<p>লখনউ : স্বামী বারবার প্রথম স্ত্রী'র সঙ্গে যোগাযোগ করছিলেন। আর সেই রাগেই প্রেমিক এবং তাঁর সহযোগীদের সহায়তায় স্বামীকে শেষ করে দিয়েছেন স্ত্রী। এখানেই শেষ নয়। স্বামীকে খুন করার পর অভিযুক্তদের দেহ লুকিয়ে লোপাট করতেও সাহায্য করেছেন ওই মহিলা। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত মহিলা, তাঁর প্রেমিক এবং বাকি সহযোগীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। মহিলার নাবালক ছেলেকেও আটক করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, মহিলার বাড়ির কাছেই একটি খালের মধ্যে থেকে উদ্ধার হয়েছিল তাঁর স্বামীর দেহ। একটি ট্রাঙ্কের মধ্যে থেকে উদ্ধার হয় ওই ব্যক্তির দেহ। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর ২ দিন পর উদ্ধার হয়েছিল ওই ব্যক্তির দেহ। এই ঘটনা ঘটেছে লখনউতে। </p>
<p>ডিসিপি (লখনউ দক্ষিণ) মহম্মদ মুশতাক জানিয়েছেন অভিযুক্ত মহিলার নাম সুফিয়া বানো। মৃত রামকিশোর বাল্মীকির সঙ্গে বছর চারেকের সম্পর্ক ছিল তাঁর। এরপর বছর দুয়েক আগে বিয়ে করেন সুফিয়া এবং রামকিশোর। পুলিশ জানিয়েছে, বিয়ের পর অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন সুফিয়া বানো। বছর ৫২- র মুন্না ওরফে মুলচাঁদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি হয় সুফিয়ার। স্ত্রী'র এই সম্পর্কের কথা জানতে পারেন রামকিশোর। আর এই নিয়ে প্রায়শই ঝামেলা হতে শুরু করে স্বামী, স্ত্রী'র মাধ্যমে। এই পরিস্থিতিতে রামকিশোর আবার নিজের প্রথম স্ত্রী কবিতা দেবীর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করে। তাঁকে আর্থিক সাহায্যও দিতে থাকেন। এ নিয়ে আপত্তি জানান সুফিয়া। কিন্তু দ্বিতীয় স্ত্রী'র কথায় বিশেষ পাত্তা দেননি রামকিশোর। পুলিশ সূত্রে খবর, এরপরেই মুন্না এবং তাঁর সঙ্গী মহম্মদ ইকবাল ওরফে বসির আহমেদের (৪০) সঙ্গে ষড়যন্ত্র করেন সুফিয়া বানো। তৈরি হয় রামকিশোরকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা। </p>
<p><a title="পরীক্ষায় ChatGPT ব্যবহার করতে গিয়ে ধরা পড়েছিলেন, তারপরই মর্মান্তিক সিদ্ধান্ত বম্বে IIT ছাত্রের " href="https://ift.tt/HKvF8R5" target="_self">পরীক্ষায় ChatGPT ব্যবহার করতে গিয়ে ধরা পড়েছিলেন, তারপরই মর্মান্তিক সিদ্ধান্ত বম্বে IIT ছাত্রের </a></p>
<p>ঘটনার দিন রাতে দুই ব্যক্তিকে ডেকে পাঠান সুফিয়া। আর ঘরের দরজা খুলে রেখেছিলেন তিনি। রামকিশোর ঘুমিয়ে পড়ার পর বাড়িতে ঢুকেছিল ওই ২ ব্যক্তি। তারপর রামকিশোরকে কুপিয়ে খুন করে ওই ২ জন। প্রমাণ লোপাটের জন্য ঝাড়ু দিয়ে মেঝেতে থাকা রক্তের ছাপ পরিষ্কার করেছিল অভিযুক্তরা। এছাড়াও মেঝেতে প্লাস্টারও করে দিয়েছিল তারা। স্বামীকে খুনের ষড়যন্ত্রে নিজের ১৬ বছরের ছেলেকেও যুক্ত করেছিলেন অভিযুক্ত সুফিয়া বানো। রামকিশোরকে খুনের পর তাঁর দেহ খাটের তলার নীচে একটি কাঠের বাক্সে লুকিয়ে রেখেছিল অভিযুক্তরা। পরের দিন রাতে একটি ই-রিকশা ডেকে তাতে করেই রামকিশোরের দেহ নিয়ে গিয়ে খালের নীচে ফেলে দিয়ে এসেছিল অভিযুক্তরা। প্রমাণ লোপাট করতে এবং মৃতের পরিচয় লুকিয়ে রাখতেই একাজ করা হয়েছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। রামকিশোরের প্রথম স্ত্রী কবিতা দেবীর অভিযোগ পেয়েই এফআইআর দায়ের করে পুলিশ। তারপর ঘটনার তদন্তে নেমে সুফিয়া বানো, মুন্না এবং মহম্মদ ইকবালকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আটক করা হয় সুফিয়ার ১৬ বছরের নাবালক ছেলেকেও। খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র এবং যে ই-রিকশা করে রামকিশোরের দেহ নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তারও হদিশ পেয়েছে পুলিশ। </p>
from india https://ift.tt/V6cLebN
via IFTTT
0 Comments