<p>Uttar Pradesh News: হাড়হিম করা ঘটনা উত্তর প্রদেশের ঝাঁসিতে। নিজের লিভ-ইন পার্টনারকে খুন করার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অভিযোগ, খুনের পর মৃতদেহ একটি ধাতব ট্রাঙ্কের মধ্যে ভরে তা জ্বালিয়ে দিয়েছে ওই ব্যক্তি। এখানেই শেষ নয়। প্রমাণ লোপাটের জন্য ওই অভিযুক্ত যাবতীয় ছাই ভাসিয়েছে দিয়েছে নদীতে। আদতে অভিযুক্তর পরিকল্পনা ছিল ওই ট্রাঙ্কটি নিজের দ্বিতীয় স্ত্রী'র বাড়িতে চালান করবে। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্ত একজন অবসরপাত্র রেলকর্মী। ২ বার বিয়ে হয়েছে তার। সেই সঙ্গে একটি লিভ-ইন সম্পর্কেও যুক্ত ছিল অভিযুক্ত ব্যক্তি। কিন্তু চলতি মাসের শুরুর দিকে ৩৫ বছর বয়সী সেই লি-ইন পার্টনারকেই খুন করেছে অভিযুক্ত। </p> <p>প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ সূত্রে খবর, সম্ভবত মৃত মহিলা এই ব্যক্তির থেকে বিপুল পরিমাণ টাকার দাবি জানিয়েছিলেন। এই মহিলা আগেও অভিযুক্তের থেকে কয়েক লক্ষ টাকা বাগিয়েছিলেন বলে তদন্তে জানতে পেরেছে পুলিশ। অনুমান, আবারও বিপুল পরিমাণে টাকা চাওয়ার কারণেই সম্ভবত লিভ ইন পার্টনার প্রীতিকে খুন করেছে রাম সিং পরিহার নামের ওই অভিযুক্ত। পুলিশ সূত্রে খবর, একই শহরে থাকেন অভিযুক্তের প্রথম এবং দ্বিতীয় স্ত্রী। আর দ্বিতীয়বার বিয়ের পরেও বিবাহ বহির্ভূত আরও একটি সম্পর্কে জড়িয়েছিল অভিযুক্ত। </p> <p>পুলিশ সূত্রে খবর, প্রীতিকে খুন করার পর একটি ধাতব ট্রাঙ্কে তাঁর দেহ ভরে তা জ্বালিয়ে দেয় রাম সিং পরিহার। মৃতদেহ পুরো পুড়ে গেলে একটি বস্তায় সমস্ত ছাই সংগ্রহ করে সে। তারপর সেই ছাই ভর্তি বস্তা ফেলে দেয় নদীতে। উদ্দেশ্য ছিল একটাই। প্রমাণ লোপাট করে অপরাধ লুকিয়ে যাওয়া। প্রীতির বাকি যা জিনিসপত্র ছিল সেগুলি ওই ট্রাঙ্কে ভরেই দ্বিতীয় স্ত্রী গীতার বাড়িতে পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল অভিযুক্ত রাম সিং পরিহারের।</p> <p>পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্তের প্রথম স্ত্রী থাকেন ঝাঁসির সিপরি বাজার এলাকায়। আর দ্বিতীয় স্ত্রী'ও থাকেন ওই একই শহরের সিটি কোতয়ালি এলাকায়। একই শহরে থাকে অভিযুক্তের প্রথম ও প্রাক্তন এবং দ্বিতীয় স্ত্রী। আবার সেই একই জায়গাতেই লিভ-ইন সম্পর্কও চালাচ্ছিল অভিযুক্ত। রাম সিং পরিহারের কীর্তিকলাপ দেখে চমকে গিয়েছেন দুঁদে পুলিশকর্তারাও। কেন অভিযুক্ত এমন নৃশংস ভাবে নিজের লিভ-ইন পার্টনারকে খুন করল, এর পিছনে ঠিক কী কী কারণ রয়েছে, আর কেউ যুক্ত রয়েছে কিনা, সব দিক খতিয়ে দেখতেই জোরকদমে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। </p>
from india https://ift.tt/9IRa3F5
via IFTTT
0 Comments