<p class="story_para_0">জম্মু ও কাশ্মীর : লস্কর-ই-তৈবার কুখ্যাত জঙ্গি, কম্যান্ডার মহম্মদ আসিফ ওরফে হাসিম মুসাকে নিকেশ করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। জম্মু ও কাশ্মীরের বদগামে একটি এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছে এই জঙ্গির। প্রায় তিন বছর ধরে এই ফৌজি মুসার খোঁজ চালাচ্ছিল নিরাপত্তা বাহিনী। বেশ কয়েকবার তার নাগাল পেয়েও শেষ পর্যন্ত পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিল এই জঙ্গি। তবে এবার একদম নিখুঁত অপারেশন করেছে সেনাবাহিনী। জানা গিয়েছে, এত বছর জম্মু ও কাশ্মীরের অন্যতম কঠিন এলাকাগুলোর মধ্যে দিয়েই বারংবার পালিয়ে যেত হাসিম মুসা। আর এইসব এলাকাতেই ছিল তার সবচেয়ে শক্তিশালী ঘাঁটি। পুঞ্চ এবং রাজৌরি এলাকার ঘন জঙ্গল, পীর পাঞ্জারের উচ্চ পার্বত্য এলাকা এবং মধ্য কাশ্মীরের ঘন জঙ্গল এলাকাই ছিল ফৌজি মুসার বিচরণক্ষেত্র। এইসব এলাকাতেই কিছু স্থানীয় বাসিন্দার সাহায্যে শক্তিশালী ঘাঁটি গেড়ে একাধিক জঙ্গি অভিযান চালিয়েছিল লস্করের এই কম্যান্ডার। তবে তিন বছর ধরে তাকে ধাওয়া করে, অবশেষে সাফল্য পেয়েছে সেনাবাহিনী। সেই সঙ্গেই উল্লিখিত এলাকায় লস্করের নেটওয়ার্কও ভেঙে দিতে সক্ষম হয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী। </p>
<p class="story_para_0"><a title="খতম কুখ্যাত জঙ্গি 'ফৌজি মুসা', লস্কর-ই-তৈবার চার সদস্যের একটি মডিউলের শেষ জীবিত সদস্য ছিল সে " href="https://ift.tt/3FdWkh5" target="_self">খতম কুখ্যাত জঙ্গি 'ফৌজি মুসা', লস্কর-ই-তৈবার চার সদস্যের একটি মডিউলের শেষ জীবিত সদস্য ছিল সে </a></p>
<p id="1" class="story_para_1">পাকিস্তানের মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবার এই মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গিকে বুধবার অপারেশন কোরাগের মাধ্যমে খতম করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। বদগামের ইউসমার্গ এলাকায় অভিযান চালায় সেনাবাহিনীর। অভিযান শেষে তল্লাশির সময় উদ্ধার হয় হাসিম মুসার দেহ এবং তার সঙ্গে উদ্ধার হয়েছে প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ যা একপ্রকার যুদ্ধ করার জন্য যথেষ্ট। হাসিম মুসার মৃত্যু নিয়ে এত চর্চার অন্যতম কারণ লস্কর চার সদস্যের একটি দল গঠন করেছিল কাশ্মীর উপত্যকা এবং পীর পাঞ্জারে তাদের নেটওয়ার্ক সুদৃঢ় করার জন্য। সেই দলের বাকি তিন জঙ্গি আগেই খতম হয়েছে। শেষ জীবিত জঙ্গি ছিল হাসিম মুসা। এবার তাকেও খতম করেছে সেনাবাহিনী। ২০২৫ সালের পহেলগাঁও হামলার পিছনেও মাথা ছিল এই হাসিম মুসার, এমনটাই জানা গিয়েছে। </p>
<p class="story_para_1">লস্কর-ই-তৈবার চার সদস্যের ওই দলের বাকি তিন জঙ্গি ছিল সুলেমান শাহ, জুনেদ আহমেদ ভাট এবং ইয়াসির। এর মধ্যে জুনেদ নিকেশ হয়ে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে। সুলেমানের মৃত্যু হয় ২০২৫ সালের জুলাইতে। আর ইয়াসির মারা গিয়েছে হাসিম মুসা খতম হওয়ার মাস খানেক আগে। লস্করের চার জঙ্গির এই দলের চারজনেরই মৃত্যু হওয়ায় উপত্যকায় লস্কর-ই-তৈবার সংগঠনে বড়সড় প্রভাব পড়বে। </p>
from india https://ift.tt/a5uyXqb
via IFTTT
0 Comments