Cockroach Janta Party: হাতে আম্বেদকরের জীবনী নিয়ে দেশে অভিজিৎ, ককরোচ জনতা পার্টির বিশাল জমায়েত যন্তরমন্তরে; শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ-দাবি

<p><strong>নয়াদিল্লি :</strong> "দেশের যুবকরা আর ভয় পাবে না, তারা লড়াই করবে। আরশোলা ভয় পায় না, তারা মরেও না।" কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে যন্তরমন্তরে প্রতিবাদ-মঞ্চ থেকে এভাবেই সুর চড়ালেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। এদিন আমেরিকা থেকে ভারত উড়ে আসেন তিনি। দিল্লির বিমানবন্দরে পা রাখলে তাঁর হাতে বি আর আম্বেদকরের আত্মজীবনীর একটি কপি দেখা যায়।&nbsp;</p> <p>ককরোচ জনতা পার্টির প্রস্তাবিত কর্মসূচি ঘিরে এদিন সকাল থেকে কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয় রাজধানী। ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সীমান্তবর্তী বিভিন্ন প্রবেশপথ এবং অন্যান্য সংবেদনশীল এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়। এরইমধ্যে সকাল সাড়ে ৭টা নাগাদ দিল্লি পৌঁছে যান অভিজিৎ। এক্স হ্যান্ডেলে এক পোস্টে নিজেই সেকথা জানান তিনি। অভিজিৎ লেখেন, "এসে গেছি। যন্তরমন্তরে আপনাদের সঙ্গে দেখা হওয়ার অপেক্ষায় আছি। একটা বই এবং আমাদের তেরঙ্গা আনতে ভুলবেন না। পুলিশের প্রতি সহানুভূতি ও কৃতজ্ঞতা প্রদর্শনের জন্য তাঁদের ফুল দিন। আমাদের এই আন্দোলনটা ভালবাসা ও শান্তিপূর্ণ পথে করতে হবে।"</p> <p>এরপরেই সামনে আসে যন্তরমন্তরে কর্মসূচি করার জন্য তাদের প্রয়োজনীয় অনুমতি দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। Cockroach is Back এক্স হ্যান্ডেলে সেকথা জানিয়ে তাদের তরফে লেখা হয়, "যন্তরমন্তরে প্রতিবাদ কর্মসূচির অনুমতি দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। এবার আমরা সরাসরি যন্তরমন্তরে জমায়েত করতে পারি, তাই আর পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় যেতে হবে না, যেমনটা পরিকল্পনা করা হয়েছিল। আরশোলা আসছে, ধর্মেন্দ্র প্রধান যাচ্ছেন।"&nbsp;</p> <p>&nbsp;</p> <blockquote class="twitter-tweet"> <p dir="ltr" lang="en">Delhi Police has granted permission for the protest at Jantar Mantar. <br /><br />We can now assemble directly at Jantar Mantar, and no longer need to go to the Parliament Street Police Station, as originally planned.<br /><br />Cockroaches aa rahe hain, Dharmendra Pradhan jaa rahe hain. ✊</p> &mdash; Cockroach is Back (@Cockroachisback) <a href="https://ift.tt/n5J4Z8h 6, 2026</a></blockquote> <p> <script src="https://ift.tt/D5hCrVb" async="" charset="utf-8"></script> </p> <p>শুধু তা-ই নয়, তাদের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে আরও লেখা হয়, "ধর্মেন্দ্র প্রধান, পদত্যাগ করুন। আমরা শিক্ষামন্ত্রীকে নির্বাচিত করে সেখানে তাঁকে পাঠিয়েছি। আমাদের করের টাকা থেকে উনি বেতন নেন। তাঁর সময়কালে লক্ষ লক্ষ যুবকের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে ডুবে গেছে। আরশোলা আসছে, ধর্মেন্দ্র প্রধান যাচ্ছেন।"</p> <p>&nbsp;</p> <blockquote class="twitter-tweet"> <p dir="ltr" lang="hi">धर्मेंद्र प्रधान इस्तीफ़ा दो! <br /><br />शिक्षा मंत्री को हमने चुन कर भेजा है, हमारे टैक्स से उनको तनख्वाह मिलती है!<br /><br />उनके शासन काल में करोड़ों युवाओं का भविष्य अंधकार में है। <br /><br />cockroach आ रहे हैं, धर्मेंद्र प्रधान जा रहे हैं! <a href="https://x.com/hashtag/cjpprotest?src=hash&amp;ref_src=twsrc%5Etfw">#cjpprotest</a> <a href="https://t.co/LYcOUY7Shc">pic.twitter.com/LYcOUY7Shc</a></p> &mdash; Cockroach is Back (@Cockroachisback) <a href="https://ift.tt/fw5W2Yv 6, 2026</a></blockquote> <p> <script src="https://ift.tt/D5hCrVb" async="" charset="utf-8"></script> </p> <p>সিদ্ধান্তমতোই যন্তরমন্তরে জমায়েত করেন ককরোচ জনতা পার্টির সমর্থকরা। পৌঁছে যান প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ। যোগদানকারীদের হাতে বিভিন্ন লেখনির পোস্টার দেখা যায়। তাঁরা ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান তোলেন।</p> <p>প্রসঙ্গত, NEET, CBSE, CUET মিলিয়ে ১ কোটি পড়ুয়া ক্ষতিগ্রস্ত বলে আগেই দাবি করেছেন অভিজিৎ। তাঁর কথায়, &ldquo;এত বড় বিপর্যয় ঘটানোর পরও যদি শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ না করেন, তাহলে বুঝতে হবে দেশে আর দায়বদ্ধতা বলে কিছু নেই।&rdquo;&nbsp;</p> <p>এদিকে, প্রতিবাদ-জমায়েতের মধ্যেই ককরোচ জনতা পার্টি বিরোধী দিল্লির এক ব্যক্তি হিট স্প্রে নিয়ে সেখানে ঢুকে পড়েন। সেখানে CJP-র সমর্থকদের সঙ্গে তাঁরা ছোটখাট ধস্তাধস্তি হয়। তার জেরে সেখান থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়।</p> <p>&nbsp;</p>

from india https://ift.tt/syPCvVE
via IFTTT

Post a Comment

0 Comments