Gyanesh Kumar: ‘SIR বেআইনি, নতুন করে ব্যালটে ভোট হোক’, বলছেন মোদি সরকারের প্রাক্তন মন্ত্রী, সমালোচনা সুপ্রিম কোর্টেরও

<p><span style="font-weight: 400;"><strong>নয়াদিল্লি:</strong> ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন তথা SIR ঘিরে তোলপাড় গোটা দেশ। প্রশ্ন উঠছে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকা নিয়ে। সেই আবহে এবার কার্যত বোমা ফাটালেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, দেশের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্র সচিব তথা বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা আর কে সিংহ। তাঁর দাবি, ২০০৩ সালের পর ERO-রা ভোটার তালিকায় যত নাম তুলেছিলেন, বেআইনি ভাবে সেই সব নাম বাদ দিতে তৎপর জ্ঞানেশ। জ্ঞানেশের কাজকর্মকে &lsquo;বেআইনি&rsquo; আখ্যা দিয়েছেন তিনি। নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তোলার পাশাপাশি, বিরোধীদের উদ্দেশে ভোট বয়কটের বার্তা দিয়েছেন। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গাঁধী, পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী <a title="মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়" href="https://ift.tt/4JiabL1" data-type="interlinkingkeywords">মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়</a>, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়গে, আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব, DMK প্রধান এমকে স্ট্যালিন, রাষ্ট্রীয় জনতা দলের তেজস্বী যাদব, ককরোচ জনতা পার্টির অভিজিৎ দীপকে-কে সরাসরি ট্যাগ করেছেন তিনি। বিরোধীদের ঐক্যবদ্ধ হতে আবেদন জানিয়েছেন। (SIR Illegal Allegations)</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">আর কে সিংহ অবসরপ্রাপ্ত IAS অফিসারও। বিহারের আরা থেকে সাংসদও নির্বাচিত হন। SIR বিতর্কের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় দেশবাসীর উদ্দেশে খোলা চিঠি লিখেছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, &lsquo;চান তো ভারত গণতান্ত্রিক থাকুক? তাহলে বোঝা দরকার যে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং তাঁর মাথায় বসে থাকা লোকজন SIR-এর নামে যে কাজ করেছেন, তা আইনের পরিপন্থী। ২১ নং ধারা অনুযায়ী, বিশেষ বিশএষ ক্ষেত্রেই পুনর্বিবেচনা করা যেতে পারে এবং প্রত্যেক ক্ষেত্রে কারণ লিপিবদ্ধ করতে হয়। কোনও নির্দিষ্ট নির্বাচনী কেন্দ্র বা এলাকায় পুনর্বিবেচনা করা যেতে পারে। গোটা দেশে SIR করার সিদ্ধান্তটি ছিল বেআইনি। বিশেষ ক্ষেত্রে অনুমোদিত, কোনও ব্যতিক্রম স্বাভাবিক নিয়ম হয়ে উঠতে পারে না। SIR বহাল রাখা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ভুল ছিল&rsquo;। (Gyanesh Kumar)</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">SIR নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলে ধরেছেন সিংহ। তাঁর বক্তব্য-&nbsp;</span></p> <ul> <li><span style="font-weight: 400;">&lsquo;দেশ জুড়ে SIR করার সিদ্ধান্ত কার? এটি পূর্ণাঙ্গ কমিশনের সিদ্ধান্ত, না কি শুধুমাত্র জ্ঞানেশ কুমারের? ১৯৫০ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ২১ নং অনুচ্ছেদে বলা আছে, ভোটার তালিকা পুনর্বিবেচনার কাজ যখন শুরু হয়, সেই নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারির সময় যে তালিকাটি কার্যকর ছিল, পুনর্বিবেচনা সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত সেটিই কার্যকর থাকবে। নাম যোগ করা এবং বাদ দেওয়ার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সব আবেদনের নিষ্পত্তি হলে তবেই সংশোধিত ভোটার তালিকা পূর্ণাঙ্গ আকার পায়। যেখানে যেখানে আবেদন বিচারাধীন ছিল, সেক্ষেত্রে বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়ার দিন বৈধ থাকা মূল ভোটার তালিকাটিই ব্য়ববার করার কথা। নাম দেওয়ার বিরুদ্ধে আবেদন বিচারাধানী থাকাকালীন সেই সব নাম বাদ দিয়ে নতুন তালিকার ব্যবহার বেআইনি&rsquo;।