<p><span style="font-weight: 400;"><strong>নয়াদিল্লি:</strong> পাকিস্তানে খুন হলেন ধর্মগুরু। ভারতীয় নৌবাহিনীর প্রাক্তন আধিকারিক কুলভূষণ যাদবকে অপহরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল তাঁর। ইরান থেকে কুলভূষণকে অপহরণ করতে পাক গুপ্তচর সংস্থা ISI-কে তিনি সাহায্য করেন বলে জানা যায়। শুক্রবার রাতে তাঁকে গুলি করে হত্যা করল অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীরা। আগেও দু'বার তাঁকে খুনের চেষ্টা হয়। সেবার প্রাণে বেঁচে গেলেও, এবার আর রক্ষা পেলেন না তিনি। (Mufti Shah Mir)</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">শুক্রবার রাতে বালুচিস্তানে খুন হয়েছেন মুফতি শাহ মীর। তুরবতের একটি মসজিদে রাতের নমাজ সেরে বেরোচ্ছিলেন তিনি। সেই সময় অতর্কিতে হামলা চালায় মোটর সাইকেল আরোহী দুষ্কৃতীরা। পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে পর পর তাঁর শরীরে গুলি গেঁথে দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় মীরকে। সেখানে মারা যান তিনি। (Pakistan News)</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">মীর পাকিস্তানের মৌলবাদী দল Jamiat-e-Islam (JUI)-এর সদস্য ছিলেন। পাশাপাশি, ধর্মপ্রচারের আড়ালে অস্ত্র এবং মানবপাচারেও তিনি যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। পাক গুপ্তচর সংস্থা ISI-এর সঙ্গেও ওঠাবসা ছিল তাঁর। সন্ত্রাসী ঘাঁটিগুলিতেও তাঁর আনাগোনা ছিল, ভারতে অনুপ্রবেশ ঘটাতে তিনি জঙ্গিদের সাহায্য করতেন বলে জানা যায়। এর আগে, গত সপ্তাহে মীরের দলের দুই সহযোগীও বালুচিস্তানের খুজদারে খুন হন। তাঁদেরও গুলি করে মারে দুষ্কৃতীরা।</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">বালুচিস্তান এমনিতেই অশান্ত এলাকা হিসেবে পরিচিত। সশস্ত্র লড়াই থেকে নিরীহ নাগরিক, সমাজকর্মী, সাংবাদিক, রাজনীতিকদের গায়েব হয়ে যাওয়ার খবর অহরহ উঠে আসে সেখান থেকে। পাক সরকার এবং পাক সেনার মদতেই সেখানে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয় বলে অভিযোগ। এ বছরের শুরুতেও অশান্ত হয়ে ওঠে বালুচিস্তান। সংঘর্ষে ১৮ জননিরাপত্তা বাহিনী এবং ২৩ জঙ্গির মৃত্যু হয়। </span></p> <p><span style="font-weight: 400;">অন্য দিকে, পাকিস্তানের জেলে এখনও বন্দি ভারতের কুলভূষণ। তিনি ভারতীয় নৌবাহিনীর প্রাক্তন আধিকারিক। সময়ের আগে অবসর বিয়ে ব্যবসায় হাত লাগান। ইরানের চবাহারে ব্য়বসা ছিল কুলভূষণের। ২০১৬ সালে সেখান থেকেই অপহরণ করা হয় তাঁকে। চরবৃত্তির অভিযোগে ২০১৭ সালে পাকিস্তানের সেনা আদালত কুলভূষণকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা শোনায়। আদালতের সেই রায়ের তীব্র সমালোচনা করে ভারত। বিষয়টি আন্তর্জাতিক আদালতে উঠলে মৃত্যুদণ্ড স্থগিত হয়ে যায়। </span></p> <p><span style="font-weight: 400;">এই মুহূর্তে পাকিস্তানের জেলে বন্দি কুলভূষণ। তাঁকে অপহরণ করতে ISI-কে সাহায্য করে মোল্লা ওমর ইরানিও, যে জইশ-আল-আদলের সদস্য ছিল। ২০২০ সালে তুরবতে তাকেও খুন হতে হয়। ২০২১ সালে পাকিস্তান একটি বিল পাস করে, যেখাবে কুলভূষণকে নিজের পক্ষ রাখতে অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু বিলেও অনেক খামতি রয়েছে বলে জানায় ভারত।</span></p>
from india https://ift.tt/8iANVzx
via IFTTT
0 Comments