Oppositions Protest : ১ নভেম্বর বিরোধী শিবিরের কর্মসূচি দিল্লিতে, নিরাপত্তায় বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের

<p><strong>নয়াদিল্লি :</strong> সপ্তাহান্তে রামলীলা ময়দানে বিরোধী শিবিরের সমাবেশ। এর পাশাপাশি কিছু গোষ্ঠীর হঠাৎ বিক্ষোভ প্রদর্শনের আশঙ্কাও রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দিল্লিতে ২৭০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (CAPF)-র মোতায়েনের মেয়াদ তৃতীয়বারের মতো বাড়ানো হল। ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত তা বাড়ানো হয়েছে। চলতি মাসের শুরুর দিকে ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র বিক্ষোভ কর্মসূচির সময় এই বাহিনীগুলিকে দিল্লিতে আনা হয়েছিল।&nbsp;</p> <p>স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক বৃহস্পতিবার জানিয়েছে যে, রবিবার রামলীলা ময়দানে &lsquo;ইন্ডিয়া&rsquo; জোটের সমাবেশ, কিছু সংগঠনের হঠাৎ বিক্ষোভের সম্ভাবনা এবং উৎসবের মরশুমে আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার প্রয়োজনে দিল্লিতে ২৭০ কোম্পানি বাহিনীর মোতায়েনের মেয়াদ ৩১ অক্টোবর থেকে বাড়িয়ে ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে। পিটিআইকে জানিয়েছে সূত্র।</p> <p>সূত্র জানিয়েছে, দিল্লি পুলিশের হাতেই এই সিএপিএফ (CAPF) ইউনিটগুলিকে ন্যস্ত করা হয়েছে এবং তাদের মোতায়েন প্রক্রিয়ার সমন্বয় করার দায়িত্বও দিল্লি পুলিশকেই দেওয়া হয়েছে। দিল্লি পুলিশের অনুরোধেই এই সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।</p> <p>চলতি মাসে আরও দু'বার একইভাবে সময়সীমা বাড়ানো হয়েছিল। 'ভোট চুরি'-র প্রতিবাদে কংগ্রেস &lsquo;ইন্ডিয়া&rsquo; (INDIA) জোটের ব্যানারে &lsquo;চলো দিল্লি মার্চ&rsquo;-এর ডাক দিয়েছে, যা ১ নভেম্বর মধ্য দিল্লির রামলীলা ময়দানে গিয়ে শেষ হবে। স্থানীয় পুলিশের পাশাপাশি দিল্লিতে মোতায়েন থাকা মোট ২৭০ কোম্পানি বাহিনীর মধ্যে রয়েছে- সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স (CRPF)-এর ১২৫ কোম্পানি (যার মধ্যে ১৭টি মহিলাকর্মীদের ইউনিট রয়েছে), র&zwj;্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (RAF)-এর ২০ কোম্পানি, বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (BSF)-এর ৪৬ কোম্পানি, ইন্দো-তিব্বত বর্ডার পুলিশ (ITBP)-এর ৩৯ কোম্পানি, সশস্ত্র সীমা বল (SSB)-এর ৩১ কোম্পানি এবং সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স (CISF)-এর ১২ কোম্পানি।</p> <p>একটি সিএপিএফ (CAPF) কোম্পানির অনুমোদিত কর্মীর সংখ্যা ১০০ জন হলেও, বাস্তবে তাদের কার্যকর জনবল থাকে প্রায় ৭০-৭২ জন। ৯ অক্টোবর দিল্লির কিছু অংশে সিজেপি (CJP)-র পক্ষ থেকে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়েছিল। সেখানে নির্বাচনী তালিকার &lsquo;বিশেষ নিবিড় সংশোধন&rsquo; (Special Intensive Revision বা SIR) প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (CEC) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করা হয়। পরবর্তী সময়ে বিরোধী দলগুলিও একই দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে। এছাড়া ১৬ অক্টোবর সিজেপি &lsquo;লেহরা দো তিরঙ্গা&rsquo; কর্মসূচিও পালন করে। সংগঠনটি &lsquo;ইন্ডিয়া&rsquo; (INDIA) জোটের বিক্ষোভ কর্মসূচির প্রতিও সমর্থন জানিয়েছে।</p>

from india https://ift.tt/pvFu73E
via IFTTT

Post a Comment

0 Comments