Pakistan Link and Espionage: কেউ ব্যবসায়ী, কেউ পড়ুয়া, কেউ বা দিনমজুর, পাক-যোগ, গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে জ্যোতি সমেত জালে মোট ১২

<p><strong>Pakistan Link and Espionage:&nbsp;</strong>জ্যোতি মালহোত্রা, হরিয়ানার এই ইউটিউবার, ট্র্যাভেল ব্লগারের নাম এখন জানে গোটা দেশ। পাক-যোগ এবং গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন এই ইউটিউবার। তরুণীর পাক-যোগের যেসব তথ্য ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে তা দেখেশুনে চক্ষু চড়কগাছ হওয়ার জোগাড়। একাধিকবার পাকিস্তানে গিয়েছেন জ্যোতি। পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থার সঙ্গে যোগ থাকার মতো গুরুতর অভিযোগও উঠেছে তরুণীর বিরুদ্ধে। তবে শুধু জ্যোতি নন, পাকিস্তান যোগ এবং গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ভারতে এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার হয়েছেন ১২ জন। তাঁদের কেউ ব্যবসায়ী, কেউ মজুর, কেউ পড়ুয়া, কেউ ইউটিউবার। সকলের বিরুদ্ধেই অভিযোগ মারাত্মক এবং গুরুতর। পাকিস্তানের গুপ্তচর সংগঠনের হয়ে চরবৃত্তির অভিযোগ উঠেছে গ্রেফতার হওয়া ১২ জনের বিরুদ্ধে। আরও অনেক সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারকেই জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।&nbsp;</p> <p><strong>জ্যোতি মালহোত্রা ছাড়া আর কাদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ, রইল সেই সন্দেহভাজনদের নাম-তালিকা&nbsp;</strong></p> <p><strong>শাহজাদ, ব্যবসায়ী&nbsp;</strong></p> <p>১৯ মে উত্তরপ্রদেশের এই ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে এসটিএফ। স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্সের তরফে জানা গিয়েছে, শাহজাদের বিরুদ্ধে সীমান্ত পার করে অবৈধ ভাবে বাণিজ্য এবং গুপ্তচরবৃত্তির করার অভিযোগ উঠেছে। কসমেটিক্স, মশলা, পোশাক এবং অন্যান্য আরও অনেক উপকরণের চোরাকারবারে যুক্ত এই শাহজাদ। পাকিস্তান থেকে বহু বছর ধরে এইসব জিনিস এদেশে নিয়ে আসতেন এই ব্যবসায়ী। আদতে ব্যবসার আড়ালে চলত চরবৃত্তি। অভিযোগ, এই শাহজাদ পাকিস্তানে দেশের জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন সংবেদনশীল তথ্য পাচার করতেন। তদন্তকারীরা এও দাবি করেছেন, পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থার সদস্যদের ভারতীয় সিম এবং টাকাপয়সা দিয়েও সাহায্য করতেন শাহজাদ। এছাড়াও পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থার মিশনের জন্য ভারতীয় নাগরিকদের নিয়োগের ক্ষেত্রেও সাহায্য করতেন এই ব্যবসায়ী।&nbsp;</p> <p><strong>দেবেন্দ্র সিং ঢিঁল্লো, পড়ুয়া&nbsp;</strong></p> <p>পোস্ট গ্র্যাজুয়েশনের পড়ুয়া দেবেন্দ্র। কাটিহারের বাসিন্দা তিনি। ভারতীয় সেনা পরিকাঠামোর ক্ষেত্রে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন এই ছাত্র। সোশ্যাল মিডিয়ায় বন্দুকের ছবি আপলোড করে আগেই গ্রেফতার হয়েছিলেন তিনি। তদন্তে নেমে তদন্তকারীরা জানতে পারেন চরবৃত্তির কথা। তদন্তকারীদের দাবি, পাতিয়ালা এয়ার ফোর্স স্টেশন সম্পর্কিত সংবেদনশীল এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই- এর হ্যান্ডলারদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন দেবেন্দ্র। এমনই গুরুতর অভিযোগ উঠেছে এই ছাত্রের বিরুদ্ধে। তাঁর স্ন্যাপচ্যাট অ্যাকাউন্ট থেকে ডিলিট হওয়া চ্যাট উদ্ধারের কাজ শুরু করেছেন তদন্তকারীরা। এর পাশাপাশি খতিয়ে দেখা হচ্ছে ইতিমধ্যেই তাঁর হোয়াটসঅ্যাপ এবং ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে উদ্ধার হওয়া অপরাধমূলক একাধিক প্রমাণ।