Consumer Court: মিনিমাম ব্যালেন্স না রাখার জন্য টাকা কাটতে পারে ব্যাঙ্ক? কনজিউমার ফোরাম বলল...

<p><span style="font-weight: 400;"><strong>তিরুঅনন্তপুরম:</strong> অ্যাকাউন্টে ন্যূনতম টাকা না রাখার দরুণ টাকা কেটেছিল ব্যাঙ্ক। কিন্তু টাকা কাটার আগে কোনও নোটিস দেওয়া হয়নি গ্রাহককে। তার জন্য ব্যাঙ্কটিকেই ক্ষতিপূরণ দিতে হল। গ্রাহককে মোটা টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হল তাদের। (Minimum Balance Requirement in Banks)</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">কেরল থেকে এই ঘটনা সামনে এসেছে। জেলা ক্রেতা-সুরক্ষা ফোরাম জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহককে ১৫০০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে সাউথ ইন্ডিয়া ব্য়াঙ্ককে। ক্ষতিপূরণ এবং আইনি প্রক্রিয়ার খরচ বাবদ ওই টাকা দিতে বলা হয়েছে। টাকা কেটে নেওয়ার আগে গ্রাহককে নোটিস দেওয়া হয়নি বলে জানা গিয়েছে। (Consumer Court)</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">কাসারগোডের জেলা কনজিউমার ডিসপিউটস রিড্রেসাল কমিশনের প্রেসিডেন্ট কৃষ্ণন কে এবং সদস্য বীণা কে-র বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে। &lsquo;মিনিমাম ব্যালেন্স&rsquo; না রাখার জন্য যে ৫৯০ টাকা কেটে নেওয়া হয়, ক্রেতা সুরক্ষা ফোরাম তাকে পরিষেবায় ঘাটতি এবং অন্য়ায্য ব্যবসায়িক কার্যকলাপ বলে উল্লেখ করেছে। কী কারণে টাকা কাটা হল, ব্যাঙ্কটি সেই নিয়ে যথাযথ তথ্য প্রকাশে ব্যর্থ বলেও মন্তব্য় করা হয়। বলা হয়, &lsquo;ব্য়াঙ্ক যেহেতু গ্রাহকের সম্মতি নেয়নি এবং যথাযথ তথ্যপ্রদানের বিষয়টি প্রমাণ করতে পারেনি, তাই টাকা কেটে নেওয়াকে পরিষেবায় ঘাটতি এবং অন্যায্য হিসেব বলে গণ্য করা হচ্ছে&rsquo;।</span></p> <p><span style="font-weight: 400;"><iframe title="YouTube video player" src="https://www.youtube.com/embed/ah0-0zTkZoY?si=qGz6-92wJFjFlZwJ" width="560" height="315" frameborder="0" allowfullscreen="allowfullscreen"></iframe></span></p> <p><strong>আরও পড়ুন: <a title="ভবানীপুরে ভোটের ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ মমতার, EVM, VVPAT, সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ দিল হাইকোর্ট" href="https://ift.tt/frlnsFY" target="_self">ভবানীপুরে ভোটের ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ মমতার, EVM, VVPAT, সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ দিল হাইকোর্ট</a></strong></p> <p><span style="font-weight: 400;">অভিযোগকারী গ্রাহক জানানস ২০২২ সালের ২২ নভেম্বর তিনি একটি কারেন্ট অ্যাকাউন্ট খোলেন এবং ৫০০০ টাকা জমা করেছিলেন তার জন্য। ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি এবং ১ ফেব্রুয়ারি ২৯৫ টাকা করে কেটে নেওয়া হয় তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে। &lsquo;মিনিমাম ব্যালেন্স&rsquo; না থাকার জন্য টাকা কাটা হয়েছে বলে জানতে পারেন তিনি। ওই গ্রাহকের দাবি, অন্যায় ভাবে টাকা কাটা হয়েছে, কারণ তাঁকে ন্যূনতম টাকা রাখার বিষয়টি জানানোই হয়নি। যে টাকা কাটা হয়, তা ফেরত চান ওই গ্রাহক। পাশাপাশি, পরিষেবায় খামতির জন্য ক্ষতিপূরণও দাবি করেন।&nbsp;</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">ব্যাঙ্কের তরফে দাবি করা হয়, কারেন্ট ব্যাঙ্ক চালু রাখার যে শর্তাবলী রয়েছে, তা মেনেই টাকা কেটে নেওয়া হয়। ওই টাকা ফেরতযোগ্য নয় এবং পরিষেবা বাবদ টাকা কাটার অধিকার ব্যাঙ্কের রয়েছে বলেও জানায় তারা।&nbsp;</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">শুনানি চলাকালীন ক্রেতা সুরক্ষা ফোরাম জানায়, ব্যাঙ্কের কার্যক্রম সম্পর্কে গ্রাহক অবগত ছিলেন। অন্য একটি ব্যাঙ্কে দীর্ঘ ২৫ বছর কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ছিল তাঁর। তিনি বরাবর বলে এসেছেন, ন্যূনতম টাকা রাখার বিষয়টি তাঁকে জানানোই হয়নি। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের বিধি বলছে, ব্যাঙ্কগুলি ন্যূনতম ব্যালেন্স রাখার দাবি করতেই পারে। কবে গ্রাহককে বিষয়টি জানানো অবশ্য কর্তব্য। অ্যাকাউন্ট খোলার সময়ই তা জানানো উচিত এবং টাকা কেটে নেওয়ার আগেও নোটিস দেওয়া উচিত।&nbsp;</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">অন্তত এক মাস সময় দেওয়া উচিত বলে জানায় ক্রেতা সুরক্ষা ফোরাম। তাদের যুক্তি, জরিমানা বাবদ টাকা কেটে নেওয়ার দরুণ ব্যালেন্স নেগেটিভে চলে যাওয়াও কাম্য় নয়। কিছু না জানিয়ে হঠাৎ করে টাকা কেটে নেওয়া পরিষেবায় খামতিরই পরিচয়। যে ৫৯০ টাকা কেটে নেওয়া হয়, তা ফেরত দেওয়ার পাশাপাশি, পরিষেবায় খামতির জন্য ১০ হাজার টাকা এবং আইনি প্রক্রিয়া বাবদ খরচের ৫০০০ টাকা দিতে বলা হয় গ্রাহককে।</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">সাধারণ মানুষের জন্য এই নির্দেশ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। গ্রাহককে না কিছু না জানিয়ে, &lsquo;মিনিমাম ব্যালেন্সে&rsquo;র দোহাই দিয়ে আর জরিমানা করা যাবে না বলে মত তাঁদের। ব্যাঙ্কের পরিষেবা সংক্রান্ত কোনও অভিযোগ জানানোর ক্ষেত্রে জাতীয় ক্রেতা হেল্পলাইন নম্বর ১৯১৫-এ ফোন করতে পারেন গ্রাহকরা।</span></p>

from india https://ift.tt/J258HR0
via IFTTT

Post a Comment

0 Comments

বড় খবর, হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করল তেল, গ্যাস ও সারবাহী ১১টি ভারতীয় জাহাজ