<p>Student Death: তিনদিন ধরে নিখোঁজ ছিল একাদশ শ্রেণির ছাত্রী। বাড়ি থেকে বেরিয়ে আর ফেরেনি সে। অবশেষে গুরুগ্রামের এই পড়ুয়ার দেহ উদ্ধার করল পুলিশ। গ্রামেরই শ্মশানের কাছে থাকা একটি পুকুর থেকে উদ্ধার হয়েছে ছাত্রীর দেহ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, আত্মহত্যা করেছে একাদশ শ্রেণির এই পড়ুয়া। সবচেয়ে অদ্ভুত বিষয় হল, ছাত্রী নিখোঁজ হওয়ার আগে তার মা-বাবার জন্য ডায়েরিতে লিখে রেখে গিয়েছিল একটি চিঠি। সেখানে ছাত্রী বলেছিল, তাকে যেন তার মা-বাবা না খোঁজেন। আর একান্তই যদি খোঁজেন তাহলে যেন গ্রামের ওই শ্মশানের কাছের পুকুরে খোঁজেন। অর্থাৎ কোথায় তার দেহ পাওয়া যাবে, সে কথা নিজেই জানিয়ে গিয়েছিল ছাত্রী।</p> <p>সত্যিই একাদশ শ্রেণির এই পড়ুয়া আত্মহত্যা করেছে নাকি এর পিছনে রয়েছে অন্য কোনও কারণ, খতিয়ে দেখছে পুলিশ। স্কুল পড়ুয়া একটি মেয়ে আত্মহত্যা করলে, কেন এমন চরম সিদ্ধান্ত তাকে নিতে হল, সেটাও জানার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশের তদন্তকারীরা। সমস্ত সম্ভাবনাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। আত্মহত্যা নাকি অন্য কিছু, আত্মহত্যা হলে কেন আত্মহননের পথ বেছে নিল ওই ছাত্রী - সবদিক ভেবেই তদন্ত করছে পুলিশ। </p> <p>পুলিশ সূত্রে খবর, একটি ডায়েরি খুঁজে পেয়েছিল তারা। সেখানে মেয়েটি লিখে রেখেছিল, 'মা-বাবা আমায় ক্ষমা করে দিও। আমি দাদুর কাছে চলে যাচ্ছি। আমায় খুঁজো না। আর যদি খুঁজতেই হয় তাহলে শ্মশানের কাছের পুকুরে খুঁজো।' প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গ্রামের শ্মশানের কাছের ওই পুকুর থেকেই উদ্ধার হয়েছে একাদশ শ্রেণির ছাত্রীর দেহ। তার পরনে ছিল স্কুলের পোশাক, জানিয়েছে পুলিশ। পড়াশোনায় অত্যন্ত মেধামী ছিল একাদশ শ্রেণির এই ছাত্রী। </p> <p>জানা গিয়েছে, গত ১১ ফেব্রুয়ারি রাতের খাবার খেয়ে নিজের ঘরে গিয়েছিল মেয়েটি। বাড়িতে বাকিদের বলেছিল যে পড়াশোনা করবে। ছাত্রীর মা-বাবা এবং ভাই পরের দিন সকালে উঠে দেখেন মেয়ে ঘরে নেই। দীর্ঘক্ষণ খোঁজাখুঁজি করার পরেও মেয়ের সন্ধান না পেতে পুলিশের স্বারস্থ হয় মেয়েটির পরিবার। আশপাশের এলাকা থেকে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে পুলিশ এবং সেখানেই দেখা যায় স্কুলের পোশাক পরেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে ছাত্রী। এরপর ছাত্রীর নিখোঁজ থাকার কেস দায়ের করে তার পরিবার। এমনকি মেয়ের ব্যাপারে তথ্য দিলে, তথ্যদাতাতে ১ লক্ষ টাকা পুরস্কার দেওয়ার কথাও ঘোষণা করে তার পরিবার। তদন্তে নেমে মেয়েটির ঘরে তল্লাশি করে পুলিশ এবং খুঁজে পায় ওই ডায়েরি।</p> <p>ডায়েরির লেখা দেখে পুলিশের একটি টিম পুকুরের কাছে পৌঁছয়। জলে নামানো হয় ডুবুরি। একটি মোটরের সাহায্যে পুকুরের জল পাম্প করে বের করে নেওয়া হয়। তারপরেই দেখা যায় কাদায় আটকে রয়েছে ছাত্রীর দেহ। ময়নাতদন্তের পর ছাত্রীর দেহ তুলে দেওয়া হয় তার পরিবারের হাতে। ঠিক কী ঘটেছিল তা জানতে জোরকদমে তদন্ত করছে পুলিশ। </p>
from india https://ift.tt/asFlioC
via IFTTT
0 Comments