<p><strong>নয়া দিল্লি:</strong> ভারত ও জাপানের মধ্যে একাধিক স্ট্র্যাটেজিক ও অর্থনৈতিক চুক্তি ঘোষণা হয়েছে। আর এবার তার একদিন পরই প্রতিক্রিয়া জানাল চিন। বেজিং স্পষ্ট জানিয়েছে, দুই বা ততোধিক দেশের মধ্যে সহযোগিতা এমন হওয়া উচিত, যাতে কোনও তৃতীয় দেশের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ না হয় বা তাকে লক্ষ্য করে কোনও জোট গড়ে না ওঠে। শুক্রবার চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন এক সাংবাদিক বৈঠকে এই মন্তব্য করেন।</p>
<p><em><strong>আরও পড়ুন: <a title="মেট্রোয় ‘How to Kill Men’ বই পড়ছিলেন এক মহিলা, মুহূর্তে ভাইরাল সেই ভিডিও!" href="https://ift.tt/1kfEZMv" target="_self">মেট্রোয় ‘How to Kill Men’ বই পড়ছিলেন এক মহিলা, মুহূর্তে ভাইরাল সেই ভিডিও!</a></strong></em></p>
<p>সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির বৈঠকের পর দুই দেশ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগের ঘোষণা করে। এর মধ্যে রয়েছে অর্থনৈতিক পার্টনারশিপের নতুন কাঠামো, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম একসঙ্গে তৈরির চুক্তি এবং জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারের পদক্ষেপ। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সরবরাহার বিষয়টা আরও শক্তিশালী করার বিষয়েও দুই দেশ সহযোগিতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।</p>
<p><iframe title="YouTube video player" src="https://www.youtube.com/embed/PKwLsAu-z10?si=iULrpa2r4H-Arqd-" width="560" height="315" frameborder="0" allowfullscreen="allowfullscreen"></iframe></p>
<p>এই প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র বলেন, আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশগুলোর মধ্যে একটা সহযোগিতা থাকা উচিত। তবে সেই সহযোগিতা যেন কোনও তৃতীয় দেশকে লক্ষ্য করে বা তৃতীয় দেশের বিরুদ্ধে না হয়। এ ছাড়াও চিন বলে, দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা যেন কোনও বিভাজন বা সংঘাতের পরিবেশ তৈরি না করে।</p>
<p><em><strong>আরও পড়ুন: <a title="কার্যত পুলিশের 'দখলে' তৃণমূল ভবন, মালিকপক্ষ বলছেন চুক্তি ছিল তৎকালীন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে!" href="https://ift.tt/6E9aQIA" target="_self">কার্যত পুলিশের 'দখলে' তৃণমূল ভবন, মালিকপক্ষ বলছেন চুক্তি ছিল তৎকালীন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে!</a></strong></em></p>
<p>ভারত ও জাপানের যৌথ বিবৃতিতে পূর্ব চিন সাগর এবং দক্ষিণ চিন সাগরের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। পাশাপাশি নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা বিঘ্নিত করে এমন একতরফা পদক্ষেপ এবং বলপ্রয়োগের মাধ্যমে স্থিতাবস্থা পরিবর্তনের বিরোধিতাও করা হয়েছে।</p>
<p>যখন মনে করা হচ্ছে ভারত ও জাপানের বন্ধুত্বের কারণে চিনের দাদাগিরিতে কিছুটা হলেও ভাটা পড়তে পারে, সেই সময়ই চিনের এই বিবৃতি অন্য রকম বার্তা দিল। কারণ, চিন যখন নিজে এমন কিছু করে, তখন তারা নিজের এই নীতিপুলিশিকেই পরোয়া করে না। কারণ চিন যখন বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা বা পাকিস্তানে বিভিন্ন পরিকাঠামো তৈরি করে ভারতকে ঘিরে ফেলার জন্য, তখন তাদের ভারত মহাসাগর বা বঙ্গোপসাগরের পরিস্থিতির উপর যে নজর থাকে সেই কথা বলাই বাহুল্য। ভারত কিন্তু তেমন কিছু করেনি। শুধুমাত্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, আর তাতেই ঘুম উড়েছে চিনের।</p>
<p>বিশেষজ্ঞদের মতে, বিরল খনিজ বা রেয়ার আর্থ মিনারেলের সরবরাহ শৃঙ্খলকে কেন্দ্র করেই এই কূটনৈতিক গুরুত্ব আরও বেড়েছে। বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ৭০ শতাংশ রেয়ার আর্থ খনিজ উত্তোলন এবং প্রায় ৯০ শতাংশ প্রক্রিয়াকরণ চিনের নিয়ন্ত্রণে। এই খনিজ ইলেকট্রনিক্স, বৈদ্যুতিক গাড়ি, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম, নবায়নযোগ্য শক্তি এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে ভারত-জাপান সহযোগিতা এবং তার পরবর্তী চিনের প্রতিক্রিয়া আন্তর্জাতিক কৌশলগত সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।</p>
from india https://ift.tt/BVt3XYq
via IFTTT
0 Comments