LPG Crisis : জ্বালানি ব্যবহার কমান, দেশজুড়ে LPG সংকটের আবহে রেস্তোরাঁ ব্যবসায় একাধিক উপদেশ NRAI-এর

<p><strong>নয়াদিল্লি :</strong> পশ্চিম এশিয়ায় ইরানের সঙ্গে ইজরায়েল-আমেরিকার বাহিনীর যুদ্ধকে কেন্দ্র করে মহাসংকট তৈরি হয়েছে। ভারতে গ্য়াস-তেলের আকাল ! এই আবহে এবার সদস্য রেস্তোরাঁগুলির উদ্দেশ্যে উপদেশাবলী জারি করল NRAI বা ন্যাশনাল রেস্তোরাঁ অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া। তাতে রান্নার গ্যাসের কমসাম্পশন কমাতে বলা হয়েছে। কমাতে বলা হয়েছে মেনু। যেহেতু গ্যাস সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটেছে তাই রান্নার বিকল্প পদ্ধতিও খুঁজে বের করার আর্জি জানানো হয়েছে। ১০ মার্চ জারি করা উপদেশাবলীতে রেস্তোরাঁগুলিকে জ্বালানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে সংগঠনের তরফে। যার মধ্যে রয়েছে- কম গ্যাস ব্যবহার হয় এমন খাবারকে অগ্রাধিকার দিতে বলা হয়েছে, জ্বালানি বেশি খরচ হবে এমন আইটেম মেনুতে আপাতত স্থগিত রাখা এবং যেখানে সম্ভব বৈদ্যুতিক বা ইন্ডাকশন-ভিত্তিক রান্নার সরঞ্জামে স্যুইচ করা। NRAI তাদের উপদেশাবলীতে বলেছে, চলতে থাকা ভূ-রাজনৈতিক ঘটনাবলীর কারণে বাণিজ্যিক এলপিজির সরবরাহ ব্যবস্থায় মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটেছে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে এবং সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমলে, রেস্তোরাঁ শিল্প গুরুতর চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে।</p> <p>আমেরিকা-ইজরায়েলের হঠাৎ ইরানকে আক্রমণ। পাল্টা ইরানের নাছোড় মনোভাব। প্রত্যঘাতা। &nbsp;সব মিলিয়ে সঙ্কটে গোটা বিশ্ব। বাঙালির ঘরে-বাজারে, চায়ের দোকানে, এখন আলোচনা হরমুজ প্রণালী নিয়ে...। ট্রাম্প-নেতানিয়াহু-খামেনেইকে নিয়ে। যুদ্ধবাজ-কট্টরপন্থী-দখলদারদের নিয়ে। তার কারণ বাঙালির হেঁশেল আগুন লাগিয়ে দিয়েছে পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ। মোদি সরকার দাবি করছে, অল ইজ ওয়েল। কিন্তু, সত্য়িই কি তাই ? সবার মনে ভয় গ্য়াস সিলিন্ডার পাব তো ? রান্না হবে তো ? কলকাতা থেকে জেলা গ্য়াস ডিস্ট্রিবিউটরদের অফিসের সামনে লম্বা লাইন। মুখে ভয়ের ছাপ। কোচবিহারের এক গ্রাহক মধুসূদন কর্মকার বলেন, "৩ তারিখে গ্যাস বুক করা আছে, আজকে ১০ তারিখ। এখনও গ্যাস পৌঁছয়নি বাড়িতে।"</p> <p>ট্রাম্প-নেতানিয়াহু-ইরান দুপক্ষই তেলের ডিপোয় আক্রমণ শুরু করায় ভারতে গ্য়াস-তেলের আকাল। এই পরিস্থিতিতে গেজেট বিজ্ঞপ্তি জারি করে, অত্য়াবশ্য়কীয় পণ্য আইন জারি করেছে মোদি সরকার। এই আইনের আওতায় বেআইনি মজুত এবং কালোবাজারি আটকাতে, নির্দিষ্ট কিছু পণ্যের উৎপাদন, সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করা যায়। আইন অনুযায়ী, অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের তালিকায় রয়েছে পেট্রোলিয়াম এবং পেট্রোপণ্য। কেন্দ্রের গেজেট বিজ্ঞপ্তিতে অগ্রাধিকারের তালিকা ঠিক করে দেওয়া হয়েছে। যার মধ্য়ে প্রথমে রয়েছে, বাড়িতে ব্য়বহৃত পাইপ্ড ন্য়াচরাল গ্য়াস, যানবাহনে ব্য়বহৃত CNG, LPG এবং পাইপ্ড কমপ্রেসর ফুয়েল। অগ্রাধিকারের তালিকায় দ্বিতীয় স্থান রাখা হয়েছে সার উৎপাদন কেন্দ্রগুলিকে। তৃতীয় স্থানে রয়েছে, চা এবং উৎপাদন শিল্পকে। আর অগ্রাধিকারের তালিকায় চতুর্থ স্থানে রাখা হয়েছে, শহরের গ্য়াস সরবরাহকারী সংস্থাগুলোকে।&nbsp;</p> <p>ভারতের যত জ্বালানি লাগে, তার ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশই আমদানি করতে হয়। আর তার মধ্য়ে আবার প্রায় ৮৫ শতাংশই আসে হরমুজ প্রণালী থেকে। তার জেরে এখন হাহাকার। পরিস্থিতি কি আরও খারাপ হবে ? কীভাবে সামলাবে কেন্দ্র?&nbsp;</p>

from india https://ift.tt/AJOmg1i
via IFTTT

Post a Comment

0 Comments

PM Modi Brigade Rally : নরেন্দ্র মোদির ব্রিগেডে সভা আজ, দেখে নিন কর্মসূচি