<p><span style="font-weight: 400;"><strong>কানপুর:</strong> ভালবাসা অন্ধ হয় বলে শোনা যায়। ভালবাসার জন্য নিজেকেও সমর্পণ করে দেন অনেকে। কিন্তু ভালবাসার জন্য প্রাণই যেতে বসেছিল এক যুবকের। প্রেমিকার বাড়িতে কেউ নেই জেনে সেখানে হাজির হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেখান থেকে প্রাণ নিয়ে বেরিয়ে আসাই দুষ্কর হয়ে ওঠে। শেষ পর্যন্ত কোনও রকমে বেঁচে ফিরলেন। (Woman Hides Boyfriend in Trunk)</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">উত্তরপ্রদেশের কানপুর থেকে এই ঘটনা সামনে এসেছে। নিজেদের পাড়াতেই এক তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল তাঁদের। ওই যুবকের বাড়ির সাতটি বাড়ি পরই ছিল তরুণীর বাড়ি। শুক্রবার সকালে তরুণীর বাড়ির সকলে কাজে বেরিয়ে যান। এমন সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করতে চাননি ওই তরুণী। ফোন করে ওই যুবককে বাড়িতে আসতে বলেন তিনি। (Uttar Pradesh News)</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">দুপুর নাগাদ তরুণীর বাড়িতে এসে পৌঁছন ওই যুবক। কিন্তু গোল বাঁধান তরুণীর এক আত্মীয়া। একেবারে পাশেই বাড়ি তাঁর। তরুণীর ঘর থেকে অদ্ভুত শব্দ আসছিল বলে মনে হয় তাঁর। সেই মতো পুলিশেও খবর দেন ওই আত্মীয়া। বাইরে থেকে কেউ বাড়িতে ঢুকে পড়েছে বলে পুলিশকে জানান। এর পর নিজে গিয়ে দরজায় টোকা দেন। এমতাবস্থায় প্রেমিক ঢুকতে বলে বাইরে থেকে তালা ঝুলিয়ে দেন ওই তরুণী। </span></p> <p><span style="font-weight: 400;">এর পরওই তরুণী দরজা খুলে আত্মীয়ার মুখোমুখি হন। কোথাও কোনও সমস্যা নেই বলে জানান তিনি। কিন্তু ওই আত্মীয়া তাঁর কথায় ভরসা করতে পারছিলেন না। বাইরে থেকে মূল দরজায় তালা দিয়ে বেরিয়ে যান তিনি। তরুণীর মা এবং দাদাকে ফোন করে ডাকেন। তাঁকে বলতে শোনা যায়, “আমি ঢুকতে দেখলাম বাড়িতে! হাওয়ায় তো আর উবে যেতে পারে না!”</span></p> <blockquote class="twitter-tweet"> <p dir="ltr" lang="hi">असली ब्वॉयफ्रेंड यही होते हैं 😆<br /><br />गर्लफ्रेंड से मिलने उसके घर गए लेकिन उसी समय घर वाले भी आ गए <br /><br />आनन फानन में गर्लफ्रेंड ने कथरी रखने वाले बक्से में बन्द कर दी 😆<br /><br />अन्दर जब छटपटाने लगे तो लोगों को शक हुआ की आवाज कहां से आ रही है 😆<br />फिर भेद खुला 🤣<a href="https://t.co/nut2REHxE4">pic.twitter.com/nut2REHxE4</a></p> — रवि शुक्ल 🚩 (@shukla_54) <a href="https://twitter.com/shukla_54/status/2014733337911558203?ref_src=twsrc%5Etfw">January 23, 2026</a></blockquote> <p><span style="font-weight: 400;">এর কিছু ক্ষণের মধ্যেই ওই তরুণীর পরিবারের লোকজন বাড়িতে এসে পৌঁছন। খোঁজাখুঁজি শুরু হয় সর্বত্র। আলমারি থেকে খাটের নীচ, ছাদ, বাথরুম, তন্ন তন্ন করে খোঁজা হয়। এভাবে প্রায় ৪৫ মিনিট কেটে যায়। আচমকাই ধাতব ট্রাঙ্কের ভিতর থেকে শব্দ শুনতে পান তাঁরা। মেয়ের কাছে ট্রাঙ্কের চাবি চাওয়া হয়। ওই তরুণী জানান, ট্রাঙ্কে তাঁর জামাকাপড় রয়েছে। চাবি দিতে পারবেন না তিনি। </span></p> <p><span style="font-weight: 400;">তত ক্ষণে বাড়িতে এসে পৌঁছয় পুলিশও। পুলিশ দেখে ভয়ে ভয়েই ট্রাঙ্কের চাবি পরিবারের হাতে তুলে দেন ওই তরুণী। আর তালা খুলতেই টলতে টলতে ভিতর থেকে বেরিয়ে আসেন ওই যুবক। তত ক্ষণে ঘেমেনেয়ে একাকার তিনি। শ্বাসকষ্ট শুরু হয়ে গিয়েছে। হাঁ করে যতটা সম্ভব বাতাস গিলে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। প্রায় অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা ছিল ওই যুবকের। চোখের সামনে ওই দৃশ্য দেখে হতভম্ব হয়ে যায় মেয়েটির পরিবার। অন্য দিকে, হাসি চাপতে পারেনি পুলিশ।</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">গোটা ঘটনা বুঝতে পেরে ওই যুবককে মারতে উদ্যত হন মেয়েটির পরিবারের সদস্যরা। পুলিশকে সেই পরিস্থিতিতে হস্তক্ষেপ করতে হয়। মেয়েটির পরিবার জানায়, ছেলেটির সঙ্গে মেয়েটিকেও নিয়ে যেতে পারে পুলিশ। দু’জনকেই জেলে পুরে দিতে পারে। সেই সময়ের জন্য দু’জনকে সরিয়ে নিয়ে যায় পুলিশ। পরে যুবকের বিরুদ্ধে ‘শান্তিভঙ্গে’র মামলা দায়ের হয়। পুলিশ জানিয়েছে, মেয়েটির পরিবার অভিযোগ জানালে এব্যাপারে কড়া পদক্ষেপ করা হবে।</span></p>
from india https://ift.tt/I58X96K
via IFTTT
0 Comments