<p>নয়াদিল্লি : গতকাল ২২ জুলাই বুধবার লোকসভা থেকে সাসপেন্ড হয়েছেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন এনসিপিআই সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। অভিযোগ, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় মহিলা সাংসদদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর অশালীন শব্দবন্ধ ব্যবহার করে মন্তব্য করেছেন।সাসপেন্ড হওয়ার পরের দিন সংসদ ভবন চত্বরে দেখা গেল এক অদ্ভুত ছবি। একা একাই বিক্ষোভ করছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। গলায় প্ল্যাকার্ড ঝুলিয়েছেন তিনি। সেখানে লেখা, 'ভাজপাকে সাথ সংসদ মে, ২০ গদ্দার মওজুদ হ্যায়'। সেই স্লোগান শোনা গিয়েছে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখেও। কখনও সংসদ ভবনের সিঁড়িতে বসে, কখনও দাঁড়িয়ে, একা একাই স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ করতে দেখা গিয়েছে লোকসভা থেকে সদ্য সাসপেন্ড হওয়া তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। </p>
<p>কল্যাণ বলছেন, 'একা এই কল্যাণ ব্যানার্জিকেই বিজেপি ভয় পায়। একলা কল্যাণ ব্যানার্জি ইজ এনাফ ফর দিস বিজেপি পিপল। ওরা জানে যে এই লোকটাকে বের করে রাখতে পারলে এখন অন্তত একটু নিঃশ্বাস, প্রশ্বাস পাবে। একলাই কাফি আছি। লড়াই বিজেপির বিরুদ্ধে থাকবে। লড়াই গদ্দারদের বিরুদ্ধে থাকবে। লড়াই বেইমানদের বিরুদ্ধে থাকবে। যে বেইমান, পশ্চিমবঙ্গের ২০ জন বেইমানকে চিহ্নিত করা হচ্ছে, সারা দেশ দেখছে। এসব বেইমানদের জন্য বিজেপির সাহস বেড়ে গেছে। বিজেপিতে যে যার মতো কমেন্ট করবে। গদ্দার কোথাকারের।' </p>
<p>মহিলা সাংসদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগে, চলতি বাদল অধিবেশন থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে 'কালীঘাট তৃণমূল'-এর সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অসম্মান এবং গালিগালাজ করার অভিযোগ তুলে, লোকসভার স্পিকারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন NCPI-তে মিশে যাওয়া বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদরা। এরপরই বুধবার চলতি বাদল অধিবেশনের জন্য 'কালীঘাট তৃণমূল'-এর সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাসপেন্ড করার জন্য, লোকসভায় প্রস্তাব আনেন সংসদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও বিজেপি সাংসদ অর্জুন রাম মেঘওয়াল। এরপরই ধ্বনিভোটে পাশ হয় প্রস্তাব। কালীঘাট-তৃণমূলের সাংসদ কল্য়াণ বন্দ্য়োপাধ্য়ায়কে সাসপেন্ডেড করার সিদ্ধান্তে স্বাভাবিকভাবেই খুশি এনসিপিআই-তে মিশে যাওয়া তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা। পাল্টা, নিজের অবস্থানে অনড় থেকে কড়া বার্তা দিয়েছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও। </p>
<p>সাসপেন্ড হওয়ার পর কল্যাণ বলেন, 'যে বেইমানি করেছে তাকে তো আর আমরা অন্যকিছু বলতে পারব না। যাকে মাটির থেকে তুলে নিয়ে এসে টিকিট দিয়েছি, কেউ চিনত নাকি? দল তো আমাকেও বলছে, কেন এমন একটা মেয়েকে টিকিট দিলে? আমাকেও শুনতে হচ্ছে। মিথ্যে কথা বলছে। লড়াই চলবে, বেইমানদের বিরুদ্ধে লড়াই, আর বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই, এ লড়াই চলবে, থামব না। সাসপেনশন দেখিয়ে আমাকে আটকানো যায় না।' </p>
from india https://ift.tt/uo4MFTP
via IFTTT
0 Comments