<p><strong>কলকাতা:</strong> <a title="সুপ্রিম কোর্ট" href="https://ift.tt/TKj57iv" data-type="interlinkingkeywords">সুপ্রিম কোর্ট</a>ে I-PAC মামলার শুরুতেই উত্তপ্ত এজলাস। সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতাকে একহাত নিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের আইনজীবী। বললেন, "অনির্বাচিত, মুকুটবিহীন সম্রাটের মত আচরণ করবেন না।" আক্রমণের মুখে মেনকা গুরুস্বামীকে পাল্টা সলিসিটর জেনারেলের। বললেন, "এটা কোনও রাস্তার লড়াই নয়। এখানে রাস্তার লড়াইও হচ্ছে না।"</p> <p>I-PAC মামলার শুনানিতে গতকাল পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলে শীর্ষ আদালত। তদন্তকারীদের কাজে হস্তক্ষেপ করা, গণতন্ত্রকে বিপন্ন করা যায় না বলে মন্তব্য করেছিলেন বিচারপতিরা। তবে বৃহস্পতিবার শুনানি শুরু হতে তীব্র বাদানুবাদ হয় সলিসিটর জেনারেল মেহতা এবং মমতার আইনজীবী মেনকার মধ্যে। (IPAC Case Hearing)</p> <p>এদিন সলিসিটর জেনারেলের উদ্দেশে মেনকা বলেন, "অনির্বাচিত, মুকুটবিহীন সম্রাটের মতো আচরণ করবেন না।"</p> <p>এর পাল্টা সলিসিটর জেনারেল মেহতা বলেন, "এটা কোনও রাস্তার লড়াই নয়. এখানে রাস্তার লড়াইও হচ্ছে না। আমি সম্মানজনকভাবে মৌন থাকা পছন্দ করছি। পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে।" </p> <p>এতে আরও সুর চড়িয়ে মেনকা বলেন, "আপনি মার্জিত বা মৌন কোনওটাই নন। সামাজিক মাধ্যমে বিচার প্রক্রিয়াকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহারের চেষ্টা চলছে।"</p> <p>এর আগে আদালতে বিআর আম্বেডকরের উল্লেখ করেছিলেন মেনকা। সেই নিয়ে সলিসিটর জেনারেল মেহতা বলেন, এটা ২৭০০ কোটির দুর্নীতি। বিধিবদ্ধ দায়িত্ব করছিলেন ED। ED আধিকারিকরা এদেশের নাগরিক, তাঁদের মৌলিক অধিকার আছে। ED আধিকারিকরা মোলিক অধিকার রক্ষার দাবি জানাচ্ছেন। বি আর আম্বেদকরও কখনও এই পরিস্থিতির কথা ভাবতে পারেননি।"</p> <p>আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়িয়ে ২০১৯ সালের প্রসঙ্গও টানেন সলিসিটর জেনারেল মেহতা। রাজীব কুমারের হয়ে মমতার ধর্নার কথা টানেন তিনি। বলেন, "প্রচুর পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছিল <a title="মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়" href="https://ift.tt/kOXyVWR" data-type="interlinkingkeywords">মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়</a>। মাঝপথে কম্পিউটার থেকে ব্যাকআপ নেওয়া থামিয়ে দেয় পুলিশ। ED-র নেওয়া নথিও নিয়ে চলে যান পুলিশ আধিকারিকরা। নিয়ে নেওয়া হয় সিকিওরিটি ক্যামেরার স্টোরেজ ডিভাইস। এটা কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, এর একটা নির্দিষ্ট প্যাটার্ন আছে। আদালতের নির্দেশেই CBI অন্য একটা মামলার তদন্ত করছিল। কোনও তদন্ত মুখ্যমন্ত্রীর মনঃপুত না হলেই ক্ষমতার অপব্যবহার। পুলিশকে অপব্যবহার করে আইন নিজের হাতে তুলে নেন মুখ্যমন্ত্রী। CBI তৎকালীন পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিল। পুলিশ সেই CBI আধিকারিকদের গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। থানায় নিয়ে গিয়ে CBI আধিকারিকদের ভয় দেখায় পুলিশ। মুখ্যমন্ত্রী সশরীরে CBI-এর আঞ্চলিক অফিসে জোর করে ঢোকেন। সেই সময়েই প্রচুর মানুষকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় CBI-র জয়েন্ট ডিরেক্টরের বাসভবনে। ঘেরাও করে রাখা হয়েছিল CBI-র জয়েন্ট ডিরেক্টরকে। IPS অফিসাররা পুলিশের পোশাক পরে মুখ্যমন্ত্রীর ধর্নায় অংশ নেন।" </p> <p>I-PAC মামলায় এদিন CBI তদন্তের আবেদন জানায় কেন্দ্র। তাদের আইনজীবী বলেন, "মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তদন্ত করুন, বলতে পারি না রাজ্য পুলিশকে।"</p>
from india https://ift.tt/K10HXsY
via IFTTT
0 Comments