</span></li> <li><span style="font-weight: 400;">২২ নং অনুচ্ছেদের উল্লেখ করে সিংহ লেখেন, &lsquo;শুধুমাত্র ERO-ই ভোটার তালিকা থেকে ভোটারের নাম বাদ দিতে পারেন, তাও ২২(ক), (খ), (গ) ধারায় উল্লেখিত কারণের ভিত্তিতে এবং সুনির্দিষ্ট তদন্তের ভিত্তিতে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আত্মপক্ষ সমর্থনের যথেষ্ট সুযোগ দেওয়ার পর এবং আবেদনগুলির নিষ্পত্তি হওয়ার পর। ২০০৩ সালের পর ERO-দের দ্বারা তালিকাভুক্ত হওয়া সব নাম কোনও রকম তদন্ত, ভিত্তি এবং নোটিস ছাড়াই বাদ দেওয়া করান জ্ঞানেশ কুমার, যা চরম বেআইনি কাজ।&rsquo;</span></li> <li><span style="font-weight: 400;">&lsquo;যাঁদের নাম এভাবে তড়িঘড়ি বাদ দেওয়া হয়েছিল, নতুন ভোটার হিসেবে ফর্ম ৬-এর মাধ্যমে আবেদন জানাতে হয়েছিল তাঁদের। তাঁরা যে তালিকাভুক্ত হওয়ার যোগ্য, তার সপক্ষে প্রমাণ দিতে হয়েছিল। এটি ১৯৯৫ সালের Lal Babu Hussain and Others v. Electoral Registration Officer and Others মামলায় সুপ্রিম কোর্টের দেওয়ার রায়ের পরিপন্থী। ওই রায়ে বলা হয়েছিল, তালিকাভুক্ত ভোটারের অযোগ্যতা প্রমাণের দাবির সপক্ষে প্রমাণ পেশ করার দায়িত্ব তদন্তকারী বং আপত্তি জানানো লোকজনের। কেন তাঁকে বাদ দেওয়া যাবে না, তার সপক্ষে প্রমাণ পেশ করার সুযোগ দিতে হবে সংশ্লিষ্ট ভোটারকে। এক্ষেত্রে সেসবের কিছুই হয়নি&rsquo;।</span></li> <li><span style="font-weight: 400;">&lsquo;আইন বলছে, কাউকে শাস্তি দিতে হলে, তাঁর হাত-পা বাঁধতে হলে, তার নেপথ্যকারণ, প্রমাণ পেশ করার দায়িত্ব অভিয়োগকারী সংস্থা বা ব্যক্তির। এখানে কিন্তু জ্ঞানেশ কুমার সেই দায়ভার বা &lsquo;বার্ডেন অফ প্রুফে&rsquo;র স্বাভাবিক নিয়ম উল্টে দিয়েছেন, যা আইনবিরুদ্ধ&rsquo;।</span></li> </ul> <blockquote class="twitter-tweet"> <p dir="ltr" lang="en">An open letter to all my countrymen.<br /><br />Do you want India to remain a democracy? Then you must understand what Gyanesh Kumar, the CEC, and his bosses are doing in the so-called SIR.<br />They are violating the law.<br />- As per Section 21 of the law, a special revision is to be undertaken&hellip;</p> &mdash; R. K. Singh (@RajKSinghIndia) <a href="https://ift.tt/fHXbY9y 28, 2026</a></blockquote> <p><strong>আরও পড়ুন: <a title="পদত্যাগ করলেন জ্ঞানেশ কুমার? সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল রাষ্ট্রপতিকে লেখা চিঠি, নির্বাচন কমিশন বলল &lsquo;ভুয়ো&rsquo;" href="https://ift.tt/Sjm5wLg" target="_self">পদত্যাগ করলেন জ্ঞানেশ কুমার? সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল রাষ্ট্রপতিকে লেখা চিঠি, নির্বাচন কমিশন বলল &lsquo;ভুয়ো&rsquo;</a></strong></p> <ul> <li><span style="font-weight: 400;">&lsquo;যোগ্য ভোটারদের তালিকাভুক্ত করাই এতদিন লক্ষ্য ছিল সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের। গণতন্ত্রের ভিত মজবুত করা, নাগরিকদের হাতে ক্ষমতা প্রদানই লক্ষ্য ছিল। ইতিহাসে এই প্রথম এমন অভিযান চালানো হল, যার লক্ষ্য ছিল মানুষকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা&rsquo;।