<p><span style="font-weight: 400;"><strong>কলকাতা:</strong> পরিযায়ী শ্রমিক নিয়ে বিজেপি-র বিরুদ্ধে বিধিভঙ্গের অভিযোগ। নির্বাচন কমিশনে নালিশ জানাল তৃণমূল। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালকে চিঠি লিখেছেন তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন। অভিযোগ করে বলা হয়েছে, সুরত থেকে বিশেষ ট্রেনে পরিযায়ীদের ফেরানোর ব্যবস্থা করেছে বিজেপি, যা নির্বাচনী বিধিভঙ্গের সমান। পরিযায়ীদের ফেরানোর বন্দোবস্ত করা ঘুষ দেওয়া এবং প্রভাবিত করার শামিল। এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। (BJP Flags off Migrant Workers Train)</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">কর্মসূত্রে গুজরাতে থাকেন বাংলার বহু পরিযায়ী শ্রমিক। SIR নিয়ে যে টানাপোড়েন চলেছে, তাতে ভোট দেওয়া থেকে আর পিছু হটছেন না কেউ। ট্রেনে, বাসে চেপে, রাজ্যে ভোট দিতে ফিরছেন তাঁরা। আর সেই আবহেই গুজরাতের সুরত থেকে একটি ভিডিও সামনে এসেছে, যাতে বিজেপি-র নেতা-কর্মীদের প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে, পতাকা উড়িয়ে পরিযায়ী শ্রমিকদের বিদায় জানাতে দেখা গিয়েছে। 'জয় শ্রীরাম', 'ভারত মাতা কি জয়' স্লোগানও শোনা যায়। সুরত থেকে কলকাতার জন্য বিশেষ ট্রেনেরও বন্দোবস্ত করা হয় বলে খবর। (Election Commission)</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">গুজরাত বিজেপি-র তরফে ওই বিশেষ ট্রেনের বন্দোবস্ত করা হয়। তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে, বিজেপি-কে জেতানোর জন্য পরিযায়ী শ্রমিকদের উদ্বুদ্ধও করা হয় বলে অভিযোগ। ওই ট্রেনে উঠতে হুড়োহুড়িও চেখে পড়ে উধনা স্টেশনে। কার্যত পদপিষ্ট হওয়ার জোগাড় হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হয় লাঠিচার্জ করতে হয় পুলিশকে। </span></p> <blockquote class="twitter-tweet"> <p dir="ltr" lang="en">Election has become a JOKE in India under this sold out Chief Election Commissioner Gyanesh Kumar Gupta <br /><br />BJP did it in Bihar Election <br />Train was flagged off from Haryana for Bihar Election , sponsored by BJP <br /><br />Repeating it again for Bengal election <br /><br />Just two days ago, migrant… <a href="https://t.co/CejqriHrn2">pic.twitter.com/CejqriHrn2</a></p> — Harmeet Kaur K (@iamharmeetK) <a href="https://twitter.com/iamharmeetK/status/2046475474243821625?ref_src=twsrc%5Etfw">April 21, 2026</a></blockquote> <p><span style="font-weight: 400;">সুরত থেকে সামনে আসা ওই ভিডিও কমিশনের কাছে তুলে ধরেছেন ডেরেক। তিনি লেখেন, ‘এটা ভাষ্য তৈরি ছাড়া কিছু নয়, যাতে বিজেপি-র পক্ষে ভোট টানা যায় এবং ভোটের ফলাফলে প্রভাব ফেলা যায়। ভারতীয় রেল কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে। প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষে, পক্ষপাতদুষ্ট ভাবে, নির্বাচনী স্বার্থ চরিতার্থ করতে এভাবে ট্রেন দেওয়া যায় না। বিজেপি যে ট্রেনের বন্দোবস্ত করেছে, এতেই বোঝা যায় রাজনৈতিক প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে সরকারি সম্পদের অপব্যবহার হচ্ছে’। </span></p> <blockquote class="twitter-tweet"> <p dir="ltr" lang="en">BJP's Special Trains from Surat to Bengal has now departed. Local Gujarat unit is there accompanying everyone to go vote against TMC. <a href="https://t.co/mAh4k4fyFA">pic.twitter.com/mAh4k4fyFA</a></p> — Sudhanidhi Bandyopadhyay (@SudhanidhiB) <a href="https://twitter.com/SudhanidhiB/status/2046258700931964960?ref_src=twsrc%5Etfw">April 20, 2026</a></blockquote> <p><span style="font-weight: 400;">চিঠিতে ডেরেক আরও লেখেন, ‘এতে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অন্যায় সুবিধা পেয়ে যাচ্ছে বিজেপি, নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকছে না। বিজেপি যদি ভাড়া মিটিয়েও থাকে, সেক্ষেত্রে বিনামূল্যে ট্রেনের ব্যবস্থা করে দেওয়া জনপ্রতিনিধিত্ব আইনে দুর্নীতিগ্রস্ত আচরণের আওতায়ই পড়ে, ১২৩ (১) ধারা অনুযায়ী ‘ঘুষ’ বলে প্রতিপন্ন হতে পারে, কারণ বিজেপি বিনামূল্যে ট্রেনের টিকিট করে দিচ্ছে, খাবার দিচ্ছে, জল দিচ্ছে, অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে। সেই সঙ্গে আবেদন জানাচ্ছে বিজেপি-কে ভোট দিতে। পরিযায়ী শ্রমিকদের তুষ্ট করে বিজেপি-র জন্য ভোট চাওয়া হচ্ছে সরাসরি, যা ১২৩ (২) ধারা অনুযায়ী ‘অন্যায় প্রভাব খাটানো’।</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">বিজেপি ভোটারদের প্রভাবিত করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন ডেরেক। বিজেপি-কে যাতে শোকজ নোটিস দেওয়া হয়, বিজেপি-র বিরুদ্ধে যাতে অভিযোগ নথিভুক্ত করা হয়, ট্রেনের টিকিট, খাবার, জল এবং অন্য়ান্য সব খরচ-খরচাকে যাতে বিজেপি-র নির্বাচনী খরচের অন্তর্ভুক্ত করা হয়, সেই মর্মে কমিশনের কাছে আবেদন জানিয়েছেন তিনি।</span></p>
from india https://ift.tt/LzYx6il
via IFTTT
0 Comments