<p><span style="font-weight: 400;"><strong>নয়াদিল্লি:</strong> পাজামার দড়ি খুলে দেওয়াও ধর্ষণের চেষ্টা, জানিয়ে দিল দেশের <a title="সুপ্রিম কোর্ট" href="https://ift.tt/lcGwdXL" data-type="interlinkingkeywords">সুপ্রিম কোর্ট</a>। নাবালিকাকে নিগ্রহ মামলায় বিতর্কিত রায় দিয়েছিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট। বলা হয়েছিল, নাবালিকার স্তন খামচে ধরা, পাজামার দড়ি ছিঁড়ে দেওয়া, সাঁকোর নীচে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা ধর্ষণের চেষ্টা নয়। কিন্তু হাইকোর্টের সেই রায় খারিজ করে দিল সর্বোচ্চ আদালত। (Supreme Court)</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">এলাহাবাদ হাইকোর্টের ওই রায়ের তীব্র সমালোচনা করেছে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি এবং বিচারপতি এনভি আঞ্জারিয়ার বেঞ্চ। সর্বোচ্চ আদালত জানায়, যৌন অপরাধ সংক্রান্ত মামলার রায়ে আইনি কার্যকারণ এবং সহানুভূতি প্রয়োজন। (POCSO Case)</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">বিচারপতিরা বলেন, “অভিযোগের দ্বারা শুধুমাত্র প্রস্তুতি বোঝায়, চেষ্টা বোঝায় না বলে হাইকোর্ট যে মন্তব্য করেছে, আমরা তার সঙ্গে একমত নই। ফৌজদারি আইনে প্রতিষ্ঠিত নীতির ভুল প্রয়োগের দরুণ বিতর্কিত রায়টি বাতিল করা যেতে পারে।” </span></p> <p><span style="font-weight: 400;">এর আগে, ১০ ফেব্রুয়ারিও এলাহাবাদ হাইকোর্টের সমালোচনা করে সর্বোচ্চ আদালত। সেবার পরিষ্কার ভাষায় বিচারপতিরা জানান, মামলাকারীর পীড়া সম্পর্কে যদি অসংবেদনশীল হয় আদালত, সেক্ষেত্রে ‘সম্পূর্ণ বিচার’ হয় না।</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">যে মামলাকে ঘিরে এই গোটা বিতর্ক, সেটি ২০২৫ সালের ১৭ মার্চের। উত্তরপ্রদেশে ১১ বছরের এক নাবালিকাকে নিগ্রহের মামলা ছিল। নির্যাতিতা মেয়েটির স্তন খামচে ধরে, পাজামার দড়ি খুলে, তাকে সাঁকোর নীচে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ছিল আকাশ এবং পবন নামের দুই যুবকের বিরুদ্ধে। স্থানীয়রা বাধা দেওয়ায় বেঁচে যায় মেয়েটি। </span></p> <p><span style="font-weight: 400;">দায়রা আদালতে বিষয়টি ধর্ষণের চেষ্টা হিসেবেই গৃহীত হয়। সেই মতো ধর্ষণ এবং পকসো ধারায় সমন জারি হয় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে। কিন্তু এলাহাবাদ হাইকোর্ট সমনে পরিবর্তন ঘটিয়ে ধারা বদলে দেয়। ধর্ষণের চেষ্টার পরিবর্তে যুক্ত করা হয় ৩৫৪-বি (জোর খাটিয়ে বিবস্ত্র করার উদ্দেশ্য), পকসোর ৯/১০ ধারা (তীব্র যৌন নির্যাতন)।</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">সেই সময় বিচারপতি রাম মনোহর নারায়ণ মিশ্র যুক্তি দেন, মেয়েটির পোশাকের নিম্নভাগের দড়ি খোলার পরণ ধরা পড়ে যায় দুই অভিযুক্ত। ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় তারা। তাই তারা ধর্ষণই করতে যাচ্ছিল বলে প্রমাণ নেই। এমনকি নাবালিকার স্তন খামচে দেওয়াও ধর্ষণের চেষ্টা নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। বিষয়টি সামনে আসতেই আলোড়ন সৃষ্টি হয় গোটা দেশে।</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">সেই আবহে গত বছর ২৫ মার্চ স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে মামলাটি গ্রহণ করে সর্বোচ্চ আদালত। এলাহাবাদ হাইকোর্টের তখনকার নির্দেশ স্থগিত রাখা হয়। </span></p>
from india https://ift.tt/HLZf6yh
via IFTTT
0 Comments