IPAC News: পশ্চিমবঙ্গে ভোট মেটার পরের দিনই IPAC ডিরেক্টরের জামিন, আপত্তি করল না ED

<p style="text-align: justify;"><strong>নয়াদিল্লি:&nbsp;</strong>দ্বিতীয় দফার ভোট মিটেছে গতকাল। আর আজই জামিন পেলেন IPAC-এর অন্যতম ডিরেক্টর ও সহ প্রতিষ্ঠাতা ভিনেশ চান্ডেল (Vinesh Chandel)। আজ পাটিয়ালা হাউস কোর্ট থেকে জামিন পান তিনি। আজ শুনানিতে, ভিনেশ চান্ডেলের জামিনের কোনও আপত্তি করেনি ED। গত ১৩ এপ্রিল, হাওয়ালার মাধ্য়মে প্রায় ৫০ কোটি বেআইনি লেনদেনের অভিযোগে, ভিনেশ চান্ডেলকে গ্রেফতার করে ED. সেবার ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয় তাঁকে। কিন্তু আজ জামিনের আর্জি জানালে, সে ব্যাপারে কোনও বিরোধিতা করেননি ED-র আইনজীবী।&nbsp;</p> <p style="text-align: justify;"><a title="আরও পড়ুন: বিধাননগর কলেজে ৩টি, ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের স্ট্রংরুমে সুরক্ষিত ৭টি EVM" href="https://ift.tt/b5PmTwk" target="_self" rel="nofollow">আরও পড়ুন: বিধাননগর কলেজে ৩টি, ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের স্ট্রংরুমে সুরক্ষিত ৭টি EVM</a></p> <p style="text-align: justify;">পশ্চিমবঙ্গে <a title="বিধানসভা নির্বাচন" href="https://ift.tt/v9sm6ZG" data-type="interlinkingkeywords">বিধানসভা নির্বাচন</a>ের দিন দশেক আগেই দিল্লি পুলিশের করা একটি FIR করার ভিত্তিতে দিল্লি থেকেই ভিনেশ চান্ডেলকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। আর্থিক তছরুপের অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। কয়লা পাচারের অন্য একটি মামলায় ইসিআর করেছিল ইডি। তাঁর বাড়ি ও অফিসে তল্লাশিও চালানো হয়। তবে উল্লেখযোগ্য যে বংলায় ভোট মিটতেই জামিন পেয়ে গেলেন ভিনেশ চান্ডেল। ইডি কিন্তু এই বিষয়ে এদিন কোনও আপত্তি জানায়নি। পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার সময় ইডি জানিয়েছিল যে বাইরে থাকলে প্রমাণ লোপাট করতে পারেন ভিনেশ। যদিও IPAC ডিরেক্টর জানিয়েছিলেন যে রাজনৈতিক কারণেই তাঁকে গ্রেফতার করা হচ্ছে। বাংলায় ভোট হবে, তাই জন্যই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ জামিনের সময় ইডির তরফে কোনও আপত্তি জানানো হল না কেন, তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।</p> <p style="text-align: justify;">১০ দিন আগে জামিনের বিরোধীতা করেছিল ইডি। কিন্তু ১০ দিনের মধ্যে কী হয়ে গেল, সেটা নিয়েই কথা উঠছে। ১০ দিন আগে ইডি বলেছিল যে আরও যাঁরা যাঁরা যুক্ত তাঁদের হেফাজতে নিতে হবে। মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন রয়েছে। ইমেলগুলো ডিলিট করেছিলেন ভিনেশ চান্ডেল, তা রিট্রিভের কথাও বলেছিল ইডি। ল্যাপটপের অনেক ফুটেজ লোপাট করেছেন, এধরণের অভিযোগ ছিল ইডির তরফে। যে বিলগুলো ক্যাশে নিয়েছেন, তার হিসেবে সম্পর্কেও জানতে চেয়েছিল ইডি। তদন্ত করতে গিয়েই ইডি যে তথ্যগুলো পেয়েছিল, তার জন্যই গ্রেফতার করা হয়েছিল ভিনেশ চান্ডেলকে। এখন দেখতে হবে যে যে নোটিশগুলো প্রতীক জৈনকে বা প্রতীক জৈনের স্ত্রী ও ভাইকে পাঠানো হয়েছিল, তা নিয়ে ED কী বার্তা দেয়। যদিও এই ইস্যুতে রাজনৈতিক অভিসন্ধির সূত্র পাচ্ছেন অনেকেই।</p>

from india https://ift.tt/aS7PIUt
via IFTTT

Post a Comment

0 Comments