<p><strong>বিজেন্দ্র সিংহ, রুমা পাল ও উজ্জ্বল মুখোপাধ্যায়; নয়াদিল্লি :</strong> লোকসভার স্পিকারের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাবে তৃণমূলের সাংসদদের সই না করার পিছনে, বিজেপির সঙ্গে সেটিং দেখছে কংগ্রেস। অন্যদিকে বিজেপি বলছে, রাজ্যে ক্ষমতা হারানোর ভয়ে অনাস্থা প্রস্তাবে সই করেননি তৃণমূল সাংসদরা। সব মিলিয়ে তৃণমূলের সিদ্ধান্ত নিয়ে তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা।</p> <p>লোকসভার স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিস দিতে গেলে, অন্তত ১০০ জন সাংসদের সই লাগে। মঙ্গলবার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে কংগ্রেসের আনা প্রস্তাবে ১১৪ জন সই করেছেন। কংগ্রেস ছাড়াও সই করেছেন সমাজবাদী পার্টি, RJD, DMK, CPM-সহ অন্যান্য বিরোধী দলের সাংসদ। কিন্তু, তৃণমূল সই করেনি!</p> <p>এ প্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের লোকসভার দলনেতা <a title="অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়" href="https://ift.tt/59jxldL" data-type="interlinkingkeywords">অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়</a> বলেন, "একটা আবেদন স্পিকারের কাছে করা যেতে পারে, স্পিকারকে ২-৩ দিনের একটা সময় দেওয়া যেতে পারে। মঙ্গলবার, আজ আপনি একটা চিঠি জমা করলেন, মঙ্গল-বুধ-বৃহস্পতি আপনি সময় দিয়ে দিন, যদি বৃহস্পতিবারের মধ্যে কোনও সুরাহা না হয়, শুক্রবার অনাস্থা প্রস্তাব আনা হবে। কোনও অসুবিধা নেই।"</p> <p>স্পিকারের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের অনাস্থার প্রতি, তৃণমূলের এই অনাস্থা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। এনিয়ে আক্রমণ শানিয়েছেন প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরী। তিনি বলেন, "আজ কেন কপিল সিব্বলের অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে, তারা (রাজ্য সরকার) যে ডেট চাইছে, সেই ডেটে রাজি হচ্ছে এই ED। যে ED একদিন ধরতে গিয়েছিল তাদেরকে। তুমি আর আমি, আমরা মালাইটা ভাগ করে খাব। বেশি নির্বাচন কমিশনকে দিয়ে ঝঞ্ঝাট করিও না। আমি নির্বাচন কমিশনের কাছে গিয়ে গোটাটা ম্যানেজ করার চেষ্টা করেছি। যদি ম্যানেজ না হয়, তোমরা বাকিটা দেখে নিও।"</p> <p>সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী বলেন, "স্পিকারের বিরুদ্ধে এই যে প্রস্তাব তাতে তৃণমূল সই না করে প্রমাণ করে দিল, বিজেপির বিরুদ্ধে কোনও মুভ হলে তাতে তারা নেই। একেবারে স্পষ্ট করে দিল আবারও। সেই কারণে বলল, আরও কয়েকদিন সময় চাই। মানে, রফা হতে হয়তো আর দু'-একটা বাকি আছে। অতএব কিছু বলার সাহস নেই। বিজেপিকে বরাবর সাহায্য করেছে তৃণমূল। এটা লোকসভায়... বিভিন্ন সময়ে বিল পাসের ক্ষেত্রে আমরা স্পষ্ট দেখেছি। একদম ভোটের মুখে আর একবার স্পষ্ট হয়ে গেল।" </p> <p>বিজেপি অবশ্য তৃণমূলের সঙ্গে সেটিংয়ের তত্ত্ব পুরোপুরি উড়িয়ে দিয়েছে। বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকারের কথায়, "প্রবাদ আছে, ঠেলায় পড়লে বিড়াল গাছে ওঠে। বাঘেও ধান খায় খিদে পেলে। <a title="সুপ্রিম কোর্ট" href="https://ift.tt/FoxdEzX" data-type="interlinkingkeywords">সুপ্রিম কোর্ট</a>ে থাপ্পড় খেয়েছে, আর্থিকভাবে বেকায়দায় পড়ছে DA দেওয়া নিয়ে, একের পর এক তৃণমূল বেকায়দায় পড়ে গেছে। তাই এখন যদি বাঁচা যায়, শেষ রক্ষা মোদিজির স্মরণম হয়ে। বাংলার ক্ষমতা এবার বিজেপি নেবেই। কারণ জনতা এবার তৃণমূলকে চিনে গেছে, তাই এখন এত বিরোধিতা করে শেষে এখন বাঁচার চেষ্টা হচ্ছে, স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থায় সই না করে।"</p> <p>তৃণমূলও স্পিকারের আচরণে সন্তুষ্ট নয়, তাহলে এখনই তারা তাঁর তার বিরুদ্ধে কংগ্রেসের আনা অনাস্থা প্রস্তাব থেকে দূরে থাকতে চাইছে কেন? নেপথ্য়ে কি বিশেষ রাজনৈতিক কৌশল ? ঘুরপাক খাচ্ছে প্রশ্নগুলি।</p>
from india https://ift.tt/N0Q1Tdf
via IFTTT
0 Comments