<p><strong>নয়াদিল্লি :</strong> দীর্ঘদিন ধরে চলছে অচলাবস্থা। হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) নিয়ে টানাপোড়েনের প্রভাব পড়েছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে। তীব্র হচ্ছে জ্বালানি সংকট। তবে, পরিস্থিতির এবার উন্নতি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ, হরমুজ প্রণালী খুলে দেবে ইরান। এবং পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাতের অবসানের জন্য প্রস্তাবিত পরিকাঠামোর অধীনে ইরান এই জলপথ দিয়ে অবাধে জাহাজ চলাচল ও নৌ-চলাচলের অনুমতি দেবে। এমনই খবর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সূত্রের।</p>
<p>আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে আলোচনাধীন পরিকল্পনা অনুযায়ী, পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত মেটাতে উভয় দেশ একটি চুক্তিতে সম্মত হওয়ার ৩০ দিন পর হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়া হবে। নিক্কেই সংবাদমাধ্যম সোমবার সংশ্লিষ্ট এলাকার কূটনৈতিক সূত্রকে উদ্ধৃত করে এ খবর জানিয়েছে। তাদের রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত চুক্তি অনুযায়ী, সব দেশের জাহাজ অবাধে ও নিরাপদে চলাচল করতে পারবে এবং ইরান জাহাজের জন্য যে কোনও ট্রানজিট ফি বন্ধ করে দেবে।</p>
<p>Nikkei-এর রিপোর্ট আরও চমকপ্রদ তথ্য দিয়েছে। তাদের খবর অনুযায়ী, এপ্রিলের গোড়া থেকে শুরু হওয়া আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে সংঘর্ষবিরতির মেয়াদকাল আরও ৬০ দিন বাড়ানো হবে। দুই মাস পরমাণু কর্মসূচি স্থগিত রাখবে ইরান। এরমধ্যে ইরানের শীর্ষস্থানীয় মধ্যস্থতাকারী এবং বিদেশমন্ত্রী দোহা গিয়েছিলেন। কাতারের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার জন্য। যাতে ইরান ও আমেরিকার মধ্যে চুক্তি হয়।</p>
<p>তবে, গত কয়েকদিন ধরে সংশ্লিষ্ট এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছেন মধ্যস্থতাকারীরা। তেহরান এবং ওয়াশিংটন উভয়পক্ষ থেকেই এই মর্মে ইতিবাচক আবহ তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতির উন্নতির কথা স্বীকার করছে উভয় পক্ষ। তবে, তারা এও মেনে নিচ্ছে যে, চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর আগে উভয়পক্ষের মধ্যে বিস্তর ফাঁকফোকর রয়েছে। সম্প্রতি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনা 'ভালভাবে' চলছে। তাঁর কথায়, হয় 'অসাধারণ কোনও ডিল হবে', অথবা 'আদৌও কোনও ডিল হবে না'।</p>
<p>পারস্য উপসাগরের সঙ্গে ওমান উপসাগরকে সংযুক্ত করেছে হরমুজ প্রণালী এবং বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও LPG গ্যাস এরমধ্যে দিয়ে সরবরাহ হয়। কাজেই, হরমুজ প্রণালীর অচলাবস্থা কাটানো খুবই জরুরি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ, এই প্রণালী দিয়ে সাধারণভাবে জাহাজ চলাচল করতে না পারায় তার প্রভাব পড়েছে বিশ্বের জ্বালানি মার্কেটে। যার ব্যাপক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্যে। </p>
from india https://ift.tt/eILmwNH
via IFTTT
0 Comments