<p><strong>নয়াদিল্লি :</strong> নিট-কাণ্ডে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে কালই পথে নামছে ককরোচ জনতা পার্টি। সেই উদ্দেশে সোজা আমেরিকা থেকে উড়ে আসছেন প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। তাই জুনের ৬ তারিখেই তাঁর সঙ্গে দেখা করার জন্য সমর্থকদের বিমানবন্দরে আহ্বান জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু, সেই পরিকল্পনা চেঞ্জ করলেন অভিজিৎ। দিল্লির যন্তরমন্তরে প্রতিবাদের দিন দুয়েক আগে বৃহস্পতিবার তিনি সমর্থকদের উদ্দেশে আবেদন জানালেন, তাঁরা যেন দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে না জমায়েত করেন। কিন্তু, হঠাৎ কেন পরিকল্পনা পাল্টে ফেললেন তিনি ? সে বিষয়ে এক্স হ্যান্ডেলে খোলসা করেছেন আরশোলা জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা।</p>
<p>সোশ্যাল মিডিয়া বস্টন-শিক্ষিত অভিজিৎ লিখেছেন, "ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লি বিমানবন্দরে আমাদের সঙ্গে যোগ দেওয়ার আহ্বানে যে বিপুল সাড়া আমরা পেয়েছি, তা আমাদের কল্পনারও অতীত। বিমানবন্দরে এত লোকের সমাগম হওয়া সম্ভব নয়, কারণ এতে সাধারণ মানুষ ও নিরাপত্তা বাহিনীর অসুবিধা হবে। তাই দয়া করে দিল্লি বিমানবন্দরে আসবেন না। তার পরিবর্তে যন্তরমন্তরে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অনুমতির দাবিতে আমি সরাসরি পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় চলে যাব। আমরা আইন মেনে চলা নাগরিক। তাই দায়িত্বশীল হতে হবে। তাই অনুগ্রহ করে খেয়াল রাখবেন যে, কেউ যেন কোনও ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করেন।" </p>
<p> </p>
<blockquote class="twitter-tweet">
<p dir="ltr" lang="en">Important Update: <br /><br />The overwhelming response from those who want the resignation of Dharmendra Pradhan to our call to join us at Delhi Airport was beyond our imagination. <br /><br />It is not feasible for so many people to assemble at the airport as it would cause inconvenience to the… <a href="https://t.co/VOkd0Fbjmv">pic.twitter.com/VOkd0Fbjmv</a></p>
— Cockroach is Back (@Cockroachisback) <a href="https://ift.tt/QJzwPDG 4, 2026</a></blockquote>
<blockquote class="twitter-tweet">ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্য়াগের দাবিতে যে কর্মসূচি গ্রহণ করেছিল CJP, তাতে ৮ লক্ষেরও বেশি পড়ুয়া স্বাক্ষর করেছেন। অভিজিৎ জানিয়েছেন, দেশের অন্যত্র ইতিমধ্যেই প্রতিবাদ, আন্দোলন শুরু হয়েছে। লখনউ, জয়পুর, মহারাষ্ট্রে পথে নামছেন মানুষজন। NEET, CBSE, CUET মিলিয়ে ১ কোটি পড়ুয়া ক্ষতিগ্রস্ত বলে দাবি তাঁর। অভিজিতের কথায়, “এত বড় বিপর্যয় ঘটানোর পরও যদি শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ না করেন, তাহলে বুঝতে হবে দেশে আর দায়বদ্ধতা বলে কিছু নেই।” সিস্টেমের ব্যর্থতার দায় কেন পড়ুয়াদের বইতে হবে, প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। Cockroach Janata Party</blockquote>
<p>
<script src="https://ift.tt/vfpw6QU" async="" charset="utf-8"></script>
</p>
from india https://ift.tt/mXsHok0
via IFTTT
0 Comments