<p><strong>নয়াদিল্লি :</strong> মহিলা সংরক্ষণ বিল ইস্যুকে কেন্দ্র করে তোলপাড় জাতীয় রাজনীতি। জাতীর উদ্দেশে ভাষণে কংগ্রেস-সহ বিরোধীদের নিশানা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর বক্তব্য পাল্টা জবাব দেওয়া শুরু করেছে কংগ্রেস। সরব হলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। তিনি বলেন, "কংগ্রেসের নাম ৫৯ বার উল্লেখ করেছেন মোদিজি, কিন্তু মহিলাদের কথা বলেছেন কয়েকবার মাত্র। এতেই গোটা দেশ বুঝতে পারছে ওঁর অগ্রাধিকার কী। মহিলারা বিজেপির অগ্রাধিকার নন, কংগ্রেস অগ্রাধিকার।"</p> <p>এক্স হ্যান্ডেলে নিশানা শানিয়েছেন কংগ্রেসের কমিউনিকেশন ইন-চার্জ জয়রাম রমেশও। তিনি বলেছেন যে, একজন ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রীর জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণের একটি পবিত্রতা রয়েছে এবং এটি একটি নির্দলীয় ভাষণ হওয়ার কথা, যার উদ্দেশ্য হল জাতীয় সংকল্প ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলা। সোশাল মিডিয়ায় কংগ্রেস নেতা লেখেন, "এই করুণ পক্ষপাতমূলক ও বিতর্কিত আক্রমণ-যা জাতীর উদ্দেশে ভাষণের পরিবর্তে একটি বেদনাদায়ক ভাষণ-একটি সাংবাদিক সম্মেলনে অধিকতর উপযুক্ত হত। কিন্তু গত রাতে লোকসভায় আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত যে অভূতপূর্ব অপমানের শিকার হয়েছেন, তাতে তিনি যতই বিচলিত হোন না কেন, এই অগৃহীত প্রধানমন্ত্রী এখনও সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হতে যথেষ্ট ভীতু।"</p> <p>শুক্রবার সীমানা পুনর্বিন্যাস, সংবিধান সংশোধন, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল নির্ধারণের মতো তিনটি বিল নিয়ে ভোটাভুটি হয় লোকসভায়। সেই সীমানা পুনর্বিন্যাস বিলের সঙ্গে মহিলা সংরক্ষণ বিল জুড়ে দেওয়া নিয়ে তীব্র আপত্তি তোলেন বিরোধীরা। ২০২৩ সালে মহিলা সংরক্ষণ বিল পাস হয়ে যাওয়ার পর, সেই আইন কেন কার্যকর করা গেল না, প্রশ্ন ওঠে। মহিলা সংরক্ষণকে ঢাল করে দেশের রাজনৈতিক মানচিত্র বদলে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে বলেও সরব হন বিরোধীরা। দক্ষিণের রাজ্য়গুলি থেকে বিশেষ ভাবে আপত্তি ওঠে ওই বিল নিয়ে। সেই আবহে ভোটাভুটি শুরু হলে বিলটির সপক্ষে ভোট পড়ে ২৯৮টি। বিলের বিরুদ্ধে ২৩০টি ভোট পড়ে। সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে যেহেতু দুই তৃতীয়াংশ ভোটের প্রয়োজন হয়, তাই বিলটি পাস হতে পারেনি। সেই নিয়েই এদিন আগাগোড়া বিরোধীদের আক্রমণ করে যান মোদি। কংগ্রেসকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, "মহিলা সংরক্ষণের বিরোধিতা করে কংগ্রেস ফের একবার প্রমাণ করে দিল যে, কংগ্রেস সংস্কার-বিরোধী দল। দেশ যে সিদ্ধান্তই নিচ্ছে কংগ্রেস তার সব বিরোধিতা করছে। খারিজ করছে। এটাই কংগ্রেসের ইতিহাস। এটাই কংগ্রেসের নেতিবাচক রাজনীতি।"</p>
from india https://ift.tt/KrxJFCz
via IFTTT
0 Comments