<p>Intercaste Relationship: প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছিল মেয়ে। তায় সেই ছেলে আবার 'নিচু জাতের'। সেই রাগে মেয়েকে শ্বসরোধ করে খুন করেছেন বাবা। এমনই সাংঘাতিক অভিযোগ উঠেছে কর্নাটকের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এখানেই শেষ নয়। মেয়ের খুনের ঘটনাকে আত্মহত্যা বলে চালানোর জন্য তরুণীর মুখে একগাদা কীটনাশক ঠেসে ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন তাঁর বাবা। তারপর তড়িঘড়ি মেয়ের শেষকৃত্যও সেরে ফেলেছিলেন তিনি। পুলিশ সূত্রে প্রকাশ্যে এসেছে এই ভয়াবহ তথ্য। </p> <p>কর্নাটকের কালাবুরাগি জেলায় ঘটেছে এই মর্মান্তিক ঘটনা। সেখানকার মেলাকুন্ডা গ্রামের বাসিন্দা ওই তরুণী। বয়স মাত্র ১৮ বছর, জানা গিয়েছে পুলিশ সূত্রে। কালাবুরাগি জেলার পুলিশ কমিশনার শরনাপ্পা এস ডি সংবাদসংস্থা পিটিআই- কে জানিয়েছেন যে, তাঁদের কাছে খবর আসে বছর ১৮- র একটি মেয়ে আত্মহত্যা করেছে এবং তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে। কিন্তু গোটা ঘটনা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ জাগে পুলিশের মনে। তরুণীর মৃত্যুর খবর পেয়ে দ্রুত ওই গ্রামে যায় স্থানীয় পুলিশ। সেখানে গিয়ে ঘটনার ব্যাপারে সবকিছু জানেন পুলিশকর্মীরা। </p> <p>পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম শঙ্কর। তাঁকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, জেরায় ধৃত জানিয়েছে, পাঁচ মেয়ে রয়েছে তাঁ। সকলেরই বিয়ে দিতে হবে। একজন অন্য জাতে বিয়ে করলে বাকিদের উপর তার প্রভাব পড়বে। এই জন্য বারবার মেয়েকে ওই নিচু জাতের ছেলের সঙ্গে মিশতে বারণ করেছিলেন। এমনকি আত্মীয়দের দিয়ে মেয়েকে বুঝিয়ে সুঝিয়ে পড়াশোনায় মন দেওয়ার কথাও বলেছিলেন। কিন্তু মেয়ে নিজের সিদ্ধান্তে একরোখা হয়ে গিয়েছিল। কারও কথাই শোনেনি সে। না পড়াশোনায় মন দিতে চেয়েছিল, না ওই সম্পর্ক শেষ করতে চেয়েছিল। আর তার জেরেই ১৮ বছরের মেয়েটি খুন করেছে তার বাবা। </p> <p>মেয়েকে শ্বাসরোধ করে খুন করার পর তার মুখে কীটনাশক ঢুকিয়ে দিয়েছিল অভিযুক্ত শঙ্কর। এর ফলে গ্রামবাসীদের বোঝাতে সুবিধা হয়েছিল যে মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। গ্রামবাসীরাও শঙ্করের কথা বিশ্বাস করে মেয়েটির শেষকৃত্যে উপস্থিত হয়েছিলেন। তবে শেষরক্ষা হয়নি। শষ পর্যন্ত নিজের অপরাধ ধামা চাপা দিতে পারেননি শঙ্কর। ফরেন্সিক দল ইতিমধ্যেই নমুনা সংগ্রহ করেছে। খুন এবং প্রমাণ লোপাটের অভিযোগে শঙ্করের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। তাদের অনুমান, এই ঘটনায় সম্ভবত আরও দু'জন যুক্ত রয়েছে। আর তারা সম্ভবত শঙ্করেরই আত্মীয়। তবে তারা কারা, সেই ব্যাপারে নিশ্চিত ভাবে কিছু জানা যায়নি এখনও। আপাতত তদন্ত চলছে। আর কেউ দোষী থাকলে তাদেরও গ্রেফতার করা হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ কমিশনার। </p>
from india https://ift.tt/BvwGfYy
via IFTTT
0 Comments