Crude Oil Import: ইরান থেকে আসছে তেলবোঝাই জাহাজ, ৭ বছর পর, গুজরাত পৌঁছনোর কথা, আগের পরিস্থিতি ফিরবে কি?

<p><span style="font-weight: 400;"><strong>নয়াদিল্লি:</strong> সুতো কি ফের জোড়া লাগবে? আবার কি ইরানের থেকে তেল কিনবে ভারত? পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের মধ্যেই নতুন সম্ভাবনা তৈরি হল। সরাসরি ইরান থেকে তেল কেনা নিয়ে কোনও ঘোষণা হয়নি এখনও পর্যন্ত। তবে ইরান থেকে ৬ লক্ষ ব্য়ারেল অশোধিত তেল নিয়ে একটি তেল ভারতের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে ভারত অভিমুখে। সব ঠিক থাকলে ৪ এপ্রিল গুজরাতের বন্দরে নোঙর করবে জাহাজটি। (Iran Crude Oil Import)</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">আফ্রিকার দক্ষিণের দেশ এসওয়াটিনির পতাকা লাগানো Ping Shun নামের একটি জাহাজ ইরানের খার্গ দ্বীপে স্থিত তৈল ভাণ্ডার থেকে রওনা দিয়েছে। গুজরাতের বডীনারের দিকে এগোচ্ছে জাহাজটি। ওই জাহাজে যে তেল মজুত রয়েছে, তার ক্রেতা কে, তা পরিষ্কার নয় এখনও। তবে বডীনারে Naraya Energy নামের একটি বৃহৎ তৈল শোধনাগার রয়েছে, যা রাশিয়ার সাহায্য়প্রাপ্ত। (Crude Oil Import)</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">বডীনারের ওই তৈল শোধনাগার থেকে অন্যত্র তেলও পাঠানো হয়। সেখানে প্রথমে অশোধিত তেল পৌঁছয়। এর পর মধ্যপ্রদেশের বীণার মতো বিভিন্ন শোধনাগারে পৌঁছে যায় ওই তেল। মধ্যপ্রদেশের বীণার ওই শোধনাগারটি চালায় সরকারি সংস্থা ভারত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেড। ইরান থেকে আগত জাহাজের তেলও সেখানে যাবে কি না স্পষ্ট নয় এখনও পর্যন্ত।&nbsp;</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">তবে জাহাজের গতিবিধির উপর নজরদারি চালানো সংস্থা Kpler জানিয়েছে, আপাতত জাহাজটির গন্তব্য গুজরাতই। তবে যাত্রাপথের পরিবর্তন হলেও হতে পারে। নিষেধাজ্ঞা রয়েছে যে সমস্ত দেশের উপর, সেখান থেকে তেল আনার ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতার প্রয়োজন পড়ে। এক বন্দরে জাহাজ নোঙরের কথা থাকলেও, মাঝপথে পাল্টে যেতে পারে গন্তব্যস্থল।&nbsp;</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">Ping Shun জাহাজটি যদি ভারতে এসে পৌঁছয়, তাহলে সেটি হাতেগোনা কিছু জাহাজের মধ্যে পড়বে, যা যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে হরমুজ পেরিয়ে ভারতে এসে পৌঁছেছে। হরমুজ দিয়েই ভারচ ৪০-৫০ শতাংশ তেল আমদানি করে। তবে ২০১৯ সালের পর এই প্রথম ইরান থেকে তেল আসছে ভারতে। আমেরিকা এবং পশ্চিমী বিশ্বের নিষেধাজ্ঞার জেরে সেই সময় ইরান থেকে তেল কেনা বন্ধ করতে হয়। সম্প্রতি ৩০ দিনের ছাড়পত্র ইস্যু করেছিল আমেরিকা, যাতে বলা হয়েছিল, জলপথে থাকা জাহাজগুলিকে তেল নিয়ে গন্তব্যে পৌঁছতে দেওয়া হবে। ১৯ এপ্রিল সেই সময়সীমার মেয়াদ ফুরিয়ে যাচ্ছে। তবে ভারত ওই তেল কিনেছে কি না, এখনও স্পষ্ট নয়। </span><span style="font-weight: 400;">তবে সত্যিই যদি ভারত তেল কিনে থাকে, সেক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে আগের সেই সমীকরণ ফিরে আসতে পারে বলে আশাবাদী অনেকেই।&nbsp;</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">ইরানের উপর নিষেধাজ্ঞা চাপার আগে তাদের থেকে বিপুল পরিমাণ তেল কেনা হতো। ২০০৮ সালে ইরান থেকে অশোধিত তেলের আমদানি ছিল ১৬ শতাংশের বেশিষ। ২০০৬ সাল থেকে রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর ছিল ইরানের উপর। তবে তেলের উপর নির্দিষ্ট ভাবে নিষেধাজ্ঞা ছিল না। কিন্তু নিষেধাজ্ঞার কামড় যত গভীরে দাঁত বসাতে শুরু করে, ততই ইরান থেকে তেল আমদানি কমতে কমতে ৭.৩ শতাংশে পৌঁছে যায়। ২০১৫ সালে বারাক ওবামার আমলে আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে পরমাণু চুক্তি স্বাক্ষরিত বলে আবারও সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়। ২০১৬ সালের মার্চে ইরানের কাছ থেকে ৫০০০০০ মিলিয়ন ব্য়ারেল তেল কেনে ভারত। ২০১৭ সাল নাগাদ ভারতে তৃতীয় বৃহত্তম তেল সরবরাহকারী দেশ হয়ে ওঠে ইরান। ২০১৮ সালের মে মাসে দৈনিক ৭০৫০০০ ব্যারেল করে তেল কেনা হয়। কিন্তু ট্রাম্প আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর ওবামা আমলে স্বাক্ষরিত চুক্তি থেকে সরে আসেন তিনি। সেই সময়ও সাময়িক ছাড় আদায় করে নিয়েছিল ভারত। কিন্তু ২০১৯ সালের ২ মে সেই ছাড়পত্র উঠে যায়। তার আগে এপ্রিল মাসে শেষ বার ইরান থেকে তেল এসেছিল ভারতে। তার পর থেকে সরকারি ভাবে আর ইরানের থেকে তেল কেনেনি ভারত।&nbsp;</span></p> <p>সম্প্রতি যে ৩০ দিনের ছাড় দেয় আমেরিকা, তার আওতায় ৫১ মিলিয়ন ব্যারেল তেল ভারতকে বিক্রি করতে পারে ইরান।&nbsp;</p> <p>&nbsp;</p>

from india https://ift.tt/94hr3EX
via IFTTT

Post a Comment

0 Comments

Shashi Tharoor: শশী তারুরের কনভয়ে বাধা ! হেনস্থার শিকার কংগ্রেস সাংসদের নিরাপত্তারক্ষী