<p>Husband Killed Wife: বিয়ের ৫ মাসের মধ্যেই সব শেষ। অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী'কে খুনের অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে। পুলিশ সূত্রে খবর, প্রথমে শ্বাসরোধ করে এবং তারপর কাঁচি দিয়ে স্ত্রী'র গলা চিরে খুন করেছেন স্বামী। গুরুগ্রামের এইচডিএফসি ব্যাঙ্কের কর্মী ছিলেন ২৭ বছরের তরুণী মেহেক। তাঁকেই খুন করেছেন স্বামী অনশুল ধাওয়ান। পেশায় একজন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট এই যুবক। হরিয়ানার হিসারের সেক্টর ১৪- র বাসিন্দা অভিযুক্ত। চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করতেন গুরুগ্রামে। পুলিশ সূত্রে খবর, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ঘটেছে এই মর্মান্তিক ঘটনা। গাড়িতে যেতে যেতেই মেহেককে খুন করেন অনশুল, এমনই অভিযোগ উঠেছে। </p> <p>নিজের অপরাধ ধামাচাপা দেওয়ার জন্য সেদিন রাত ১১টা নাগাদ হরিয়ানার থানায় ফোন করেছিলেন অনশুল। পুলিশকে জানিয়েছিলেন ঝাজ্জর জেলার কাছে কয়েকজন তাঁর গাড়ি থামায়। ডাকাতির চেষ্টা করে এবং তাঁর স্ত্রী'র গলা কেটে দেওয়া হয়েছে। এই ফোন পাওয়ার পরই তদন্ত শুরু করে পুলিশ। ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ে তদন্তের কিনারা হয়। পুলিশ জানতে পারে আসল অপরাধী অনশুল নিজেই। স্ত্রী'কে খুনের অভিযোগে তাঁকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশকে ফোনে অনশুল জানিয়েছিলেন ঝাজ্জর জেলার বাদলি এলাকায় পাহসাউর গ্রামের কাছে ডাকাতরা তাঁর গাড়ি থামিয়েছিল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ মেহেকের দেহ উদ্ধার করে। নোংরা রাস্তার মধ্যে পড়েছিল তরুণীর দেহ। কাটা ছিল গলা। প্রথমে ডাকাতি এবং খুনের মামলা রুজু হলেও তদন্তে নেমে আসল সত্যি জানতে পারে পুলিশ। </p> <p>পুলিশ সূত্রে খবর, ডাকাতরা হামলা করেছে এমন কথা বললেও, হামলাকারীদের ব্যাপারে কোনও তথ্যই স্পষ্ট করে জানাতে পারেননি অনশুল। এমনকি একটু চেপে ধরে জেরা করতেই একাধিকবার বয়ান বদল করেছেন তিনি, দাবি পুলিশের। সন্দেহ হয় তদন্তকারীদের মনে। জোরকদমে শুরু হয় জিজ্ঞাসাবাদ। জেরায় অনশুল অপরাধ স্বীকার করেছেন বলে দাবি পুলিশের। ঘটনার দিন বাপের বাড়ি থেকে গাড়ি করে ফিরছিলেন মেহেক। অনশুলের সঙ্গে ঝগড়া হয় তাঁর। মেহেকের বিবাহ বহির্ভূর সম্পর্ক রয়েছে এমনটাই সন্দেহ করতেন অনশুল। এই নিয়ে সেদিন ঝগড়া শুরু হয়েছিল স্বামী-স্ত্রী'র মধ্যে। বিয়ের পর থেকেই এই ঝামেলা চলছিল বলে খবর। </p> <p>প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, গাড়ির ভিতর অনুশুল প্রথমে শ্বাসরোধ করে খুন করেন মেহেককে। তরুণীর মৃত্যুর পর তাঁর গলায় কাঁচি চালিয়ে দেন অনুশুল। আঙুলের ছাপ যাতে না পড়ে সেই জন্য হাতে গ্লাভস পরে নিয়েছিলেন তিনি। এরপর গাড়ি থেকে মেহেকের দেহ বের করে ফেলে দেন অনশুল। পুরো ঘটনাটা এমন ভাবে সাজান যাতে মনে হয় ডাকাতদের কবলে পড়েছিলেন স্বামী-স্ত্রী। আর ডাকাতদের হাতেই মৃত্যু হয়েছে মেহেকের। সেই মতোই পুলিশকে ফোন করে অনশুল জানান সবটা। তবে শেষ পর্যন্ত গ্রেফতার হয়েছেন অভিযুক্ত। </p>
from india https://ift.tt/IdgHsXV
via IFTTT
0 Comments