<p>Madhya Pradesh News: সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবার বেহাল দশার ছবি ফের এল প্রকাশ্যে। এবার মধ্যপ্রদেশের গুনা। কোনওরকমের সাহায্য না পেয়ে, শেষ পর্যন্ত অসুস্থ বৃদ্ধ বাবাকে কাঁধে করে নিয়েই হাসপাতালে এসেছেন ছেলে। বৃদ্ধকে হাসপাতালের ভিতরে নিয়ে যাওয়ার জন্য একটা স্ট্রেচারও পাওয়া যায়নি। জানা গিয়েছে, মুনেশ রঘুবংশী নামের এক ব্যক্তি তাঁর অসুস্থ বৃদ্ধ বাবাকে কাঁধে করেই নিয়ে গিয়েছেন হাসপাতালে। দীর্ঘক্ষণ হাসপাতালে করিডরে ঘুরেছিলেন ওই ব্যক্তি। পাঁজাকোলা করে ধরে রেখেছিলেন বৃদ্ধ বাবাকে। মুনেশ ভেবেছিলেন, কেউ অন্তত এগিয়ে আসবে তাঁর বাবাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য। তবে সাহায্যে জন্য এগিয়ে আসেনি কেউ, না কোনও ওয়ার্ড বয়, না হাসপাতালে কোনও কর্মী। গুনা জেলা হাসপাতালে মুনেশ রঘুবংশীর বৃদ্ধ অসুস্থ বাবা ইমারত সিংকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসেননি একজনও। </p> <p>বহুবার বহু মানুষকে অনুরোধ করার পরেও যখন কোনও সুরাহা হয়নি, তখন একপ্রকার বাধ্য হয়েই বাবাকে কাঁধে নিয়ে এগিয়ে যান মুনেশ। অনেক কষ্টে একটা স্ট্রেচার অবশ্য শেষ পর্যন্ত জোগাড় হয়েছিল। কিন্তু হয়রানি তখনও অনেক বাকি। হাসপাতালের তিনতলায় যেতে হয় মুনেশ এবং তাঁর বাবাকে। দুর্ভাগ্যবশত লিফট ছিল বন্ধ। অসুস্থ বৃদ্ধ মানুষটিকে হাসপাতালের তিনতলায় নিয়ে যাওয়ার জন্য সাহায্য করতে এগিয়ে আসেননি কেউই। অগত্যা মুনেশ নিজেই কোনওমতে গায়ের জোরে ঠেলে, টেনে উপরে নিয়ে গিয়েছে স্ট্রেচারটিকে। একজন ওয়ার্ড বয় বা হাসপাতালের কর্মীও তাঁকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসেননি। হাসপাতালের রেকর্ড অনুসারে ১৫ জন ওয়ার্ড বয় রয়েছেন এই গুনা জেলা হাসপাতালে। তিনটি শিফট চলে হাসপাতালে। প্রতি শিফটে স্ট্রেচার নিয়ে যাওয়ার ডিউটিতে থাকেন একজন ওয়ার্ড বয়। বাকিরা থাকেন অন্যান্য দায়িত্বে। </p> <p>মুনেশ রঘুবংশী জানিয়েছেন, তাঁর বাবা একজন হাইপারটেনশনের রোগী। বাবাকে নিয়ে তিনি হাসপাতালে এসেছিলেন যাতে অসুস্থ বৃদ্ধ মানুষটা সঠিক সময়ে চিকিৎসা পান। মুনেশের অভিযোগ, 'বাবাকে কাঁধে নিয়ে হাসপাতালের এদিক, ওদিক ছুটে বেড়াচ্ছিলাম আমি। সাহায্যের জন্য মিনতি করছিলাম। কিন্তু কেউ সাড়া দেয়নি।' মধ্যপ্রদেশের গুনা জেলা হাসপাতালের সিএমএইচও ডক্টর রাজকুমার ঋষিশ্বর জানিয়েছেন, এই ঘটনা একেবারেই সমর্থনযোগ্য নয়। এই ঘটনা তদন্ত করে দেখা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। সেই সময়ে কে ডিউটিতে ছিলেন তা খতিয়ে দেখা হবে। যারা এর জন্য দায়ী তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সিএমএইচও। সমস্ত ওয়ার্ড বয়ের উচিত স্ট্রেচার নিয়ে রোগীদের সাহায্য করা, একথাও জানিয়েছেন তিনি। </p>
from india https://ift.tt/mgWKP91
via IFTTT
0 Comments