<p><span style="font-weight: 400;"><strong>নয়াদিল্লি:</strong> ভোট দেওয়ার অধিকার, ভোটে লড়ার অধিকার আসলে মৌলিক অধিকার নয়, বরং বিধিবদ্ধ অধিকার। আইন দ্বারা ওই বিধিবদ্ধ অধিকার পরিচালিত হয় বলে জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। সমবায় সমিতির নির্বাচনে যোগ্য়তার মাপকাঠি নিয়ে রাজস্থান হাইকোর্টের আগের রায় খারিজ করে দিল সর্বোচ্চ আদালত। হাইকোর্টের আগের রায়কে ত্রুটিপূর্ণও বলেও উল্লেখ করেছে দেশের শীর্ষ আদালত। (Supreme Court on Right to Vote)</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বিভি নাগরত্ন এবং বিচারপতি আর মাধবনের বেঞ্চ এই মন্তব্য করেছে। রাজস্থানের জেলা দুগ্ধ উৎপাদন সমবায় সমিতির বিধিনিয়ম নিয়ে মামলাটি দায়ের হয় প্রথম। ন্যূনতম দুগ্ধ সরবরাহের নিরিখে সেখানে প্রার্থীর যোগ্যতা নির্ধারণ করা ছিল। ন্য়ূনতম দুগ্ধ সরবরাহের পরিমাণকে সামনে রেখে প্রার্থীর যোগ্যতা নির্ধারণ করা ছিল সেখানে। হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আবেদন জমা পড়ে সুপ্রিম কোর্টে। (Right to Vote)</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">গত ১০ এপ্রিল সেই নিয়ে শুনানি হয় সুপ্রিম কোর্ট, যাতে বলা হয়, “ভোটদানের অধিকার এবং ভোটে লড়ার অধিকার মৌলিক অধিকারের মধ্যে পড়ে না। দু’টিই বিধিবদ্ধ অধিকার, যা আইন দ্বারা পরিচালিত হয়। এগুলি আসলে বিধিবদ্ধ অধিকার। আইনের ঠিক করে দেওয়া সীমার উপর বিধিবদ্ধ অধিকারের অস্তিত্ব নির্ভর করে।” তাই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ক্ষেত্রে যোগ্যতার শর্তাবলী রাখা হলে, তা সাংবিধানিক বিধিনিয়ম লঙ্ঘন করে না।</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">পার্থক্য় বোঝাতে গিয়ে সুপ্রিম কোর্ট জানায়, ভোটদানের অধিকার একজন নাগরিককে ভোটাধিকার প্রয়োগে সক্ষম করে তুললেও, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার অধিকারটি একটি স্বতন্ত্র এবং অতিরিক্ত অধিকার। তাই সেটিকে যোগ্যতা বা অযোগ্যতার মাপকাঠির আওতায় আনা যেতে পারে। বিচারপতিরা জানান, ভোটদানের অধিকার এবং ভোটে লড়ার অধিকার, দু’টি আলাদা জিনিস। তাই ভোটে লড়ার অধিকারের ক্ষেত্রে যোগ্যতা, অযোগ্যতা, প্রাতিষ্ঠানিক চাহিদা সংক্রান্ত বিধিনিষেধ গুরুত্বপূর্ণ।</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">রাজস্থানে যখন প্রথম মামলাটি দায়ের হয়, উপধারার আওতায় সমবায় সমিতির নির্বাচনে যোগ্যতার মাপকাঠি বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। সেই উপধারা বাতিল করে দিয়েছিল হাইকোর্ট। জানানো হয়েছিল, এক্তিয়ারের বাইরে গিয়ে যোগ্যতা সংক্রান্ত মাপকাঠি চালু করা হয়। হাইকোর্টের সেই রায় খারিজ করে সুপ্রিম কোর্ট জানাল, হাইকোর্টের কার্যকারণ ত্রুটিপূর্ণ। সব পক্ষের কথা না শুনে রায় দেওয়া নিয়েও হাইকোর্টের সমালোচনা করে <a title="সুপ্রিম কোর্ট" href="https://ift.tt/uHy6sOI" data-type="interlinkingkeywords">সুপ্রিম কোর্ট</a>। বিচারপতিদের মতে, হাইকোর্টের রায়ে ‘স্বাভাবিক ন্যায়বিচারে’র মৌলিক নীতি খর্ব হয়েছে।</span></p>
from india https://ift.tt/RgCQKD7
via IFTTT
0 Comments