<p><span style="font-weight: 400;"><strong>নয়াদিল্লি:</strong> আমেরিকায় অপরাধ মামলা থেকে মুক্ত শিল্পপতি গৌতম আদানি। সব মামলা থেকে নিষ্কৃতি পেলেন তাঁর ভাইপো সাগর আদানিও। তাঁদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক জালিয়াতির সব অভিযোগ প্রত্যাহার করা হল। পাশাপাশি, নিষেধাজ্ঞা অগ্রাহ্য করে ইরানের সঙ্গে লেনদেন চালিয়ে যাওয়ার মামলাও ‘সেটল’ করে নিল ডোনাল্ড ট্রাম্প সরকার। তবে এমনি এমনি নিষ্কৃতি মেলেনি। আমেরিকায় ১০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে আদানিরা, ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ৯৬ লক্ষ ৩১৪ কোটি টাকা। তাতেই গৌতম এবং সাগর আদানি নিষ্কৃতি পেলেন বলে মনে করা হচ্ছে। (Gautam Adani)</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">আমেরিকার বাজার থেকে তোলা মোটা টাকাকে ঘুষ হিসেবে ব্যবহার করা, সেই ঘুষের বিনিময়ে ভারতের সর্ববৃহৎ সৌরশক্তি প্রকল্পের বরাত হাসিল করা নিয়ে অপরাধমূলক মামলা হয়েছিল আদানিদের বিরুদ্ধে। সেই নিয়ে আমেরিকা সরকাররে সঙ্গে দরাদরি চলছিল এতদিন ধরে। শেষ পর্যন্ত আমেরিকার জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট সব মামলা থেকে নিষ্কৃতি দিল আদানিদের। আমেরিকায় যাঁকে নিজের আইনজীবী নিয়োগ করেছিলেন গৌতম, তিনি আবার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পেরও ব্যক্তিগত আইনজীবী। তিনি জানান, আমেরিকায় ১০ বিলিয়ন জলার বিনিয়োগে রাজি আদানিরা। কিন্তু মামলা ঝুলে থাকায় সেই কাজে হাত দিতে পারছেন না। (Adani Group)</span></p>
<p><strong>আরও পড়ুন: <a title="ফের মহামারির প্রকোপ? ইবোলার প্রকোপে হু হু করে বাড়ছে মৃত্যু, জরুরি অবস্থা ঘোষণা করল WHO" href="https://ift.tt/OJu9VGe" target="_self">ফের মহামারির প্রকোপ? ইবোলার প্রকোপে হু হু করে বাড়ছে মৃত্যু, জরুরি অবস্থা ঘোষণা করল WHO</a></strong></p>
<p><span style="font-weight: 400;">যদিও আদানিদের এভাবে নিষ্কৃতি দেওয়া নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে আমেরিকার প্রশাসনের অন্দরে। জো বাইডেন সরকারের আমলে আদানিদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক জালিয়াতির অভিযোগ ওঠে। বলা হয়েছিল, আমেরিকার বাজার থেকে ৩ বিলিয়ন ডলার তোলা হয়েছিল। অথচ দুর্নীতির বিষয়টি পুরোপুরি আড়াল রাখে আদানিরা। পাশাপাশি, আমেরিকার ট্রেজারি বিভাগ অভিযোগ তোলে, নিষেধাজ্ঞা এড়়িয়ে ইরানের কাছ থেকে তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস কেনে আদানিরা। সেই মামলা মিটমাট করে নিতে ২৭৫ মিলিয়ন ডলার দিতে রাজি হয়, ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ২৬৪৭ কোটি টাকা।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><iframe title="YouTube video player" src="https://www.youtube.com/embed/3mBCfypwgsk?si=fvcUL4-a1bOkF4Pu" width="560" height="315" frameborder="0" allowfullscreen="allowfullscreen"></iframe></span></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><strong>আরও পড়ুন: <a title="‘পশ্চিমবঙ্গে এখন রামরাজত্ব, আগামী ৫০ বছর চলবে’, বাঁকুড়ায় খোল-করতাল নিয়ে জয় উদযাপন বিজেপি-র" href="https://ift.tt/o30xLf8" target="_self">‘পশ্চিমবঙ্গে এখন রামরাজত্ব, আগামী ৫০ বছর চলবে’, বাঁকুড়ায় খোল-করতাল নিয়ে জয় উদযাপন বিজেপি-র</a></strong></span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">আমেরিকার দাবি ছিল, দুবাইয়ের একটি সংস্থার মাধ্যমে প্রায় ১৯১ মিলিয়ন ডলার মূল্যের (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১৮৩৯ কোটি টাকা) LPG কেনে আদানি গোষ্ঠী। ওমান এবং ইরাক থেকে LPG এসেছে বলে দাবি করা হলেও, আসলে ইরান থেকে কেনা হয়েছিল LPG. ঘুষের বিষয়টিও মিটে গিয়েছে বলে জানিয়েছে আমেরিকার সিকিওরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন। তবে আদালতের সিলমোহর এখনও বাকি। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আদানিদের দহরম মহরম নিয়েও সেই সময় প্রশ্ন ওঠে। এমনকি আদানিদের নিষ্কৃতি দিতেই মোদি আমেরিকার সঙ্গে আপস করে চলছে বলে অভিযোগ তোলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গাঁধী। মামলা থেকে নিষ্কৃতি পেতে আদানিরা আমেরিকায় বিনিয়োগ করছে বলে সম্প্রতি যখন খবর সামনে আসে, তাতেও মোদির ভূমিকা নিয়ে সরব হন রাহুল থেকে বিরোধী শিবিরের অন্য নেতানেত্রীরা। রাহুলের বক্তব্য ছিল, ‘বাণিজ্যচুক্তি নয়, কম্প্রোমাইজ়ড প্রধানমন্ত্রী আদানিতে রেহাই দেওয়ার চুক্তি করেছেন’।</span></p>
from india https://ift.tt/TYJh215
via IFTTT
0 Comments