Gold Loan Scam: দেশের নামী ব্যাঙ্কে কোটি কোটি টাকার গোল্ড লোন দুর্নীতি, ভিতরের লোক যুক্ত না থাকলে কি সম্ভব? উঠছে প্রশ্ন

<p><span style="font-weight: 400;"><strong>নয়াদিল্লি:</strong> সোনার বিনিময়ে ঋণ দেওয়া নিয়ে বড় দুর্নীতি সামনে এল। গোল্ড লোন দুর্নীতি হয়েছে ICICI ব্যাঙ্কে। অভিযোগ, নকল সোনা রেখে ব্যাঙ্কের কাছ থেকে ২৩ কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হয়। প্রায় তিন বছর পর বিষয়টি সামনে এল। ব্যাঙ্কের কর্মীরা যুক্ত না থাকলে এমন দুর্নীতি সম্ভব কি না, উঠছে প্রশ্ন। (ICICI Bank Gold Loan Scam)</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">মহারাষ্ট্রের নাগপুরে ICICI ব্যাঙ্কের শাখায় এই দুর্নীতি ধরা পড়েছে। ইন্টারনাল অডিট চলাকালীন নকল সোনা রেখে ঋণ নেওয়ার বিষয়টি সামনে আসে। সেই মতো ব্যাঙ্কের জোনাল হেড ধনঞ্জয় রমেশ থিটে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এই ঘটনায় জালিয়াতির মামলা দায়ের করেছে ধন্তোলী থানার পুলিশ। শুরু হয়েছে তদন্ত। (Gold Loan Scam)</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">জানা গিয়েছে, নয়টি ব্রাঞ্চের ১৫৯টি অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে এই দুর্নীতি হয়েছে। সোনার বিনিময়ে ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে সাধারণত সোনার শুদ্ধতা পরীক্ষা করে দেখা হয়। গুণমানকে সামনে রেখে যাচাই করা হয় বাজারমূল্য়। নির্দিষ্ট বিধিনিয়ম মেনেই সোনা রেখে ঋণ দেওয়া হয়। তাই গোড়াতেই আসল নকল বোঝা গেল না কী কারণে, ব্যাঙ্কের কর্মীরা যুক্ত না থাকলে এটা আদৌ সম্ভব কি না, উঠছে প্রশ্ন।&nbsp;</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">শুধু তাই নয়, জালিয়াতি বুঝতে তিন বছর সময় লাগল কেন, তারও উত্তর মেলেনি। ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের অক্টোবরের মধ্যে এই জালিয়াতি হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে পুলিশ মনে করছে, শুধুমাত্র গ্রাহকদের পক্ষে এমন জালিয়াতি সম্ভব নয়। এর নেপথ্যে বৃহত্তর ষড়যন্ত্র রয়েছে। ব্যাঙ্কের লোকজন শামিল না থাকলে কোনও ভাবেই সম্ভব নয়। সচিন রাউত নামের একজন গ্রাহক, সোনার মূল্য যাচাইকারী নন্দু খারওয়াড়ে, অডিটর রাজেন্দ্র শিলাঙ্কর, প্রমোদ <a title="টেট" href="https://ift.tt/qlItwjQ" data-type="interlinkingkeywords">টেট</a>ে, ধনঞ্জয় ধোমনে এবং ব্রাঞ্চ ম্যানেজার পঙ্কজ কেকটপুরের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশের সন্দেহ, যাচাই প্রক্রিয়া চলাকালীন নকল গয়নাকে সোনা বলে চালানো হয়।</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">এই ঘটনায় আবারও ব্যাঙ্কিং সিস্টেমের ভিতরে অনাস্থা, নিরাপত্তার ফাঁকফোকর স্পষ্ট হয়ে গেল। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪০৬ (অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ), ৪০৯ (সরকারি কর্মী বা ব্যাঙ্কারের অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ), ৪২০ (প্রতারণা), ৪৬৮ (প্রতারণার লক্ষ্যে জালিয়াতি), ১২০ বি (অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র)-সহ একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। কী ভাবে, কোন পথে গোটা কুকর্ম সম্পন্ন হয়েছে, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।</span></p>

from india https://ift.tt/0dzwBfU
via IFTTT

Post a Comment

0 Comments

PM Modi : পর্যাপ্ত LPG সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক