Iran-Israel Conflict: ইজরায়েলে ট্রেনিং নিতে গিয়ে আটকে পড়েছে Indian Navy-তে কর্মরত ছেলে, বীরভূমে চরম উৎকণ্ঠায় বাবা-মা !

<p><strong>ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, বীরভূম :</strong> ইরান-ইজরায়েল সংঘাত চরমে। এক দেশ অপর দেশকে লক্ষ্য করে একের পর এক মিসাইল ছুঁড়ছে। সমানে প্রাণহানির ঘটনাও সামনে আসছে। এই আবহে কর্মসূত্রে ইরানে বা ইজরায়েলে থাকা এ দেশের অনেকেই সমস্যা পড়েছেন। তেমনই বীরভূমের এক যুবক আটকে পড়েছেন ইজরায়েলে প্রশিক্ষণ নিতে গিয়ে। এদিকে বীরভূমে চমর উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছে তাঁর পরিবার।</p> <p>ছেলে ইজরায়েলে Navy-তে প্রশিক্ষণরত। বীরভূমের মল্লারপুরে উৎকণ্ঠায় বাবা-মা। ছেলে বাড়ি ফেরার অপেক্ষায় দিন গুনছেন তাঁরা। বীরভূমের মল্লারপুরের বাহিনা এলাকার বাসিন্দা অরিত্র সিনহা। ২০২২ সালে Indian Navy-তে যোগদান করেন। এরপর ভারত সরকার তাঁকে ইজরায়েল পাঠায় প্রশিক্ষণের জন্য। সেখানে যাওয়ার পর থেকেই ইরানের সঙ্গে শুরু হয় যুদ্ধ। ফলে, আটকে যায় তাঁর দেশে ফেরা। ২০ তারিখ তাঁর ফেরার কথা ছিল। মল্লারপুরের বাড়িতে রয়েছেন বাবা জয়শঙ্কর সিনহা ও মা অনিমা সিনহা।</p> <p>জয়শঙ্করবাবু বলেন, "শুক্রবার ছেলের ইজরায়েল থেকে দেশে ফেরার কথা ছিল। সেই মতো প্লেনের টিকিট ছিল। কিন্তু ইজরায়েলের সমস্ত বিমানবন্দর বন্ধ থাকায় শুক্রবার দেশে ফেরা অনিশ্চিত হয়ে গিয়েছে। এই অবস্থায় ছেলের জন্য চিন্তা হচ্ছে। রাতে ঘুম হয় না। ছেলে ভারতীয় অভিবাসন দফতরে জানিয়েছে। কিন্তু সেখান থেকে কোনও সবুজ সংকেত মেলেনি।"</p> <p>পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, অরিত্র চলতি বছরের ৩ মে ইজরায়েল যান ইন্ডিয়ান নেভির ডিপার্টমেন্ট ট্রেনিংয়ের জন্য। সেখানে দেড় মাস থাকার কথা ছিল। সে দেশের পরিস্থিতি খারপ থাকায় শুক্রবার নিজের দেশে ফিরতে পারছেন না অরিত্র। বাবা জয়শঙ্কর সিনহা জানান, বুধবার রাতে ছেলের সঙ্গে কথা হয়েছিল। ছেলে জানিয়েছে সে, ভালো আছে। কোনও ভয় নেই। সেফ জায়গায় আছে।ইজরায়েলের তেল আভিভ শহরে একটি হোটেলে আছে। তবে তার চারপাশে নাগাড়ে বোমার শব্দ পাওয়া যাচ্ছে। ডিপার্টমেন্ট তাদের দেশের ফেরা জন্য ব্যবস্থা করছে। দেশে ফিরতে না পারায় খুব দুশ্চিন্তা রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী কাছে আবেদন যে, ছেলে যেন ভালোভাবে দেশে ফিরতে পারেন।</p> <p>এদিকে ইরানে গিয়ে আটকে পড়েছেন দেগঙ্গার ৫টি পরিবারের ১১ জন সদস্য। গভীর উৎকন্ঠায় পরিবারের সদস্যরা। দেশে ফেরাতে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে। দেগঙ্গার চৌরাশি গ্রাম পঞ্চায়েতের ঢালিপাড়া থেকে পাঁচটি পরিবারের মোট ১১ জন গিয়েছেন ইরানে। ধর্মীয়স্থানে গেছেন। কিন্তু হঠাৎ করেই যুদ্ধ পরিস্থিতির জন্য তাঁরাও আটকে পড়েছেন। সঠিকভাবে মিলছে না খাবার। শুধু তাই নয়, এলাকার পরিস্থিতি যে ক্রমশ ভয়ঙ্কর হয়ে গিয়েছে তা টিভিতে চোখ রেখেই টের পাচ্ছে পরিবার।</p>

from india https://ift.tt/aAdvnKu
via IFTTT

Post a Comment

0 Comments