<p><strong>নয়াদিল্লি :</strong> দেশবাসীর সামনে 'অপারেশন সিঁদুরের' সাফল্য তুলে ধরেছিলেন। এহেন কর্নেল সোফিয়া কুরেশিকে সম্মানিত করা হবে প্রজাতন্ত্র দিবসে। বিশিষ্ট সেবা পদকে সম্মানিত করা হবে তাঁকে। পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পাল্টা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে 'Operation Sindoor' চালিয়েছিল ভারত। পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরের যে নয়টি জঙ্গিঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল, তার খুঁটিনাটি দেশবাসীর সামনে তুলে ধরার সময়ও নারীশক্তিকেই এগিয়ে রেখেছিল ভারতীয় সেনা। গোয়েন্দাদের তথ্য়ের ভিত্তিতে, কীভাবে জঙ্গিঘাঁটিগুলিকে শনাক্ত করা হয়, কী ভাবে আঘাত হানা হয়, দেশবাসীকে খুঁটিনাটি বোঝান কর্নেল সোফিয়া কুরেশি এবং উইং কমান্ডার ব্যোমিকা সিংহ। নারীশক্তিকে এগিয়ে রাখার পাশাপাশি, এই দুই অফিসারকে সামনে রেখে নাগরিকদের ঐক্য এবং সম্প্রীতির বার্তাও দেয় ভারতীয় সেনা।</p> <p>'অপারেশন সিঁদুর'-এর পর থেকেই চর্চায় কর্নেল সোফিয়া কুরেশি। প্রত্যেকেই তাঁর বীরত্বের প্রশংসা করেছেন। গোটা দুনিয়ার সামনে অপারেশন সিঁদুরের পরে, ভারতের বীরগাঁথা শুনিয়েছিলেন তিনি। গোটা দুনিয়ার নজর পড়ে যায় তাঁর দিকে। এই বীর কর্নেলের ব্যাপারে আরও বেশি করে জানতে চায় মানুষ। গোটা দেশ গর্বিত এই ভারতীয় কন্যাকে নিয়ে। ভারতীয় সেনার Corps of Signals বিভাগে কর্মরত কর্নেল সোফিয়া। ১৯১১ সালে Corps of Signals-এর সূচনা ঘটে। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে এবং যুদ্ধের সময় সামরিক যোগাযোগ সংক্রান্ত সবকিছু এদের তত্ত্বাবধানেই পরিচালিত হয়। জরুরি পরিস্থিতিতে অভিযানের সময় বিভিন্ন বাহিনীর মধ্যে যোগাযোগ রক্ষার পাশাপাশি, তথ্য়প্রযুক্তির দিকটিও সামলায় Corps of Signals. দেশের প্রথম মহিলা অফিসার হিসেবে বহুদেশীয় সামরিক মহড়ায় নেতৃত্ব দেন সোফিয়া। বিভিন্ন দেশকে নিয়ে Exercise Force 18-মহড়ার আয়োজন করেছিল ভারত, সেখানে অগ্রভাগে ছিলেন সোফিয়া। ASEAN দেশগুলি যেমন, জাপান, চিন, রাশিয়া, আমেরিকা, দক্ষিণ কোরিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়া ছিল অংশগ্রহণকারী দেশ। ২০০৬ সালে কঙ্গোয় রাষ্ট্রপুঞ্জের পিসকিপিং অপারেশনেও যুক্ত ছিলেন কর্নেল সোফিয়া। ২০১০ সাল থেকে পিসকিপিং অপারেশনের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত তিনি। সেখানে প্রশিক্ষকের ভূমিকা পালন করেন। </p> <p>সোফিয়ার রক্তেই দেশসেবা রয়েছে। তাঁর দাদু ভারতীয় সেনায় কর্মরত ছিলেন। তাঁর স্বামীও মেকানাইসড ইনফ্যান্ট্রিতে কর্মরত। ভারতীয় সেনায় যোগদানে মেয়েদের শুধু অনুপ্রেরণায় জোগাননি, সেনায় মেয়েদের ভূমিকা নিয়ে যে প্রচলিত ধারণা ছিল, তাও পাল্টে দিয়েছেন।</p> <p>ভারতীয় মেয়েদের উদ্দেশে তাঁর বার্তা ছিল, "সম্ভব হলে অবশ্য়ই ভারতীয় সেনায় যোগ দিন।" ২০১৬ সালে কর্নেল সোফিয়ার ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন প্রাক্তন লেফটেন্যান্ট জেনারেল বিপিন রাওয়াত। </p>
from india https://ift.tt/njqsY01
via IFTTT
0 Comments