<p><span style="font-weight: 400;"><strong>নয়াদিল্লি:</strong> ‘অন্যায়ভাবে’ লক্ষ লক্ষ মানুষের দেওয়ার অভিযোগ। আর তাতেই ওড়িশায় কড়া নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের। নাম মোছার আগে সবকিছু ‘সঠিকভাবে’ যাচাই করতে নির্দেশ দেওয়া হল। পাশাপাশি জানিয়ে দেওয়া হল, নাম বাদ দেওয়ার ক্ষমতা নেই BLO-দের। সব কিছু যাচাই করে দেখে ERO-রাই সিদ্ধান্ত নেবেন। (Odisha SIR Name Deletion)</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">বিজেপি শাসিত ওড়িশায় এই মুহূর্তে ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধন বা SIR-এর কাজ চলছে। ম্য়াপিং করতে গিয়ে সেখানে ৯ লক্ষ ৮০ হাজার নাম বাদ দেওয়া হয়, যা নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। ‘অন্যায়ভাবে’ নাম বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করছেন সকলে। সেই নিয়ে ভূরি ভূরি অভিযোগও জমা পড়েছে নির্বাচন কমিশনে। আর তাতেই কড়া নির্দেশ দেওয়া হল। (SIR in Odisha)</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">ওড়িশার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আর এস গোপালন জানিয়েছেন, নাম বাদ দেওয়ার আগে ‘সঠিকভাবে’ সবকিছু যাচাই করে দেখতে হবে। তাঁর কথায়, “ERO-দের বলা হয়েছে, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার আগে সবকিছু সঠিক ভাবে যাচাই করে দেখতে হবে। BLO-দের নাম বাদ দেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়নি। তাঁরা শুধু রিপোর্ট জমা দেবেন।”</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">গোপালন জানিয়েছেন, বাদ দেওয়ার জন্য ৯ লক্ষ ৮০ হাজার নাম ‘শর্টলিস্ট’ করেছিলেন BLO-রা। তার জেরেই SIR প্রক্রিয়া নিয়ে এত অভিযোগ-অনুযোগ সামনে আসছে। গত ১৮ এপ্রিল সেই নিয়ে ERO-দের চিঠিও দিয়েছেন অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক তথা বিশেষ সচিব সুশান্ত কুমার মিশ্র। তিনি জানান, ৯ লক্ষ ৮০ হাজার নাম ইতিমধ্যেই ‘শর্টলিস্ট’ করা হয়েছে বাদ দেওয়ার জন্য। নাম বাদ দেওয়ার আগে সব কিছু পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে যাচাই করে নিতে হবে। বিশেষ করে মৃত ভোটার শনাক্তকরণে সতর্কতা থাকা জরুরি।</span></p> <p><span style="font-weight: 400;">নির্বাচনী আধিকারিকদের দাবি, এমন একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে, যেখানে নাম বাদ দেওয়ার পর দেখা গিয়েছে ভোটার দিব্যি বেঁচেবর্তে রয়েছেন। BLO-রা সঠিক ভাবে তথ্য় যাচাই করেননি, ফিল্ড ভিজিটে যাননি বলেই এমনটা ঘটেছে বলে মনে করছেন তাঁরা। ERO-দের সুশান্ত জানিয়েছেন, ভোটার জীবিত আছেন, না মারা গিয়েছেন, সঠিকভাবে যাচাই করেই নাম বাদ দেওয়া যাবে। পরিবার বা আত্মীয়স্বজনদের তরফে ফর্ম-৭ জমা করা হয়েছে কি না, দেখতে হবে আগে। ভোটারের শেষ ঠিকানায় বার বার নোটিস পাঠাতে হবে। তবেই এগনো যাবে নাম বাদ দেওয়ার দিকে। </span></p> <p><span style="font-weight: 400;">নয়া নির্দেশ অনুযায়ী, ২ এপ্রিলের পর যত ফর্ম ৭ জমা পড়েছে, তার ৫০ শতাংশ ক্ষেত্রে অন্তত অফিসারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সবকিছু যাচাই করে দেখতে হবে। ইমেল, হেল্পলাইন নম্বর বা অন্য প্ল্যাটফর্মে যত অভিযোগ-অনুযোগ জমা পড়েছে, সেগুলি সব খতিয়ে দেখতে হবে। যেখানে যেখানে এখনও নাম মোছার কাজ চলছে, সেক্ষেত্রে জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের লগইন সিস্টেমের মাধ্যমে নাম বাদ দেওয়ার অনুরোধ প্রত্যাহার করে নিতে হবে। যেখানে ভুল করে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে, অবিলম্বে সেই সব ভোটারের নাম ফেরাতে হবে তালিকায়। ERO-দের লিখিত শংসাপত্র দিতে হবে যে, তাঁরা সশরীরে গিয়ে যাচাই করে এসেছেন, তবেই নাম বাদ গিয়েছে। সেসব মিটলে তবেই অনলাইন সিস্টেমে কাজ শুরু হবে।</span></p>
from india https://ift.tt/CR5wUAV
via IFTTT
0 Comments