</span></li> <li><span style="font-weight: 400;">&lsquo;ফর্ম-৬ রদবদলের এক্তিয়ারই ছিল না জ্ঞানেশ কুমারের। দুই নির্বাচন কমিশনারের মতের বিরুদ্ধে গিয়ে নিজে সেই পরিবর্তন করেছিলেন তিনি। সর্বসম্মতি অথবা সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতের নিরিখে সিদ্ধান্ত নিতে হয় নির্বাচন কমিশনকে। অন্য দুই কমিশনার ফর্ম-৬ সংশোধনের বিপক্ষে ছিলেন।&nbsp; তাহলে সেটি বদলানো হল কেন? কার নির্দেশে করা হল? সম্পূর্ণ বেআইনি সিদ্ধান্ত। আবেদনকারীদের কাছে জানতে চাওয়া হয়, ২০০৩ সালের ভোটার তালিকায় মা-বাবার ক্রমিক সংখ্যা কত ছিল। ১৮ বছর বয়সি কোনও কিশোর বা কিশোরী ২০২৬ সালে সেই তালিকা কী করে খুঁজে পাবেন? এর ফলে তরুণ ভোটারদের সংযুক্তিকরণের কাজ বাধাপ্রাপ্ত হয়েছে। বিজেপি জানে, তরুণরা তাদের ভোট দেবে না&rsquo;।</span></li> <li><span style="font-weight: 400;">ফর্ম-৭ ব্যবহার করে ভোটারদের নাম সংযুক্তিকরণের বিরুদ্ধে বিপুল সংখ্য়ক আপত্তি জমা পড়েছিল। সেই আপত্তিগুলি কারা জমা দিল? যাদের সই ছিল, তারা সশরীরে উপস্থিত ছিল না। তার পরও কী করে তার ভিত্তিতে পদক্ষেপ করা হল?</span></li> <li><span style="font-weight: 400;">&lsquo;ERO বৈধ ভোটার বলে চিহ্নিত করার পরও ১৬ লক্ষ ভোটারের নাম তালিকায় জায়গা পায়নি। নির্বাচন কমিশন তাঁদের বিরুদ্ধে আবেদন জমা দিয়েছিল। কেন? কিসের ভিত্তিতে? কমিশনকে আবেদন জমা দেওয়ার অনুমতি কে দিল? দু&rsquo;জন কমিশনার বলছেন, তাঁরা এসব করেননি। অর্থাৎ তাঁরা কাউকে আবেদন জমা করার অনুমতি দেননি। তাহলে কে করল? জ্ঞানেশ কুমার? ওই লক্ষ লক্ষ মানুষকে ভোট দিতে দেওয়া হল না&rsquo;।</span></li> <li><span style="font-weight: 400;">&lsquo;নির্বাচন কনমিশন এবং রাজনৈতিক দলের কিছু লোকের মধ্যে কি আঁতাত রয়েছে, যার দরুণ বিপুল সংখ্যক ভুয়ো ফর্ম-৭ জমা করে আপত্তি জানানো হয়, ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হয়&rsquo;?</span></li> <li><span style="font-weight: 400;">&lsquo;লক্ষ লক্ষ ভোটারের আবেদন বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও কী ভাবে নির্বাচন করতে দেওয়া হল? নির্বাচন কমিশন এবং সুপ্রিম কোর্টকে এর জবাব দিতে হবে। যে সব আবেদনের নিষ্পত্তি হয়েছে, তাতে দেখা যায়, বাদ পড়াদের মধ্যে ৯০ শতাংশই বৈধ ভোটার&rsquo;।</span></li> <li><span style="font-weight: 400;">&lsquo;লক্ষ লক্ষ ভোটারের আপিল বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও কীভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে দেওয়া হলো? নির্বাচন কমিশন (ECI) এবং সুপ্রিম কোর্টকে এর জবাব দিতে হবে। যেসব আপিলের নিষ্পত্তি হয়েছে, তাতে দেখা যায় যে বাদ পড়া ভোটারদের মধ্যে ৯০ শতাংশই ছিলেন বৈধ&rsquo;।</span></li> <li><span style="font-weight: 400;">&lsquo;লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সির নামে একটি হাস্যকর বিষয়কে সামনে রাখা হয়েছিল। ভারতের গরিব মানুষজনের জীবনযাপন সম্পর্কে কোনও ধারণাই নেই জ্ঞানেশ কুমারের। তাঁদের সন্তানরা হাসপাতালে জন্ম নেয় না। জন্মের শংসাপত্র থাকে না তাঁদের। ক্যালেন্ডার পর্যন্ত পাওয়া যায় না ঘরে। BLO-দের তরফে প্রশ্ন করা হলে অনুমানের ভিত্তিতে জন্মের একাট সাল বলে দেন. তাঁদের মা-বাবারও ঠিক একই কাজ করেছিলেন। জ্ঞানেশ কুমারের অধীনে নির্বাচন কমিশনের নির্বোধ আধিকারিকদের মনে হয়েছিল, মা-বাবা ও সন্তানের মধ্যে বয়সের ফারাক ১৫ বছরের কম হলে, তার ভিত্তিতে নাম বাদ দেওয়া যাবে। কোনও রকম তদন্ত ছাড়া, লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সিকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে বহু মানুষের&rsquo;।