&nbsp;</p> <p><strong>মহম্মদ মুর্তাজা আলি, গ্রেফতার হয়েছেন পঞ্জাব থেকে&nbsp;</strong></p> <p>পঞ্জাবের জলন্ধর থেকে এই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে গুজরাত পুলিশ। গোয়েন্দা সূত্রে আগে থেকেই খবর ছিল এই সন্দেহভাজনের বিরুদ্ধে। নিজে একটি মোবাইল অ্যাপ তৈরি করেছিলেন মহম্মদ মুর্তাজা আলি। সেই অ্যাপের মাধ্যমেই পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থাকে ভারতের বিভিন্ন সংবেদনশীল তথ্য পাচার করতেন তি ব্যক্তি। তল্লাশির সময় চারটি মোবাইল এবং তিনটি সিম কার্ড উদ্ধার হয়েছে এই ব্যক্তির থেকে। তদন্তে জানা গিয়েছে, মুর্তাজা প্রযুক্তির ব্যাপারে বিশেষজ্ঞ এক ব্যক্তি। আর সেই দক্ষতা কাজে লাগিয়েই পাকিস্তানি হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগ করে চরবৃত্তির কাজ চালিয়ে যেতেন তিনি, পাচার করতেন দেশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।</p> <p><strong>পঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ থেকে গ্রেফতার হয়েছেন আরও কয়েকজন&nbsp;</strong></p> <ul> <li>গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে পঞ্জাব থেকে গ্রেফতার হয়েছেন গাজালা এবং ইয়ামিন মহম্মদ নামের দুই ব্যক্তি।&nbsp;</li> <li>আরমান নামের বছর ২৩- এর এক যুবক গ্রেফতার হয়েছে হরিয়ানা থেকে। ১৬ মে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। অভিযোগ, ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে উদ্বেগের পরিস্থিতি থাকাকালীন পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের সেনসিটিভ তথ্য শেয়ার করেছিলেন এই যুবক। পুলিশের দাবি, আরমানের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির সঙ্গে তাঁর যুক্ত থাকার শক্তিশালী প্রমাণ রয়েছে।&nbsp;</li> <li>নৌমান ইলাহি, বছর ২৪- এর এই তরুণ পেশায় সিকিউরিটি গার্ড, নিরাপত্তাকর্মী। পানিপথের এই নিরাপত্তারক্ষীর বিরুদ্ধেই অভিযোগ উঠেছে চরবৃত্তির। আদতে উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা এই যুবক। আইএসআই হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে নৌমান ইলাহির বিরুদ্ধে। নিজের এক আত্মীয়ের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে টাকা পাঠানোর মতো অভিযোগও রয়েছে তাঁ বিরুদ্ধে।&nbsp;</li> </ul> <p><strong>অমৃতসরের দিন-মজুররাও রয়েছেন গ্রেফতারের তালিকায়, তাঁদের সঙ্গে আইএসআই- এর যোগ থাকার অভিযোগ রয়েছে&nbsp;</strong></p> <p>অমৃতসর থেকে পঞ্জাব পুলিশ গ্রেফতার করেছে পলক শের মাসিহ এবং সুরজ মাসিহ নামের দু'জন দিনমজুরকে। ভারতের সংবেদনশীল সামরিক তথ্য পাচারের অভিযোগ রয়েছে এই দু'জনের বিরুদ্ধে। মাদক সেবনের অভিযোগও রয়েছে এই দু'জনের বিরুদ্ধে। তবে এর আগের কোন 'ক্রিমিনাল রেকর্ড' নেই বলেই জানিয়েছে পুলিশ। হরপ্রীত সিং নামের এক ব্যক্তির মাধ্যমে পাক গুপ্তচর সংস্থার সান্নিধ্যে আসে এই দুই দিনমজুর। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, হরপ্রীত সিং অমৃতসর সেন্ট্রাল জেলের এক বন্দি।&nbsp;</p> <p>পুলিশ জানিয়েছে, তথ্য পাচারের জন্য টাকা পেত অভিযুক্ত দুই দিনমজুর। ছোটখাটো তথ্যের জন্য ৫০০০ টাকা, বেশি সংবেদনশীল তথ্য যেমন, সেনার গতিবিধি- এর জন্য ১০ হাজার টাকা। অতীতে মাদক পাচারের কাজেও যুক্ত ছিল অভিযুক্ত দিনমজুররা। তারপর যোগ দেয় গুপ্তচরবৃত্তির কাজে। তদন্তে আরডিএক্স- এর মতো বিস্ফোরক উপকরণও উদ্ধার করেছে পুলিশ।&nbsp;</p> <p>সুখপ্রীত সিং এবং করণবীর সিং নামের আরও দুই ব্যক্তি গ্রেফতার হয়েছে পঞ্জাব থেকে। অপারেশন সিঁদুর সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল তথ্য পাচারের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে এই দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এই তালিকায় ছিল সেনার গতিবিধি, পঞ্জাব, হিমাচল প্রদেশ এবং জম্মু ও কাশ্মীরের গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অবস্থান সম্পর্কিত তথ্যও। আইএসআই- এর সঙ্গে এইসব তথ্য শেয়ার করেছিল এই দুই ব্যক্তি, এমনই অভিযোগ উঠেছে।&nbsp;</p>

from india https://ift.tt/tUm2S4h
via IFTTT

Post a Comment

0 Comments

Intercaste Relationship: 'নিচু জাতের' ছেলের সঙ্গে মেয়ের প্রেম, শ্বাসরোধ করে খুন করল বাবা, আত্মহত্যা বলে চালাতে মুখে ঢেলে দিল কীটনাশক