<p><strong>আশাবুল হোসেন, বিটন চক্রবর্তী ও রুমা পাল, কলকাতা :</strong> মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আজ থেকে আন্দোলনে নামছে ককরোচ জনতা পার্টি। মুম্বই থেকে শুরু হবে প্রতিবাদ। যা করার করুক, ওসব আর মানুষ পাত্তা দেয় না বলে পাল্টা কটাক্ষ করল বিজেপি। </p>
<p>NEET প্রশ্নফাঁসকাণ্ডের প্রতিবাদে দু-মাস আগে তাদের আন্দোলনেই উত্তাল হয়েছিল দিল্লির যন্তর-মন্তর...সহ গোটা দেশ। দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল সেই আন্দোলন। বারবার বাধার মুখে পড়েছিল সেই প্রতিবাদ...। তারপরও শেষমেশ সেই আন্দোলনের চাপেই পিছু হঠতে হয়েছিল মোদি সরকারকে। শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে সরাতে হয়েছিল ধর্মেন্দ্র প্রধানকে। জেন জি-দের সেই ককরোচ জনতা পার্টি আবার পথে নামছে শুক্রবার গান্ধী জয়ন্তীর দিনে। অস্বচ্ছভাবে ভোট পরিচালনার অভিযোগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে এবার আন্দোলনে নামছে তারা। মুম্বই থেকে শুরু হবে আন্দোলন। ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে বলেছেন "জ্ঞানেশ কুমার দেশের সবচেয়ে বড় গদ্দার। তাঁর পদত্যাগ চাই। কাল (শুক্রবার) থেকে আমাদের দেশজুড়ে আন্দোলন শুরু হতে চলেছে।" তিনি আরও বলেছেন, "মুম্বই থেকে শুরু হবে। এটা দেশের গণতন্ত্র বাঁচানোর আন্দোলন। প্রথম দাবি হল জ্ঞানেশ কুমারের উপর ক্রিমিনাল চার্জ লাগু করা প্রয়োজন। তাঁকে নিয়ে তদন্ত চাই। SIR-এর তালিকা রয়েছে, তা ফ্রিজ করা উচিত। ২০২৫-এর যে ভোটার তালিকা, তার ভিত্তিতেই ভোট হওয়া উচিত। যদি SIR-এর ভিত্তিতে ভোট হয়ে থাকে, তাহলে মোদিজি আমেরিকাতেও ভোটে জিততে পারেন। আমাদের তৃতীয় দাবি, নির্বাচন কমিশনের সিলেকশন, সেটা পুরোপুরি নিরপেক্ষ হওয়া উচিত।"</p>
<p>পাল্টা রাজ্য বিজেপির নেতা দেবজিৎ সরকার বলেন, "মন দিয়ে করুক। তারপরে দেখা যাবে। এবারে মানুষ ক্ষেপে যাবে এদের উপরে। অনেক অত্যাচার সহ্য করেছে। নৈরাজ্য সৃষ্টির একটা সীমা আছে।" SIR নিয়ে নানা ক্ষেত্রে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বাকি দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক জোশীর বক্তব্যকে গুরুত্ব দেননি বলে তুলে ধরা হয়েছে 'দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের' প্রতিবেদনে। এই প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল ২৩ সেপ্টেম্বর, বুধবার। এরপরই ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন, জ্ঞানেশ কুমার যদি শনিবারের মধ্যে পদত্যাগ না করেন, তবে CJP দোসরা অক্টোবর মুম্বই থেকে দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করবে এবং তা ভারতের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে দেবে।</p>
<p>৪৮ ঘণ্টার সেই ডেডলাইন গত শনিবারই শেষ হয়ে গেছে। এখনও নিজের পদেই বহাল রয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার। এই আবহেই আজ থেকে ফের পথে নামছে ককরোচ জনতা পার্টি। ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্র সৌরভ দাস বলেন, "দেশের কাছে তিনি (জ্ঞানেশ কুমার) একজন বিশ্বাসঘাতক, এক নম্বর শত্রু। আসল দেশ বিরোধী। আমরা নিশ্চিত করব যে তাঁকে (জ্ঞানেশ কুমার) যাতে পদ থেকে অপসারণ করা হয়, তাঁর সমস্ত অপকর্মের প্রতিকার হয়।"</p>
<p>যদিও, মুম্বই পুলিশ শুক্রবার শিবাজী পার্কে ককরোচ জনতা পার্টিকে বিক্ষোভের অনুমতি দেয়নি। </p>
from india https://ift.tt/xgcEZfR
via IFTTT
0 Comments