India-China Conflict: লাদাখের পর কাশ্মীরেও নজর চিনের, শকসগাম উপত্যকাকে নিজেদের বলে দাবি, সুবিধা করে দিচ্ছে পাকিস্তান?

<p><span style="font-weight: 400;"><strong>নয়াদিল্লি:</strong> লাদাখ এবং অরুণাচল প্রদেশের পর এবার কি জম্মু ও কাশ্মীরের উপরও নজর চিনের? তাদের সাম্প্রতিক পদক্ষেপে এমনই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। জম্মু ও কাশ্মীরের শকসগাম উপত্যকাকে এবার নিজেদের এলাকা বলে দাবি করল বেজিং। ভারত সেই দাবি খারিজ করলেও, নিজেদের অবস্থানে অনড় তারা। সেখানে নির্মাণকার্য চালিয়ে যাবে বলেই জানিয়ে দিল। (Shaksgam Valley Row)</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">শকসগাম উপত্যকা একটি বিতর্কিত এলাকা। এর উত্তর অংশের সঙ্গে চিনের শিনজিয়াং প্রদেশের সীমান্ত পড়ে। দক্ষিণ এবং পশ্চিমে পাক অধিকৃত কাশ্মীর কয়েছে। পূর্বে রয়েছে সিয়াচেন হিমবাহ। শকসগাম উপত্যকা নিয়ে ভারত, চিন ও পাকিস্তানের মধ্যে বহু দিন ধরেই মতবিরোধ। আর সেখানেই চিনের তরফে ব্যাপক নির্মাণকার্য শুরু হয়েছে। বিরাট পরিকাঠামো গড়ে তুলছে তারা। (India-China Conflict)</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">গত ৯ জানুয়ারি সেই নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানায় দিল্লি। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়ে দেন, জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কোনও ভাবেই ওই দুই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে ভারতের থেকে পৃথক করা যাবে না। বারংবার সেকথা জানানো হয়েছে পাকিস্তান ও চিনকে। চিনের তরফে যদিও ১৯৬৩ সালের চিন-পাকিস্তান সীমান্ত চুক্তির দোহাই দেওয়া হয়, যার আওতায় শকসগাম উপত্যকার ৫ হাজার ১৮০ বর্গ কিলোমিচার এলাকা চিনের হাতে তুলে দেয় পাকিস্তান। ওই চুক্তি চিন এবং পাকিস্তানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ওই চুক্তির জেরেই তাদের মধ্যে প্রত্যক্ষ সীমান্ত গড়ে ওঠে, তার বাইরে দুই দেশের মধ্যে অন্য কোনও সীমান্ত অঞ্চল ছিল না। ওই চুক্তিতে আরও বলা ছিল যে, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কাশ্মীর সমস্যার সমাধান ঘটলে, সংশ্লিষ্ট সার্বভৌম দেশের তরফে সীমান্ত নিয়ে আলাদা চুক্তি হবে।</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">কিন্তু পাক অধিকৃত কাশ্মীরই যেখানে বেআইনি ভাবে দখল করে রেখেছে চিন, সেখানে শকসগাম উপত্যকা চিনের হাতে তুলে দেওয়ার ক্ষমতা পাকিস্তানের নেই বলে বরাবর দাবি করে আসছে ভারত। তাই রণধীর পরিষ্কার ভাষায় জানিয়ে দেন, শকসগাম উপত্যকা ভারতের ভূখণ্ডের অংশ। ১৯৬৩ সালের ওই তথাকথিত চিন-পাকিস্তান সীমান্ত চুক্তিকে স্বীকৃতিই দেয়নি দিল্লি। চিন যদিও বারতের এই আপত্তিকে গুরুত্ব দিতেই নারাজ।&nbsp;</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">আর তাই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন চিনের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র মাও নিং। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে দিল্লির আপত্তি খারিজ করে দেন তিনি। বলেন, &ldquo;যে অঞ্চলের কথা বলা হচ্ছে, তা চিনের অংশ। তাই নিজেদের ভূখণ্ডে পরিকাঠামো, নির্মাণকার্য চালানো একেবারে যুক্তিযুক্ত। ছয়ের দশকে চিন এবং পাকিস্তানের মধ্যে সীমান্তচুক্তি হয়, তাতে পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত নির্ধারিত হয়। সার্বভৌম দেশ হিসেবে চিন এবং পাকিস্তানের সীমান্ত নির্ধারণের সবরকম অধিকার আছে।&rdquo; চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর নিয়েও বরাবর আপত্তি জানিয়ে আসছে ভারত। যদিও মাওয়ের বক্তব্য, &ldquo;চিন-পাকিস্তান সীমান্ত চুক্তি এবং চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর কাশ্মীর নিয়ে বেজিংয়ের অবস্থানের উপর কোনও প্রভাব ফেলবে না। চিন আগের অবস্থানেই রয়েছে।&rdquo; রাষ্ট্রপুঞ্জের বিধি অনুযায়ী কাশ্মীর সমস্যা সমাধানের পক্ষে চিন। যদিও কাশ্মীর ইস্যুতে কোনও তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ চায় না ভারত।</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">সেই শকসগাম উপত্যকা নিয়ে নতুন করে টানাপোড়েন শুরু হয়েছে ভারত ও চিনের মধ্যে। ঘটনাচক্রে, এই মুহূর্তে ভারতেই রয়েছেন চিনের কমিউনিস্ট পার্টির ছয় প্রতিনিধি। একদিন আগে দিল্লিতে বিজেপি-র সদর দফতরে গিয়ে দলীয় স্তরে বৈঠকও করেন তাঁরা। সেই নিয়ে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। কংগ্রেসের তরফে তীব্র আক্রমণ করা হয়েছে বিজেপি-কে। দলের নেত্রী সুপ্রিয়া শ্রীনেতের বক্তব্য, 'জম্মু ও কাশ্মীরের শকসগাম বৈলীকে নিজেদের এলাকা বলে দাবি করে নির্মাণকার্য চালাচ্ছে চিন। লাদাখের পর ওখানে কী করে ঢুকল চিন? চিনের এই সাহস হল কী করে। আর বিজেপি নেতারা চিনের কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে বৈঠক করছে'! </span><span style="font-weight: 400;">এ নিয়ে বিজেপি-র তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি এখনও পর্যন্ত।&nbsp;</span></p>

from india https://ift.tt/0tFjSHh
via IFTTT

Post a Comment

0 Comments

Mamata Banerjee: আজ সুপ্রিম কোর্টে SIR মামলায় সওয়াল করবেন মমতা? পৌঁছবেন বেলা.....