</span></li> <li><span style="font-weight: 400;">&lsquo;যাঁদের নাম সবচেয়ে বেশি বাদ গিয়েছে, তাঁরা দরিদ্র শ্রেণির, সুবিধা থেকে বঞ্চিত। জোরাল কণ্ঠস্বর নেই। জীবিকার জন্য বাইরে থাকেন, এখনও সেখানেই রয়েছেন। লক্ষ লক্ষ মানুষ দূরের কোনও রাজ্যে কাজ করেন। নাম তোলার জন্য এক মাসের ছুটি নিয়ে বাড়ি ফেরার সামর্থ্য ছিল না তাঁদের এবং এখনও নেই। কাজ না করলে অনাহারে থাকতে হবে তাঁদের। জটিল ফর্ম পূরণও করতে পারেন না তাঁরা। জন্মের শংসাপত্র বা নথিপত্রও নেই। একটি ভোটের জন্য কেন দৈনিক মজুরি বিসর্জন দিতে যাবেন&rsquo;?</span></li> </ul> <p><span style="font-weight: 400;"><strong>আরও পড়ুন: <a title="দাম বাড়বে স্মার্ট ফোনের টেম্পার্ড গ্লাসের? নয়া নিয়ম কেন্দ্রের, কত প্রভাব পড়বে পকেটে?" href="https://ift.tt/e7CyRqJ" target="_self">দাম বাড়বে স্মার্ট ফোনের টেম্পার্ড গ্লাসের? নয়া নিয়ম কেন্দ্রের, কত প্রভাব পড়বে পকেটে?</a></strong></span></p> <ul> <li><span style="font-weight: 400;">&lsquo;বেআইনি অভিবাসীদের কোনও ক্ষতিই হয়নি এতে। ভারতে ঢোকার পর সবার আগে প্রয়োজনী নথি, আধার, রেশন কার্ড তৈরি করে নেন তাঁরা। অনেক আগে এখানে ঢুকে পড়া অভিবাসীরা তাঁদের সাহায্য়ও করেন। আসলে ভারতের দরিদ্র নাগরিকই SIR-এ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের নির্বোধ কর্মকর্তা এবং তাঁদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিশয়টি বুঝতেই পারেননি। অথবা চেয়েছিলেন এমনটাই হোক&rsquo;।</span></li> <li><span style="font-weight: 400;">&lsquo;জ্ঞানেশ কুমার একটি ডিজিটাল ভোটার তালিকা তৈরি করেছেন এবং লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সির নামে নতুন নাম অন্তর্ভুক্তির আবেদন প্রত্যাখ্যান করার ক্ষমতা দিয়েছেন সেই ব্যবস্থাকে, যা আইনবিরুদ্ধ। আইনত ভোটার তালিকায় নাম যুক্ত করা বা নাম বাদ দেওয়া, তালিকা প্রকাশের অধিকার শুধুমাত্র ERO-দের। এক্ষেত্রে ভোটার তালিকা তৈরির কাজটি কেন্দ্রীয় ভাবে সম্পাদিত হয়, যা সম্পূর্ণ বেআইনি&rsquo;।</span></li> <li><span style="font-weight: 400;">&lsquo;দুই কমিশনার জাবনিয়েছেন, ভোটার তালিকা সংশোধন বা নাম সংযোজন ও বিয়োজনের আইনি এক্তিয়ার রয়েছে যাঁদের, সেই ERO, DEO, CEO-দের ভোটার তালিকা দেখার বা তা নিয়ে কাজের সুযোগই দেওয়া হচ্ছিল না। গোয়ায় ERO ৯৭ জন ভোটারকে বৈধ বলে চিহ্নিত করার পরও আজও তাঁরা তালিকায় নাম তুলতে পারেননি&rsquo;।</span></li> <li><span style="font-weight: 400;">&lsquo;ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়াটির কেন্দ্রীয়করণ বিপজ্জনক। NDA-র বিরুদ্ধে ভোট দেওয়া বুথগুলিকে তালিকা থেকে বাজ দেওয়ার কাজে তালিকার অপব্যবহার হতে পারে। বাস্তবে কি সেটাই ঘটেছে&rsquo;?</span></li> <li><span style="font-weight: 400;">&lsquo;যাচাই এবং বাছাইয়ের আগে ভোটারদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া একটি গুরুতর অপরাধ। এর জন্য দায়ী জ্ঞানেশ কুমার&rsquo;।