রায়েলের Merkava ট্যাঙ্ক মোতায়েন ছিল বলে জানা যায়। ওই সময় কোনও প্যালেস্তিনীয় সংগঠনের সঙ্গে গুলি বিনিময় হয়নি বলেও উঠে আসে তদন্তে।&nbsp;</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">তদন্তে ইজ়রায়েলি কর্নেল বেনি আহারনের নামও সামনে আসে, যিনি ইজ়রায়েলের ৪০১ আর্মার্ড ব্রিগেডের দায়িত্বে ছিলেন। যুদ্ধাপরাধে খাঁড়া ঝুলছে তাঁর উপর। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে মামলা গায়ের করেছে হিন্দ রজাব ফাউন্ডেশন। জানা যায়, ৪০১ ব্রিগেডের মধ্যে &lsquo;ভ্য়াম্পায়ার এম্পায়ার&rsquo; নামের একটি কোম্পানি রয়েছে, যার নেতৃত্বে রয়েছেন মেজর শন গ্লাস। তিনি সরাসরি অপরাধে যুক্ত ছিলেন এবং পরবর্তীতে অপর্ধস্থল থেকে প্রমাণ লোপাট করেন বলেও অভিযোগ।&nbsp;&nbsp;</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">ওই গোটা ঘটনা নিয়ে, হিন্দের কথোপকথনের অংশ নিয়েই &lsquo;দ্য ভয়েস অফ হিন্দ রজাব&rsquo; ছবিটি তৈরি করা হয়। মনোজ জানিয়েছেন, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি CBFC-কে ছবিটি দেখান তিনি, প্রধানমন্ত্রীর দু&rsquo;দিনের ইজ়রায়েল সফরে যাওয়ার একদিন পর। এর পর তাঁকে জানানো হয়, ছবিটি মুক্তি পেলে ভারতের সঙ্গে ইজ়রায়েলের সম্পর্কে চিড় ধরবে। মনোজ জানিয়েছেন, লিখিত ভাবে যেহেতু ছবিটি নিষিদ্ধ করা হয়নি, মৌখিক ভাবে বিষয়টি জানানো হয়েছে তাঁকে, তাই মামলা করার উপায়ও নেই।&nbsp;</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">CBFC-র তরফে প্রকাশ্যে কোন বিবৃতি দেওয়া না হলেও, একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে মুখ খোলেন এক শীর্ষ আধিকারিক। তিনি জানান, ছবিটিকে CBFC-র রিভাইসিং কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। সেখানেই সিদ্ধান্ত হবে। এই ঘটনায় মুখ খুলেছেন কংগ্রেস সাংসদ শশী তারুর। তিমি বলেন, &ldquo;ছবিটির উপর নিষেধাজ্ঞা অত্যন্ত লজ্জাজনক। ছবির প্রদর্শনের মাধ্যমেই মতপ্রকাশের স্বাধীনতা প্রতিফলিত হয়। এর সঙ্গে সরকার বা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কোনও যোগ নেই। বিদেশনীতিতে প্রভাব পড়তে পারে বলে ছবি নিষিদ্ধ করা গণতন্ত্রের পক্ষে মোটেও সুস্থ লক্ষণ নয়।&rdquo;</span></p>

from india https://ift.tt/tX3DA4q
via IFTTT

Post a Comment

0 Comments

Lok Sabha Seat Increase : বাড়ছে লোকসভার আসন সংখ্যা ? মহিলাদের জন্য বরাদ্দ কত সিট, কোন রাজ্যেই বা কত আসন বাড়তে পারে