<p><strong>নয়াদিল্লি :</strong> 'দ্য় ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে'র প্রতিবেদনে উঠে এসেছে নির্বাচন কমিশনের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের ডিরেক্টর জেনারেল সীমা খান্নার নামও। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, দুই নির্বাচন কমিশনার অভিযোগ করেছিলেন, স্বচ্ছ ভোটার তালিকা তৈরির বিষয়টি এখন আর বিকেন্দ্রীভূত ভাবে হচ্ছে না। গোটা বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করছে নির্বাচন কমিশনের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের ডিরেক্টর জেনারেল সীমা খান্নার দফতর। এনিয়ে ফের সরব হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। পাল্টা জবাব দিয়েছে বিজেপিও। </p>
<p>'দ্য় ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে'র প্রতিবেদন ঘিরে তোলপাড় পড়ে গেছে গোটা দেশে। মুখ্য় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকা নিয়ে ফের উঠেছে বড়সড় প্রশ্ন। আর এই প্রতিবেদনেই উঠে এসেছে সীমা খান্নার নাম। </p>
<p>প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অধীর চৌধুরী বলছেন, "নির্বাচন কমিশনকে পরিচালনা করেছে বিজেপি পার্টির IT সেল, সীমা খান্না, যার অধীনে ভোটার লিস্ট তৈরি হয়েছে, ERO জানে না, CEO জানে না... এইভাবে ভারতবর্ষের গণতন্ত্রকে হত্য়া করা হয়েছে।"</p>
<p>'দ্য় ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে'র প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, দুই নির্বাচন কমিশনার অভিযোগ করেছিলেন, স্বচ্ছ ভোটার তালিকা তৈরির বিষয়টি এখন আর বিকেন্দ্রীভূত ভাবে হচ্ছে না। গোটা বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করছে নির্বাচন কমিশনের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের ডিরেক্টর জেনারেল সীমা খান্নার দফতর।</p>
<p>'দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে'র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৯ জানুয়ারি <a title="সুপ্রিম কোর্ট" href="https://ift.tt/EtkeiBN" data-type="interlinkingkeywords">সুপ্রিম কোর্ট</a> নির্দেশ দেয়, SIR প্রক্রিয়ার সময় যেসব ভোটারের তথ্যে লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি ধরা পড়েছিল, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের আগে তাঁদের নথিপত্র জমা দেওয়ার এবং নিজেদের বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দিতে হবে। গোয়ার ERO-রা এই বিষয়গুলির শুনানি করেন। জমা দেওয়া নথিপত্র যাচাই করে তাঁরা ৯৭ জন ভোটারকে চূড়ান্ত তালিকার জন্য যোগ্য বলে বিবেচনা করেন। কিন্তু সেই সিদ্ধান্তটি নথিভুক্ত করার কোনও ব্যবস্থা ওই সফটওয়্যারে ছিল না। ১১ থেকে ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে গোয়ার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কার্যালয় সংশ্লিষ্ট রাজ্যের দায়িত্বে থাকা সিনিয়র ডেপুটি ইলেকশন কমিশনার জ্ঞানেশ ভারতীকে ৮ বার চিঠি লেখে। </p>
<p>'দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে'র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিবারই IT বিভাগের ডিরেক্টর জেনারেল সীমা খান্নাকে এই চিঠির কপি দেওয়া হয়েছিল। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের সময়সীমা এগিয়ে এলেও ওই অনুরোধগুলোর কোনও উত্তর পাওয়া যায়নি। ফলে গোয়ার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে ওই ৯৭ জন ভোটারের নাম বাদ পড়ে যায়। ৯৭ জন ভোটার সংখ্যায় কম মনে হতে পারে, কিন্তু বিষয়টি কেবল এই ৯৭ জনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়-কারণ প্রতিটি বৈধ ভোট যাতে গণ্য হয়, তা নিশ্চিত করাই ভারতের নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব।</p>
<p>‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাস ধরে ERO-দের ক্ষমতা খর্ব করা হচ্ছিল। অর্থাৎ, নাম যোগ করা বা বাদ দেওয়া, আবেদনের নিষ্পত্তি করার মতো অনেক ক্ষেত্রেই সফ্টওয়্যারের মাধ্যমে সেই কাজ ERO-রা করতে পারেননি। এনিয়ে ২০২৫-এর ৪ নভেম্বর, নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধুর নির্দেশে ডেপুটি কমিশনার সঞ্জয় কুমার কমিশনের IT বিভাগের ডিজি সীমা খান্না এবং ঊর্ধ্বতন কর্তাদের চিঠি লিখে জানান যে, ERO, DEO, CEO-র দায়িত্ব তাঁদেরই দিতে হবে। </p>
<p>এই সীমা খান্নার বিরুদ্ধে <a title="বিধানসভা নির্বাচন" href="https://ift.tt/QdPDFov" data-type="interlinkingkeywords">বিধানসভা নির্বাচন</a>ের আগে বারবার সরব হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। তিনি বলেছিলেন, "ইতিমধ্য়েই ৭০ লাখ একতরফাভাবে নাম বাদ। সীমা খান্না নামে একজন বিজেপি মনস্ক নির্বাচন কমিশনের অফিসে বসে আছেন। কী বিশ্বাসযোগ্য়তা ? কে তিনি ? AI ব্য়বহার করে নাম ডিলিট করে দেন (সীমা খান্না)।" </p>
<p>'দ্য় ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে'র চাঞ্চল্য়কর প্রতিবেদনের পর ফের সরব হন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। এদিন তিনি বলেন, "গায়ের জোরে, যে রাজ্য ভোট হচ্ছে বিজেপি ভাবছে, আমাদের পুরোপুরি রক্ষাকবচ তো ইলেকশন কমিশন বসে আছে। এই কথাগুলো আমরা বার বার বলেছি, আমাদের কথা কেউ শোনেনি। আজকে প্রমাণ হয়ে গেছে। সীমা খান্নাকে এক্সপোজ প্রথম অভিষেক ব্যানার্জিই করে।"</p>
<p>পাল্টা বিজেপি নেতা দেবজিৎ সরকার বলেন, "এ বিষয়ে যদি কিছু বলার থাকে ওরা নির্দিষ্ট ফোরামে বলবে। নির্দিষ্ট জায়গা আছে...ভারতের সংবিধান নির্বাচন কমিশনকে একটি সায়ত্ত্ব-শাসিত সংস্থা বানিয়েছে। স্বয়ং-শাসিত সংস্থা। এখানে কোনওভাবে ইন্টারফেয়ারেন্স করা যায় না।" সবমিলিয়ে প্রতিবেদন ঘিরে তোলপাড় পড়ে গেছে। </p>
<p> </p>
from india https://ift.tt/ONdoLiR
via IFTTT
0 Comments