</span></li> <li><span style="font-weight: 400;">&lsquo;SIR-এর মাধ্যমে ১৩ কোটির নাম বাদ দেওা হয়েছে, যা মোট ভোটারের ১৩ শতাংশ। প্রক্রিয়াটি এখনও শেষ হয়নি। ২০২৪ সালে নির্বাচনে NDA এবং INDIA জোটের মধ্যে ভোটের ব্যবধান ছিল মাত্র ৩ শতাংশ। সুতরাং নাম বাদ দেওয়ার বিষয়টি <a title="নির্বাচনের ফলাফল" href="https://ift.tt/jl9SXLk" data-type="interlinkingkeywords">নির্বাচনের ফলাফল</a>ের উপর গুরুতর প্রভাব ফেলেছে এবং ভবিষ্যতেও ফেলবে&rsquo;।</span></li> <li><span style="font-weight: 400;">&lsquo;২৬ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশনের বৈঠকের পর প্রকাশিত বিবৃতি বেআইনি কার্যকলাপে সিলমোহর দেয়&rsquo;।</span></li> <li><span style="font-weight: 400;">&lsquo;জ্ঞানেশ কুমার কি নিজে থেকেই বেআইনি কাজ করেছেন? না কি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে করেছেন&rsquo;?</span></li> <li><span style="font-weight: 400;">&lsquo;বিরোধী দলগুলি বলছে, তারা জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনবে। এটি নিরর্থক একটি চেষ্টা। সত্যিকারের প্রতিকার চাইলে ফৌজদারি মামলা দায়ের করা উচিত জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে&rsquo;।</span></li> <li><span style="font-weight: 400;">&lsquo;সমস্ত বিরোধী দলগুলিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তাদের দাবি তোলা উচিত যে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনারদের পদত্যা, উত্তরাধিকারী নির্বাচন প্রক্রিয়াটি আগের মতো রাখতে হবে, অর্থাৎ নির্বাচন কমিটিতে আগের মতো প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলনেতা এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিকে রাখতে হবে। অন্যথায় কোনও নির্বাচনে অংশ নেবে না তারা। যে সব রাজ্যে লক্ষ লক্ষ ভোটারের আবেদন বিচারাধীন থাকাকালীনই নির্বাচন হয়েছে, সেখানবে সেখানে আবার নির্বাচন করানো উচিত। EVM-এর পরিবর্তে ভোট হোক ব্যালটে। এখনও পর্যন্ত এমন কোনো বৈদ্যুতিন ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হয়নি, যা হ্যাক করা যায় না। এই কারণেই অর্থনৈতিক এবং ডিজিটাল প্রযুক্তিতে উন্নত দেশগুলি EVM ব্যবহার করে না&rsquo;।</span></li> <li><span style="font-weight: 400;">&lsquo;গণতন্ত্রকে বাঁচাতে চাইলে গোটা দেশকে সচেতন হতে হবে, একজোট হতে হবে। SIR সংক্রান্ত রায়ের ফলে সুপ্রিম কোর্টের সুনাম নষ্ট হয়েছে। কুখ্যাতি বোঝানোর ক্ষেত্রে জরুরি অবস্থা বজায় রাখার সেই বিতর্কিত রায়েরই সমতুল্য। আশাকরি মাননীয় বিচারপতিরা বিষয়টি বিবেচনা করে দেখবেন&rsquo;।</span></li> <li><span style="font-weight: 400;">&lsquo;নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইনের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে যে মামলা হয়েছিল, তার শুনানি নিয়ে গড়িমসি করায় <a title="সুপ্রিম কোর্ট" href="https://ift.tt/O8dBKmZ" data-type="interlinkingkeywords">সুপ্রিম কোর্ট</a> সম্পর্কে নেতিবাচক বার্তা যাচ্ছে। নির্বাটন কমিশনারদের নিরপেক্ষতা সুনিশ্চিতকরণের জন্যই ক্ষমতাসীন দলের দ্বারা তাঁদের নিয়োগ হওয়া উচিত নয়। নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিটির মাধ্যমে নিয়োগ হওয়া উচিত। আসুন গণতন্ত্র রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হই আমরা&rsquo;।</span></li> </ul> <p><span style="font-weight: 400;"><iframe title="YouTube video player" src="https://www.youtube.com/embed/PKwLsAu-z10?si=CREnlsubbM69ONas" width="560" height="315" frameborder="0" allowfullscreen="allowfullscreen"></iframe></span></p>

from india https://ift.tt/hJgXlwy
via IFTTT

Post a Comment

0 Comments