Kerala News : লটারি কেটে ৩০ কোটি টাকার পুরস্কার, ২০ জনকে দ্বিতীয় পুরস্কার কোটি টাকা করে

<p>ভাগ্যে 'জ্যাকপট' লাগা বোধহয় একেই বলে। লটারি কেটে ৩০ কোটি টাকা পেলেন প্রথম পুরস্কার বিজেতা। কেরলের কান্নুর জেলার চক্রকালে এক এজেন্সির কাছ থেকে কাটা হয়েছিল ওই লটারি। থিরুভোনাম বাম্পার লটারির ওই টিকিট ভাগ্য ঘুরিয়ে দিতে চলেছে লটারি জয়ীর। শনিবার এই খবর সামনে আসে।&nbsp;</p> <p>রাজ্য লটারি দফতর সূত্রের খবর, লটারি জয়ীকে এখনও শনাক্ত করা যায়নি। টিকিটটির নম্বর TL 360615। এই টিকিটের ক্রেতাই গোর্কি ভবনে হওয়া লটারি প্রতিযোগিতায় জয়ী হয়েছেন। এর পরিচালনা করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী কে মুরলীধরন। লটারির মূল্য ৫০০ টাকা । এ বছর ৯০ লক্ষ লটারি ছাপিয়েছিল থিরুভোনাম বাম্পার লটারি। সবগুলিই বিক্রি হয়ে গিয়েছিল।&nbsp;</p> <p>আরও চমকপ্রদ তথ্য হচ্ছে, দ্বিতীয় পুরস্কার জয়ী ২০ জনকে এক কোটি টাকা পুরস্কার বাবদ দেওয়া হবে। তৃতীয় পুরস্কার পেতে চলেছেন আরও ২০ জন। প্রত্যেকে পাবেন ২৫ লক্ষ টাকা করে। ১০ জন চতুর্থ পুরস্কার জয়ী ৫ লক্ষ টাকা করে পেতে চলেছেন। পঞ্চম পুরস্কারজয়ী ১০ জন ২ লক্ষ করে টাকা । অন্যান্য আরও পুরস্কার মূল্য ৫ হাজার টাকা, ২ হাজার টাকা, ১ হাজার টাকা ও ৫০০ টাকা। আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ৯ জন শান্তনা পুরস্কার পেতে চলেছেন। যারা ৫ লক্ষ টাকা করে পাবেন।&nbsp;</p> <p>২০২২ সালে টিকিট কেটে ভাগ্য ঘুরে গিয়েছিল এ রাজ্যের এক পান দোকানির।</p> <p>দিন-আনা-দিন-খাওয়া... জীবনে এটাই ছিল বাস্তব। কিন্তু ছেঁড়া কাঁথায় শুয়ে লাখ টাকার স্বপ্ন দেখার অভ্যাসটা কখনই ছাড়েননি। কোটি টাকার পুরস্কার জিতেছিলেন মালদার ( Malda ) &nbsp;হরিশ্চন্দ্রপুরের এক পান বিক্রেতা। &nbsp; &nbsp;</p> <p>টিকিট কাটার আধ ঘণ্টার মধ্যে পান দোকানি থেকে কোটি টাকার মালিক হয়ে যান। কোটিপতি। পিপলা গ্রামের বাসিন্দা মাত্র ৩০ টাকা দিয়ে লটারির টিকিট কেটেছিলেন। পিন্টু সাহা নামে এক ব্যক্তি ও তাঁর শ্যালক কৃষ্ণ দাস উভয়েই কাটেন টিকিট। ফলাফল বেরোলে দেখা যায়, এক কোটি টাকার পুরস্কার জেতেন তাঁরা। লটারির ফল দেখে চক্ষু চড়কগাছ হয়ে ওঠে।</p> <p>রাতারাতি ভাগ্য বদলে হতবাক ভগ্নিপতি ও শ্যালক নিরাপত্তার কথা ভেবে ছুটে যান হরিশ্চন্দ্রপুর থানায়। পুলিশের তরফে নিরাপত্তার আশ্বাস দেওয়া হয়। হরিশ্চন্দ্রপুর থানার অন্তর্গত পিপলা গ্রামের বাসিন্দা পিন্টু সাহার একটি ছোট পানের দোকান । সেই দোকান থেকেই অতি কষ্টে আসত সংসার খরচ । আর্থিক প্রতিবন্ধকতার সঙ্গে সংগ্রাম করে দৈনন্দিন জীবন চালাতে হতো। তবে জীবনের লড়াইয়ে কখনো হার মানেনি পিন্টু। সংসার চালাতে সব সময় কঠোর পরিশ্রম করেছেন। আর তার সেই দৈনন্দিন সংগ্রামে তার পাশে থাকতেন শ্যালক কৃষ্ণ দাস। রাতারাতি ভাগ্য বদলে যায় শ্যালক এবং ভগ্নিপতির। &nbsp;</p>

from india https://ift.tt/geVQw8U
via IFTTT

Post a Comment

0 Comments

Road Accident: স্টিয়ারিংয়ে বসে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন চালক, ক্ষণিকের ভুলে চরম পরিণতি, শেষ মা-বাবা, ৩ বছরের সন্তান