<p><strong>নয়াদিল্লি:</strong> বন্ধ হরমুজ প্রণালী, সঙ্কট কাটাতে দিল্লির পাশে মস্কো। ৯৫ লক্ষ ব্যারেল তেল নিয়ে ভারতীয় জলসীমার কাছে রুশ নৌবহর, গন্তব্য বদলে দিল্লিমুখী হতে তৈরি রাশিয়া। ভারতের জলসীমার আশপাশেই রয়েছে রাশিয়ার প্রায় ৯৫ লক্ষ ব্যারেল তেল। দিল্লি চাইলে ওই তেলের গন্তব্য বদলে ভারতমুখী করে দিতে রাজি মস্কো। সূত্র মারফত এমনটাই জানাচ্ছে রয়টার্স। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই সেগুলি ভারতে পৌঁছে যেতে পারে, খবর সূত্রের।</p> <p>[yt]https://youtu.be/e4GqOaTYRzM?si=xTM6oojNG4Lh7xRs[/yt]</p> <p>আরও পড়ুন,<a title=" " href="https://ift.tt/7sAqInQ" target="_self"> "পূর্ণ শক্তিতে আক্রমণ চালাবে ইজরায়েল..", হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর ! এবার বড় দাবি চিনের</a></p> <p>ইরান ও আমেরিকা-ইজরায়েলের যুদ্ধ পঞ্চম দিনে উত্তপ্ত হয়ে উঠল হরমুজ প্রণালী। আগেই চিন ও রাশিয়া ছাড়া অন্য কোনও দেশের জাহাজকে নিষিদ্ধ করেছিল ইরান। সেই হুমকি উপেক্ষা করায় ১০ টি তেলবাহী জাহাজের ওপর হামলা চালাল ইরান। বিশ্বের ২০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল সরবরাহের রুট এই হরমুজ প্রণালী। তা কার্যত বন্ধ হওয়ায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানির সরবরাহ নিয়ে শুরু হয়েছে আশঙ্কা। <br /> <br />শেষ দেখে ছাড়ার হুমকি দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প! হামলা জারি রেখেছে ইজরায়েল!কিন্তু দুই সুপার পাওয়ারের সামনে, শেষ রক্তবিনদু দিয়ে লড়াই চালানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানও!ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি, তিনি ইরানের আলোচনার বার্তা খারিজ করে দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য়, "আগে ইরানের সামরিক শক্তিকে শেষ করতে হবে, তারপর দেখা যাবে।" পাল্টা সুর নরম করতে রাজি নয় ইরানও। ইরানের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলি লারিজানি বলেছেন, ইরান আমেরিকার সঙ্গে কোনও কথা বলবে না। এই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির মধ্য়ে ক্রমশ উত্তপ্ত হচ্ছে হরমুজ প্রণালীর পরিস্থিতি! হরমুজ প্রণালী দিয়ে অপরিশোধিত তেল-সহ বিভিন্ন দ্রব্যের সরবরাহ বন্ধের হুমকি দিয়েছে ইরান! একমাত্র রাশিয়া ও চিনকে এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে রেখেছে তেহরান। ইতিমধ্যেই হুমকি উপেক্ষা করায় ১০টি তেলবাহী ট্যাঙ্কারের ওপর হামলা চালিয়েছে ইরান! ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে হু হু করে বাড়তে শুরু করেছে অপরিশোধিত তেলের দাম!<br /> <br />যুদ্ধ শুরুর আগে আন্তর্জাতিক বাজারে ২৮ ফেব্রুয়ারি অপরোশিধত তেলের দাম ছিল ব্যারেল প্রতি ৬৫ ডলার। দোসরা মার্চ সেই দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৭১ ডলারের কাছাকাছি। আর বুধবার সেটাই বেড়ে হয়েছে ৮৩.৮৮ ডলার প্রতি ব্যারেল। এই যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে অপরিশোধিত তেলের দাম ২০০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞরা। এমনটা হলে ভারতের কপালেও চিন্তার ভাঁজ পড়তে বাধ্য়। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে ভারতের আর্থিক ঘাটতি এবং টাকার স্থিতিশীলতা—সব ক্ষেত্রেই চাপ বাড়তে পারে। আন্তর্জাতিক অপরিশোধিত খনিজ তেল সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট রুট 'হরমুজ প্রণালী' বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মঙ্গলবার পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালীর দু'দিকে ৭০০-রও বেশি জাহাজ দাঁড়িয়ে রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৫০ শতাংশই তেল ভর্তি অবস্থায় রয়েছে। </p> <p> </p>
from india https://ift.tt/d9f2IYw
via IFTTT
0 Comments