Supreme Court: 'সর্বশক্তিমান আমাকে জিজ্ঞাসা করতেন কীভাবে আমি বিশ্রাম নেব', প্রধান বিচারপতিকে জুতো ছোড়ার কারণ ব্যাখ্যা অভিযুক্তর

<p><strong>নয়াদিল্লি :</strong> সোমবার সুপ্রিম কোর্ট চত্বরেই প্রধান বিচারপতি বিআর গাভাইকে লক্ষ্য করে জুতো ছোড়েন বয়স্ক এক আইনজীবী। যা নিয়ে শোরগোল পড়ে গেছে দেশজুড়ে। প্রধানমন্ত্রী এনিয়ে প্রধান বিচারপতিকে ফোন করেন। ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান তিনি। অভিযুক্ত আইনজীবী বছর ৭২-এর রাকেশ কিশোরকে দিল্লি পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। যদিও সুপ্রিম কোর্ট রেজিস্ট্রির তরফে কোনও অভিযোগ না জানানোয় তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে, সবথেকে তাজ্জব বিষয় যেটা সামনে এসেছে, পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের সময় এনিয়ে কোনও অনুশোচনা দেখা যায়নি রাকেশ কিশোরের মধ্যে। এমনকী প্রধান বিচারপতি গাভাইয়ের উপর তাঁর ব্যর্থ আক্রমণের পক্ষে যুক্তি দেখিয়ে সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক একটি রায়ের কথাও উল্লেখ করেছেন।&nbsp;</p> <p>ইউনেস্কোর World Heritage খাজুরাহো মন্দির চত্বরের অংশ জাভারি মন্দিরে মূর্তি পুনর্নির্মাণ এবং পুনরায় স্থাপনের জন্য সুপ্রিম কোর্টে একটি আবেদন করা হয়েছিল। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ আবেদনের শুনানি করতে রাজি হয়নি, এই পর্যবেক্ষণে যে বিষয়টি ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপের আওতাধীন এবং আবেদনকারীকে "দেবতাকে কিছু করতে বলুন" বলে নির্দেশ দিয়েছিল।</p> <p>একই কথা তুলে ধরে রাকেশ কিশোর বলেন, 'ওই বিচারের পর তিনি ঘুমাতে পারেননি। সর্বশক্তিমান প্রতি রাতে আমাকে জিজ্ঞাসা করতেন যে এত অপমানের পরও আমি কীভাবে বিশ্রাম নেব।' এমনকী তিনি নিজের কর্মকাণ্ডে অটল ছিলেন এবং স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, তিনি কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন। তাঁর সংযোজন, "আমি জেল যেতেও তৈরি। আমি জেলে থাকলেই ভাল হত। আমি যা করেছি তা নিয়ে আমার পরিবার খুব অখুশি। ওরা বুঝতে সক্ষম নয়।"</p> <p>গতকাল <a title="সুপ্রিম কোর্ট" href="https://ift.tt/VUbq2rH" data-type="interlinkingkeywords">সুপ্রিম কোর্ট</a>ের প্রধান বিচারপতি বিআর গাভাইকে লক্ষ্য করে জুতো ছোড়েন বয়স্ক এই আইনজীবী। সকালে ঘটনাটি ঘটে। যদিও বেঞ্চ অবধি পৌঁছায়নি জুতোটি। তবে, সঙ্গে সঙ্গে ওই আইনজীবীকে হেফাজতে নেওয়া হয়। পরে প্রধান বিচারপতি বলেন, আদালত কক্ষের মধ্যে এই বিস্ময়কর ঘটনায় আমি বিচলিত নই। তাঁর কথায়, "এই ধরনের জিনিসে প্রাভাবিত হওয়ার ক্ষেত্রে আমিই শেষ ব্যক্তি।" প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য অনুযায়ী, দিনের প্রথম মামলা শুনতে সবে শুরু করেছিলেন প্রধান বিচারপতি। সেই সময় বয়স্ক ওই আইনজীবী স্লোগান তুলতে শুরু করেন। তিনি বলতে থাকেন, "সনাতনের অপমান ভারত সহ্য করবে না।" এরপরই বেঞ্চ লক্ষ্য করে জুতো ছোড়েন তিনি। আদালত কক্ষে থাকা নিরাপত্তাকর্মীরা দ্রুত এগিয়ে এসে ওই আইনজীবীকে হেফাজতে নেন। তবে, প্রধান বিচারপতিকে লক্ষ্য করে ছোড়া জুতো তাঁকে স্পর্শ করেনি।&nbsp;</p>

from india https://ift.tt/Vxjg8QG
via IFTTT

Post a Comment

0 Comments